ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

পুলিশের বাঁশি মাইকের ঘোষণা উপেক্ষা করে ট্রেনের ছাদে বাড়ি ছুটছে মানুষ

হাছিবুল হাছান হাছিব
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১০:১৪:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ মার্চ ২০২৫
  • / ২২৩ বার পঠিত

ঈদ মানেই নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা। ঘর মুখো মানুষের চাপ বেড়েছে। দীর্ঘ ৯ দিনের ছুটি পেয়ে প্রিয়জনের সাথে পবিত্র ঈদুল ফিতর উৎযাপন করতে ঘরে ফিরছে মানুষ। এর ফলে ঢাকা -ময়মনসিংহ রেলপথে চলাচলকারী ট্রেনগুলোতে উপচে পড়া ভিড় ভিতরে জায়গা না পেয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনের ছাদে ও ইঞ্জিনে করে ফিরছে হাজারো মানুষ। শনিবার (২৯ মার্চ) দুপুরে ময়মনসিংহ রেলওয়ে জংশন স্টেশন জয়দেবপুর ও শ্রীপুর স্টেশন ঘুরে এই চিত্র দেখা যায়। কমলাপুর থেকে ছেড়ে আসা বলাকা কমিউটার, দেওয়ানগঞ্জ, মহুয়া কমিউটার, জামালপুর কমিউটার ট্রেন, আন্তঃনগর তিস্তা এক্সপ্রেস, জামালপুর এক্সপ্রেস, মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস, ঈদ স্পেশাল ট্রেন গুলোতে দেখা যায় প্রচন্ড ভিড়। ঢাকা -ময়মনসিংহ রেলপথে চলাচলকারী ট্রেনগুলোতে কোন সিডিউল বিপর্যয় না থাকায় নির্ধারিত সময়েই গন্তব্যের উদ্দেশ্য ট্রেনগুলো ছেড়ে যাচ্ছে স্টেশন থেকে। ট্রেনগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই উপচে পড়া ভীড়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনের ছাদে ইঞ্জিনে নারী-পুরুষ শিশুসহ হাজারো মানুষ। তবে আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতে যাত্রীরা ছাদে ও ভিতরে গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে আছে। অতিরিক্ত যাত্রীর কারণে স্টেশনগুলোতে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। রেলওয়ে পুলিশ ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বারবার সর্তকতামূলক মাইকিং করছে। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে স্টেশনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে। বাড়তি নিরাপত্তা জন্য জেলা পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ,ও ৯ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছে। যাত্রীরা যেন ছাদে ভ্রমণ না সেজন্য মাইকিং করা হচ্ছে। সেই সাথে মোবাইল চুরি, অপরিচিত কোন ব্যক্তির কাছ থেকে কোন পানীয় বা খাবার জাতীয় কিছু গ্রহণ না করে সেজন্য যাত্রীদের সর্তক করা হচ্ছে। জয়দেপুর স্টেশনে যাত্রীদের চাপ নেই বললেই চলে। নির্ধারিত সময়ে সব ট্রেন ছেড়ে যাচ্ছে। যাত্রীরাও তাদের নির্ধারিত আসনে কোনো ঝামেলা ছাড়াই উঠতে পারছে। ঈদ উপলক্ষে টিকেটবিহীন যাত্রী ঠেকাতে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। তিন স্তরের টিকিট চেকিং ব্যবস্থার কারণে টিকিট থাকা রেলের যাত্রীরা স্বাচ্ছন্দ্যে গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে গেছেন। বাইরে বাঁশের বেষ্টনী থাকায় জয়দেবপুর রেলস্টেশনে টিকিটবিহীন যাত্রীরা প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করতে পারেননি। এর ফলে গতকালও রেলের ঈদযাত্রা স্বাচ্ছন্দ্যের ছিল। জয়দেপুর স্টেশনে বাড়িমুখী যাত্রীদের ভিড়। কেউ সপরিবার, কেউবা একা বাড়ি যাচ্ছেন প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে। তাঁদের অনেকে গতকাল অফিস থেকে সোজা চলে গেছেন স্টেশনে। বেশির ভাগ ট্রেনে যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে। আসনবিহীন টিকিটের যাত্রীদের দাঁড়িয়ে যেতে দেখা গেছে। কর্তৃপক্ষের নিষেধ থাকলেও সকালে একতা এক্সপ্রেস ট্রেনের ছাদে অনেক যাত্রী উঠেছেন। কমলাপুর থেকে প্রায় ৭০টি ট্রেন বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে গেছে। এর মধ্যে রাজশাহীগামী ধূমকেতু এক্সপ্রেস ৪৫ মিনিট এবং সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ১ ঘণ্টা বিলম্বে স্টেশন ছেড়েছে। বাকিগুলো প্রায় নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে যাওয়ায় এবার ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় হয়নি।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

