ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ০৪ মে ২০২৬

বাংলাদেশি পাসপোর্ট-এনআইডি নিয়ে যা বললেন টিউলিপ

সেলিম সম্রাট,নাগরিক ভাবনা,ঢাকা
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:৩১:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ১৮৮ বার পঠিত

বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে আলোড়ন তুলেছে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিকের নামে পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্র থাকার অভিযোগ। সাম্প্রতিক একাধিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দেখা গেছে, টিউলিপের নামে ২০০১ সালে লন্ডনে বাংলাদেশের হাইকমিশনের মাধ্যমে একটি পাসপোর্ট ইস্যু করা হয় এবং ২০১১ সালে ঢাকার আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে তার নবায়নের আবেদন করা হয়।

একই বছরে তার নামে জাতীয় পরিচয়পত্র ইস্যু হয় এবং নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেসে ভোটার হিসেবে নাম নথিভুক্ত থাকার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের পাসপোর্ট অধিদপ্তর ও নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, এসব নথি সরকারি ডাটাবেস থেকেই পাওয়া।

তবে টিউলিপ সিদ্দিক এসব অভিযোগকে অস্বীকার করে বলেছেন, শৈশবের পর থেকে তিনি কোনো বাংলাদেশি পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করেননি এবং যুক্তরাজ্যে কেবল ব্রিটিশ নাগরিক হিসেবেই বসবাস করছেন।

তিনি দাবি করেছেন, এসব অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের অংশ এবং তার আইনজীবীদের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে—বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ যে নথি প্রকাশ করেছে তা ভুয়া ও ত্রুটিপূর্ণ।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

বাংলাদেশি পাসপোর্ট-এনআইডি নিয়ে যা বললেন টিউলিপ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:৩১:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে আলোড়ন তুলেছে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিকের নামে পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্র থাকার অভিযোগ। সাম্প্রতিক একাধিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দেখা গেছে, টিউলিপের নামে ২০০১ সালে লন্ডনে বাংলাদেশের হাইকমিশনের মাধ্যমে একটি পাসপোর্ট ইস্যু করা হয় এবং ২০১১ সালে ঢাকার আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে তার নবায়নের আবেদন করা হয়।

একই বছরে তার নামে জাতীয় পরিচয়পত্র ইস্যু হয় এবং নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেসে ভোটার হিসেবে নাম নথিভুক্ত থাকার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের পাসপোর্ট অধিদপ্তর ও নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, এসব নথি সরকারি ডাটাবেস থেকেই পাওয়া।

তবে টিউলিপ সিদ্দিক এসব অভিযোগকে অস্বীকার করে বলেছেন, শৈশবের পর থেকে তিনি কোনো বাংলাদেশি পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করেননি এবং যুক্তরাজ্যে কেবল ব্রিটিশ নাগরিক হিসেবেই বসবাস করছেন।

তিনি দাবি করেছেন, এসব অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের অংশ এবং তার আইনজীবীদের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে—বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ যে নথি প্রকাশ করেছে তা ভুয়া ও ত্রুটিপূর্ণ।