ঢাকা, বাংলাদেশ। , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
ব্রীজ চালু হওয়া সত্ত্বেও পুরনো সংযোগপথ বন্ধ; বিদ্যালয়-হাসপাতাসহ দৈনন্দিন জীবনে তীব্র কষ্ট

পিরোজপুরে চার গ্রামের হাজারো মানুষের চলাচলে বিঘ্ন, সংযোগ সড়ক নির্মাণের দাবি

পিরোজপুর অফিস
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:৪১:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৭৪ বার পঠিত
পিরোজপুর অফিস :: পিরোজপুর-কলাখালী-স্বরূপকাঠি সড়কের মূলগ্রাম খালের ওপর নতুন একটি ব্রীজ নির্মিত হওয়া স্থানীয় চার গ্রামের জন্য আশীর্বাদ হওয়ার কথা থাকলেও-ব্রীজটির পাশের পুরনো সংযোগসড়ক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় টোনা ইউনিয়নের টোনা, চলিশা, মূলগ্রাম ও তেসদাসকাঠী গ্রামের প্রায় ৫ হাজার থেকে ৭ হাজার মানুষ জেলা সদরে যাতায়াতে সমস্যায় পড়েছেন। বাধ্য হয়ে স্থানীয়রা শনিবার (১৫ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় পিরোজপুর-কলাখালী সড়কের পাশে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে এবং দ্রুত বিকল্প সংযোগ সড়ক নির্মাণের দাবি জানায়। মানববন্ধনে নারী-পুরুষসহ কয়েকশ মানুষ অংশ নেন। লোকজনের অভিযোগ, জরুরি প্রয়োজনে হাসপাতাল পৌঁছাতে এখন দীর্ঘ পথে ঘুরে যেতে হয়-অনেক সময় চিকিৎসা দিতে দেরি হয়। বাজারে কৃষিপণ্য পাঠাতে না পারায় চাষিদের শাকসবজি ও ফলমূল নষ্ট হওয়ার সমস্যা দেখা দিয়েছে। শ্রমজীবীরা প্রতিদিন কাজে যেতে অতিরিক্ত ৪-৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে বাধ্য হন, ফলে ভাড়া ও সময়ের অপচয়ে আয়ের ক্ষতি হচ্ছে। ব্রীজ নির্মাণকালে স্থানীয়রা ব্যক্তিগত জমির ওপর দিয়ে অস্থায়ীভাবে চলাচল করলেও ব্রীজটি চালু হওয়ার পর ঐ অস্থায়ী পথটিও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই কারণে চার গ্রামের দুইটি আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দাদের একমাত্র চলাচলের পথও বন্ধ হয়ে গেছে।শিক্ষাব্যবস্থাও প্রভাবিত হচ্ছে-টোনা সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কুন্ডপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৪৭ নং চর লখাকাঠি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কয়েকশ শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়ে যাতায়াত বিঘ্নিত হওয়ায় তাদের পাঠশালার কার্যক্রমে বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে। টোনা গ্রামের বাসিন্দা মো. মোরসালিন বলেন, ব্রীজ হওয়া আমাদের জন্য ভালো-কিন্তু সড়ক বন্ধ হওয়ায় আমরা বিশাল ভোগান্তি পোহাচ্ছি। এখন হাসপাতালে রোগী নিতে গিয়ে ভয় লাগে। আগে ১০ মিনিটে জেলা সদরে পৌঁছাতাম, এখন প্রায় ৪০ মিনিট লাগে। শিক্ষার্থীরাও ঠিকমত স্কুলে যেতে পারছে না। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও বাসিন্দারা; তারা দ্রুত বিকল্প সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হলে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছাবে বলে জানান এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের অনুরোধ করেন। স্থানীয়রা জেলা প্রশাসন, সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে তৎক্ষণাত হস্তক্ষেপ করে স্থায়ী বিকল্প সড়ক নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া সংবাদপ্রস্তুতির সময় পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