পুলিশের বাঁশি মাইকের ঘোষণা উপেক্ষা করে ট্রেনের ছাদে বাড়ি ছুটছে মানুষ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১০:১৪:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ মার্চ ২০২৫

ঈদ মানেই নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা। ঘর মুখো মানুষের চাপ বেড়েছে। দীর্ঘ ৯ দিনের ছুটি পেয়ে প্রিয়জনের সাথে পবিত্র ঈদুল ফিতর উৎযাপন করতে ঘরে ফিরছে মানুষ। এর ফলে ঢাকা -ময়মনসিংহ রেলপথে চলাচলকারী ট্রেনগুলোতে উপচে পড়া ভিড় ভিতরে জায়গা না পেয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনের ছাদে ও ইঞ্জিনে করে ফিরছে হাজারো মানুষ। শনিবার (২৯ মার্চ) দুপুরে ময়মনসিংহ রেলওয়ে জংশন স্টেশন জয়দেবপুর ও শ্রীপুর স্টেশন ঘুরে এই চিত্র দেখা যায়। কমলাপুর থেকে ছেড়ে আসা বলাকা কমিউটার, দেওয়ানগঞ্জ, মহুয়া কমিউটার, জামালপুর কমিউটার ট্রেন, আন্তঃনগর তিস্তা এক্সপ্রেস, জামালপুর এক্সপ্রেস, মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস, ঈদ স্পেশাল ট্রেন গুলোতে দেখা যায় প্রচন্ড ভিড়। ঢাকা -ময়মনসিংহ রেলপথে চলাচলকারী ট্রেনগুলোতে কোন সিডিউল বিপর্যয় না থাকায় নির্ধারিত সময়েই গন্তব্যের উদ্দেশ্য ট্রেনগুলো ছেড়ে যাচ্ছে স্টেশন থেকে। ট্রেনগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই উপচে পড়া ভীড়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনের ছাদে ইঞ্জিনে নারী-পুরুষ শিশুসহ হাজারো মানুষ। তবে আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতে যাত্রীরা ছাদে ও ভিতরে গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে আছে। অতিরিক্ত যাত্রীর কারণে স্টেশনগুলোতে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। রেলওয়ে পুলিশ ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বারবার সর্তকতামূলক মাইকিং করছে। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে স্টেশনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে। বাড়তি নিরাপত্তা জন্য জেলা পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ,ও ৯ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছে। যাত্রীরা যেন ছাদে ভ্রমণ না সেজন্য মাইকিং করা হচ্ছে। সেই সাথে মোবাইল চুরি, অপরিচিত কোন ব্যক্তির কাছ থেকে কোন পানীয় বা খাবার জাতীয় কিছু গ্রহণ না করে সেজন্য যাত্রীদের সর্তক করা হচ্ছে। জয়দেপুর স্টেশনে যাত্রীদের চাপ নেই বললেই চলে। নির্ধারিত সময়ে সব ট্রেন ছেড়ে যাচ্ছে। যাত্রীরাও তাদের নির্ধারিত আসনে কোনো ঝামেলা ছাড়াই উঠতে পারছে। ঈদ উপলক্ষে টিকেটবিহীন যাত্রী ঠেকাতে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। তিন স্তরের টিকিট চেকিং ব্যবস্থার কারণে টিকিট থাকা রেলের যাত্রীরা স্বাচ্ছন্দ্যে গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে গেছেন। বাইরে বাঁশের বেষ্টনী থাকায় জয়দেবপুর রেলস্টেশনে টিকিটবিহীন যাত্রীরা প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করতে পারেননি। এর ফলে গতকালও রেলের ঈদযাত্রা স্বাচ্ছন্দ্যের ছিল। জয়দেপুর স্টেশনে বাড়িমুখী যাত্রীদের ভিড়। কেউ সপরিবার, কেউবা একা বাড়ি যাচ্ছেন প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে। তাঁদের অনেকে গতকাল অফিস থেকে সোজা চলে গেছেন স্টেশনে। বেশির ভাগ ট্রেনে যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে। আসনবিহীন টিকিটের যাত্রীদের দাঁড়িয়ে যেতে দেখা গেছে। কর্তৃপক্ষের নিষেধ থাকলেও সকালে একতা এক্সপ্রেস ট্রেনের ছাদে অনেক যাত্রী উঠেছেন। কমলাপুর থেকে প্রায় ৭০টি ট্রেন বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে গেছে। এর মধ্যে রাজশাহীগামী ধূমকেতু এক্সপ্রেস ৪৫ মিনিট এবং সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ১ ঘণ্টা বিলম্বে স্টেশন ছেড়েছে। বাকিগুলো প্রায় নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে যাওয়ায় এবার ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় হয়নি।