ঢাকা, বাংলাদেশ , সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

পিরোজপুরে মানব পাচার মামলায় পাঁচজনের ১০-বছরের কারাদণ্ড

  • পিরোজপুর অফিস
  • সর্বশেষ পরিমার্জন : ১১:০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩৫ বার পঠিত
পিরোজপুর অফিস:   পিরোজপুরে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের মামলায় পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ জুন) পিরোজপুরের মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ মেহেদী আল মাসুদ এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ঘটিচোরা এলাকার মো. কুদ্দুস, হবিগঞ্জের বাহুবল এলাকার মো. কাসেম ওরফে কাদের মোল্লা, চাঁদপুরের শাহরাস্তি এলাকার রবিউল আলম ওরফে মানিক, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার জামাল সিকদার ওরফে জিয়া এবং কক্সবাজারের কুতুবদিয়া এলাকার পলাশ চৌধুরী।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ৭ ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। এ ঘটনায় মঠবাড়িয়া থানায় ২০১৪ সালের ৩ জুন মামলা করা হয়। পরবর্তী সময়ে মামলাটি পিরোজপুরের মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন ছিল।
মামলার বিচার শেষে রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত প্রত্যেক আসামিকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। রায় ঘোষণার সময় জামাল সিকদার ওরফে জিয়া এবং পলাশ চৌধুরী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং রায় ঘোষণার তারিখ থেকে তাদের সাজা কার্যকর হবে।
অন্যদিকে, মামলার অপর তিন আসামি মো. কুদ্দুস, মো. কাসেম ওরফে কাদের মোল্লা এবং রবিউল আলম ওরফে মানিক পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। রায়ে তাদের গ্রেপ্তার অথবা আদালতে আত্মসমর্পণের পর আইনানুগভাবে সাজা কার্যকরের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে জারি করা সাজা পরোয়ানা বাস্তবায়নসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
জনপ্রিয়

সকল ধর্ম ও মতের মানুষকে কথা বলার সুযোগ দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টায় থাকবো : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার

৫০/এফ, ইনার সার্কুলার ভিআইপি রোড, নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০ | ফোন: ০৯৬৪৯২৩০২২০, ০১৯১৫৭০৮১৮৭, ই-মেইল: info.nagorikvabna@gmail.com

.nv-address-bar { background-color: #1565C0 !important; padding: 10px 20px !important; text-align: center !important; width: 100% !important; display: block !important; } .nv-address-bar p { color: #ffffff !important; font-size: 13px !important; margin: 0 !important; line-height: 1.6 !important; }
24 August 2026

‘সীমান্তে শান্তির’ খোঁজে বেইজিংয়ে দোভাল

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

পিরোজপুরে মানব পাচার মামলায় পাঁচজনের ১০-বছরের কারাদণ্ড

সর্বশেষ পরিমার্জন : ১১:০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
পিরোজপুর অফিস:   পিরোজপুরে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের মামলায় পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ জুন) পিরোজপুরের মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ মেহেদী আল মাসুদ এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ঘটিচোরা এলাকার মো. কুদ্দুস, হবিগঞ্জের বাহুবল এলাকার মো. কাসেম ওরফে কাদের মোল্লা, চাঁদপুরের শাহরাস্তি এলাকার রবিউল আলম ওরফে মানিক, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার জামাল সিকদার ওরফে জিয়া এবং কক্সবাজারের কুতুবদিয়া এলাকার পলাশ চৌধুরী।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ৭ ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। এ ঘটনায় মঠবাড়িয়া থানায় ২০১৪ সালের ৩ জুন মামলা করা হয়। পরবর্তী সময়ে মামলাটি পিরোজপুরের মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন ছিল।
মামলার বিচার শেষে রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত প্রত্যেক আসামিকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। রায় ঘোষণার সময় জামাল সিকদার ওরফে জিয়া এবং পলাশ চৌধুরী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং রায় ঘোষণার তারিখ থেকে তাদের সাজা কার্যকর হবে।
অন্যদিকে, মামলার অপর তিন আসামি মো. কুদ্দুস, মো. কাসেম ওরফে কাদের মোল্লা এবং রবিউল আলম ওরফে মানিক পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। রায়ে তাদের গ্রেপ্তার অথবা আদালতে আত্মসমর্পণের পর আইনানুগভাবে সাজা কার্যকরের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে জারি করা সাজা পরোয়ানা বাস্তবায়নসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

Share this news as a Photo Card