ব্রীজ চালু হওয়া সত্ত্বেও পুরনো সংযোগপথ বন্ধ; বিদ্যালয়-হাসপাতাসহ দৈনন্দিন জীবনে তীব্র কষ্ট

পিরোজপুরে চার গ্রামের হাজারো মানুষের চলাচলে বিঘ্ন, সংযোগ সড়ক নির্মাণের দাবি

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:৪১:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
পিরোজপুর অফিস :: পিরোজপুর-কলাখালী-স্বরূপকাঠি সড়কের মূলগ্রাম খালের ওপর নতুন একটি ব্রীজ নির্মিত হওয়া স্থানীয় চার গ্রামের জন্য আশীর্বাদ হওয়ার কথা থাকলেও-ব্রীজটির পাশের পুরনো সংযোগসড়ক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় টোনা ইউনিয়নের টোনা, চলিশা, মূলগ্রাম ও তেসদাসকাঠী গ্রামের প্রায় ৫ হাজার থেকে ৭ হাজার মানুষ জেলা সদরে যাতায়াতে সমস্যায় পড়েছেন। বাধ্য হয়ে স্থানীয়রা শনিবার (১৫ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় পিরোজপুর-কলাখালী সড়কের পাশে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে এবং দ্রুত বিকল্প সংযোগ সড়ক নির্মাণের দাবি জানায়। মানববন্ধনে নারী-পুরুষসহ কয়েকশ মানুষ অংশ নেন। লোকজনের অভিযোগ, জরুরি প্রয়োজনে হাসপাতাল পৌঁছাতে এখন দীর্ঘ পথে ঘুরে যেতে হয়-অনেক সময় চিকিৎসা দিতে দেরি হয়। বাজারে কৃষিপণ্য পাঠাতে না পারায় চাষিদের শাকসবজি ও ফলমূল নষ্ট হওয়ার সমস্যা দেখা দিয়েছে। শ্রমজীবীরা প্রতিদিন কাজে যেতে অতিরিক্ত ৪-৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে বাধ্য হন, ফলে ভাড়া ও সময়ের অপচয়ে আয়ের ক্ষতি হচ্ছে। ব্রীজ নির্মাণকালে স্থানীয়রা ব্যক্তিগত জমির ওপর দিয়ে অস্থায়ীভাবে চলাচল করলেও ব্রীজটি চালু হওয়ার পর ঐ অস্থায়ী পথটিও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই কারণে চার গ্রামের দুইটি আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দাদের একমাত্র চলাচলের পথও বন্ধ হয়ে গেছে।শিক্ষাব্যবস্থাও প্রভাবিত হচ্ছে-টোনা সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কুন্ডপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৪৭ নং চর লখাকাঠি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কয়েকশ শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়ে যাতায়াত বিঘ্নিত হওয়ায় তাদের পাঠশালার কার্যক্রমে বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে। টোনা গ্রামের বাসিন্দা মো. মোরসালিন বলেন, ব্রীজ হওয়া আমাদের জন্য ভালো-কিন্তু সড়ক বন্ধ হওয়ায় আমরা বিশাল ভোগান্তি পোহাচ্ছি। এখন হাসপাতালে রোগী নিতে গিয়ে ভয় লাগে। আগে ১০ মিনিটে জেলা সদরে পৌঁছাতাম, এখন প্রায় ৪০ মিনিট লাগে। শিক্ষার্থীরাও ঠিকমত স্কুলে যেতে পারছে না। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও বাসিন্দারা; তারা দ্রুত বিকল্প সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হলে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছাবে বলে জানান এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের অনুরোধ করেন। স্থানীয়রা জেলা প্রশাসন, সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে তৎক্ষণাত হস্তক্ষেপ করে স্থায়ী বিকল্প সড়ক নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া সংবাদপ্রস্তুতির সময় পাওয়া যায়নি।