ঢাকা, বাংলাদেশ। , বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

বন্ধুর ঘরের পিছনে রিক্সাচালকের মাটিচাপা লাশ অটোরিকশা উদ্ধার

প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:০৬:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ৮৭ বার পঠিত
বিশেষ প্রতিনিধি,ফরিদপুর : নিহত হালিম শেখ ফরিদপুর শহরের আলিপুর এলাকার মৃত আব্দুর রউফ শেখের ছেলে। দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে মেজ হালিম। তিনি পেশায় অটোরিকশাচালক ছিলেন। নিহত হালিমের বড় বোন সাথী আক্তার ও স্বজনেরা জানান, গত ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টার দিকে বাড়ি থেকে বের হন হালিম শেখ। এর পর থেকে হালিম নিখোঁজ হলে গতকাল শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। নিখোঁজের দিন রনি মোল্যার সঙ্গে হালিমকে ঘুরতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে তাঁদের সন্দেহের একপর্যায়ে রনির বাড়িতে এলে ভেতর থেকে গেট বন্ধ দেখতে পান।
বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে হালিমের অটোরিকশাটি শনাক্ত করেন এর মালিক নূর ইসলাম। পরে ওই ঘরের পেছনে বালুমাটি দিয়ে কিছু ঢেকে রাখা দেখতে পেলে থানা-পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়। পরে পুলিশ এসে বেলা ১টা ৩০ মিনিটের দিকে পুঁতে রাখা লাশটি উদ্ধার করে। অটোরিকশার মালিক নূর ইসলাম বলেন, ‘হালিম গত মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে আমাকে ফোনে জানায়, আজ গ্যারেজে যাব না, এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছি, আগামীকাল ফিরব।’ এরপর হালিম ফিরে না আসায় খুঁজতে শুরু করি। একপর্যায়ে জানতে পারি, হালিমের বন্ধু রনি মোল্যা তাকে নিয়ে যায়। পরে রনির বাড়িতে এসে লাশ পেলাম।’ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার আব্দুল জলিল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস.) শৈলেন চাকমা, কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান। পুলিশ সুপার আব্দুল জলিল বলেন, ‘আমরা জিডি মারফত জানতে পেরেছি, অটোরিকশাচালক হালিম ও রনি ৩১ ডিসেম্বর একসঙ্গে ওয়াজ শুনেছে। এরপর একই সঙ্গে তারা সেখান থেকে অটোরিকশায় চলে আসে। এরপর হালিমের স্বজনদের সন্দেহ হলে আজ সকালে এই বাড়িতে এসে অটোরিকশা দেখতে পায়। এ সময় রনিকে না পেয়ে তাঁদের সন্দেহ হয় এবং বাড়ির ভেতরে আলগা মাটি দেখতে পেয়ে আমাদের জানায়। পরে হালিমের লাশটি উদ্ধার করি। লাশটির ঘাড়ে কোপ রয়েছে। সম্ভবত তাকে কুপিয়ে এখানে পুঁতে রাখা হয়।’পুলিশ সুপার আব্দুল জলিল আরও বলেন, ‘আমরা শিগগির রনিকে আইনের আওতায় নিয়ে আসব। এ ছাড়া রনির স্ত্রীকে ঘটনাস্থল থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে।’
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

বন্ধুর ঘরের পিছনে রিক্সাচালকের মাটিচাপা লাশ অটোরিকশা উদ্ধার

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:০৬:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫
বিশেষ প্রতিনিধি,ফরিদপুর : নিহত হালিম শেখ ফরিদপুর শহরের আলিপুর এলাকার মৃত আব্দুর রউফ শেখের ছেলে। দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে মেজ হালিম। তিনি পেশায় অটোরিকশাচালক ছিলেন। নিহত হালিমের বড় বোন সাথী আক্তার ও স্বজনেরা জানান, গত ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টার দিকে বাড়ি থেকে বের হন হালিম শেখ। এর পর থেকে হালিম নিখোঁজ হলে গতকাল শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। নিখোঁজের দিন রনি মোল্যার সঙ্গে হালিমকে ঘুরতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে তাঁদের সন্দেহের একপর্যায়ে রনির বাড়িতে এলে ভেতর থেকে গেট বন্ধ দেখতে পান।
বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে হালিমের অটোরিকশাটি শনাক্ত করেন এর মালিক নূর ইসলাম। পরে ওই ঘরের পেছনে বালুমাটি দিয়ে কিছু ঢেকে রাখা দেখতে পেলে থানা-পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়। পরে পুলিশ এসে বেলা ১টা ৩০ মিনিটের দিকে পুঁতে রাখা লাশটি উদ্ধার করে। অটোরিকশার মালিক নূর ইসলাম বলেন, ‘হালিম গত মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে আমাকে ফোনে জানায়, আজ গ্যারেজে যাব না, এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছি, আগামীকাল ফিরব।’ এরপর হালিম ফিরে না আসায় খুঁজতে শুরু করি। একপর্যায়ে জানতে পারি, হালিমের বন্ধু রনি মোল্যা তাকে নিয়ে যায়। পরে রনির বাড়িতে এসে লাশ পেলাম।’ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার আব্দুল জলিল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস.) শৈলেন চাকমা, কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান। পুলিশ সুপার আব্দুল জলিল বলেন, ‘আমরা জিডি মারফত জানতে পেরেছি, অটোরিকশাচালক হালিম ও রনি ৩১ ডিসেম্বর একসঙ্গে ওয়াজ শুনেছে। এরপর একই সঙ্গে তারা সেখান থেকে অটোরিকশায় চলে আসে। এরপর হালিমের স্বজনদের সন্দেহ হলে আজ সকালে এই বাড়িতে এসে অটোরিকশা দেখতে পায়। এ সময় রনিকে না পেয়ে তাঁদের সন্দেহ হয় এবং বাড়ির ভেতরে আলগা মাটি দেখতে পেয়ে আমাদের জানায়। পরে হালিমের লাশটি উদ্ধার করি। লাশটির ঘাড়ে কোপ রয়েছে। সম্ভবত তাকে কুপিয়ে এখানে পুঁতে রাখা হয়।’পুলিশ সুপার আব্দুল জলিল আরও বলেন, ‘আমরা শিগগির রনিকে আইনের আওতায় নিয়ে আসব। এ ছাড়া রনির স্ত্রীকে ঘটনাস্থল থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে।’