ঢাকা, বাংলাদেশ। , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
চাকরির প্রলোভনে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

পিরোজপুরে দু’জনের বিরুদ্ধে মামলা : ফোরকান হোসেন পলাতক

পিরোজপুর অফিস
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:০৭:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৩৪ বার পঠিত

পিরোজপুর অফিস : পিরোজপুর জেলা জজ আদালতের কর্মচারী মো. ফোরকান হোসেন (পলাতক) ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের আরএম শাখার অফিস সহায়ক মো. রিয়াজুল ইসলাম (জামিনে) এর বিরুদ্ধে সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ২০২২ সালে পিরোজপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নম্বর সি.আর ৪২৭/২২ (পিরোজপুর); দায়ের করা হয়েছে দণ্ডবিধি ৪০৬/৪২০ ও ফৌজদারি কার্যবিধি ৬৮ ধারায়। আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার দুই আসামির মধ্যে মো. রিয়াজুল ইসলাম বর্তমানে আদালতের জামিনে আছেন। অপর আসামি মো. ফোরকান হোসেনের বিরুদ্ধে সমন জারি করা হলেও তিনি আদালতে উপস্থিত হচ্ছেন না। আদালত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফোরকানের অনুপস্থিতির কারণে মামলার বিচারিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। মামলার এজাহার ও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেখিয়ে অভিযুক্তরা চারজন ভুক্তভোগীর কাছ থেকে মোট ৪২ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। ভুক্তভোগী রবীন্দ্রনাথ রায় অভিযোগে উল্লেখ করেন, ২০২২ সালের ১২ এপ্রিল তাকে একটি কথিত সরকারি চাকরির বিজ্ঞপ্তি ও প্রবেশপত্র দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। পিরোজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের আরএম শাখার অফিস সহায়ক ও জেলা জজ আদালতের কর্মচারীর পরিচয়ে বিশ্বাস করে তিনি শহরের অবকাশ মোড়ের একটি রেস্তোরাঁয় ১০ লাখ টাকা প্রদান করেন। পরে তিনি জানতে পারেন, প্রদর্শিত কাগজপত্রগুলো ভুয়া। টাকা ফেরত চাইলে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হয়। আরেক ভুক্তভোগী শক্ত মণ্ডল জানান, একই কৌশলে তাকে থেকেও ১০ লাখ টাকা নেওয়া হয়; কিন্তু চাকরি পাননি। অন্য ভুক্তভোগী শিপু ঘরামী জানান, চারজন মিলে দুই ধাপে নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে মোট ২২ লাখ টাকা প্রদান করেন। মামলাটি বর্তমানে আদালতে চলমান রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

চাকরির প্রলোভনে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

পিরোজপুরে দু’জনের বিরুদ্ধে মামলা : ফোরকান হোসেন পলাতক

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:০৭:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

পিরোজপুর অফিস : পিরোজপুর জেলা জজ আদালতের কর্মচারী মো. ফোরকান হোসেন (পলাতক) ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের আরএম শাখার অফিস সহায়ক মো. রিয়াজুল ইসলাম (জামিনে) এর বিরুদ্ধে সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ২০২২ সালে পিরোজপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নম্বর সি.আর ৪২৭/২২ (পিরোজপুর); দায়ের করা হয়েছে দণ্ডবিধি ৪০৬/৪২০ ও ফৌজদারি কার্যবিধি ৬৮ ধারায়। আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার দুই আসামির মধ্যে মো. রিয়াজুল ইসলাম বর্তমানে আদালতের জামিনে আছেন। অপর আসামি মো. ফোরকান হোসেনের বিরুদ্ধে সমন জারি করা হলেও তিনি আদালতে উপস্থিত হচ্ছেন না। আদালত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফোরকানের অনুপস্থিতির কারণে মামলার বিচারিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। মামলার এজাহার ও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেখিয়ে অভিযুক্তরা চারজন ভুক্তভোগীর কাছ থেকে মোট ৪২ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। ভুক্তভোগী রবীন্দ্রনাথ রায় অভিযোগে উল্লেখ করেন, ২০২২ সালের ১২ এপ্রিল তাকে একটি কথিত সরকারি চাকরির বিজ্ঞপ্তি ও প্রবেশপত্র দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। পিরোজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের আরএম শাখার অফিস সহায়ক ও জেলা জজ আদালতের কর্মচারীর পরিচয়ে বিশ্বাস করে তিনি শহরের অবকাশ মোড়ের একটি রেস্তোরাঁয় ১০ লাখ টাকা প্রদান করেন। পরে তিনি জানতে পারেন, প্রদর্শিত কাগজপত্রগুলো ভুয়া। টাকা ফেরত চাইলে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হয়। আরেক ভুক্তভোগী শক্ত মণ্ডল জানান, একই কৌশলে তাকে থেকেও ১০ লাখ টাকা নেওয়া হয়; কিন্তু চাকরি পাননি। অন্য ভুক্তভোগী শিপু ঘরামী জানান, চারজন মিলে দুই ধাপে নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে মোট ২২ লাখ টাকা প্রদান করেন। মামলাটি বর্তমানে আদালতে চলমান রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।