ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

ভৈরামপুরে বৃদ্ধা নারীকে গলা কেটে হত্যা

হাসান মামুন
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:২০:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫
  • / ৬৭ বার পঠিত
পিরোজপুর অফিস:: পিরোজপুর সদর উপজেলার ভৈরামপুর এলাকায় এক বৃদ্ধা নারীকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (২৫ জুলাই) রাতে কদমতলা ইউনিয়নের মধ্য ভৈরামপুর এলাকার হাওলাদার বাড়িতে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত রোকেয়া বেগম (৭০) স্থানীয় মৃত মোক্কাতার হাওলাদারের স্ত্রী। তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বড় ছেলে লিটন হাওলাদার স্থানীয়ভাবে আদালা বাড়িতে বসবাস করেন, ছোট ছেলে মহাসিন হাওলাদার সৌদি আরবে কর্মরত, আর মেয়ে স্বামীর বাড়িতে থাকেন। রোকেয়া বেগম ছোট ছেলের নির্মিত একটি ভবনে একাই বসবাস করতেন।
প্রতিবেশীরা জানান, তিনি একা থাকলেও তার গলায় স্বর্ণের চেইন ও কিছু নগদ অর্থ ছিল বলে জানা যায়। নিহতের বড় ছেলে লিটন হাওলাদার বলেন, “স্থানীয় চইলশা বাজার থেকে খবর পেয়ে দ্রুত বাসায় এসে দেখি মা’কে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনো বুঝে উঠতে পারছি না। তবে আমাদের জমি নিয়ে কিছু বিরোধ রয়েছে।”
প্রতিবেশী আমিনুল ইসলাম জানান, “সকাল ৯টার দিকে খবর পেয়ে আমরা এসে দেখি রোকেয়া বেগমকে হত্যা করা হয়েছে।”
পিরোজপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম জানান, “ঘটনাস্থলে এসে দেখা যায়, ভবনের জানালা ভেঙে কেউ প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে হত্যা করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে।”
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

ভৈরামপুরে বৃদ্ধা নারীকে গলা কেটে হত্যা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:২০:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫
পিরোজপুর অফিস:: পিরোজপুর সদর উপজেলার ভৈরামপুর এলাকায় এক বৃদ্ধা নারীকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (২৫ জুলাই) রাতে কদমতলা ইউনিয়নের মধ্য ভৈরামপুর এলাকার হাওলাদার বাড়িতে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত রোকেয়া বেগম (৭০) স্থানীয় মৃত মোক্কাতার হাওলাদারের স্ত্রী। তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বড় ছেলে লিটন হাওলাদার স্থানীয়ভাবে আদালা বাড়িতে বসবাস করেন, ছোট ছেলে মহাসিন হাওলাদার সৌদি আরবে কর্মরত, আর মেয়ে স্বামীর বাড়িতে থাকেন। রোকেয়া বেগম ছোট ছেলের নির্মিত একটি ভবনে একাই বসবাস করতেন।
প্রতিবেশীরা জানান, তিনি একা থাকলেও তার গলায় স্বর্ণের চেইন ও কিছু নগদ অর্থ ছিল বলে জানা যায়। নিহতের বড় ছেলে লিটন হাওলাদার বলেন, “স্থানীয় চইলশা বাজার থেকে খবর পেয়ে দ্রুত বাসায় এসে দেখি মা’কে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনো বুঝে উঠতে পারছি না। তবে আমাদের জমি নিয়ে কিছু বিরোধ রয়েছে।”
প্রতিবেশী আমিনুল ইসলাম জানান, “সকাল ৯টার দিকে খবর পেয়ে আমরা এসে দেখি রোকেয়া বেগমকে হত্যা করা হয়েছে।”
পিরোজপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম জানান, “ঘটনাস্থলে এসে দেখা যায়, ভবনের জানালা ভেঙে কেউ প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে হত্যা করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে।”