ঢাকা, বাংলাদেশ। , রবিবার, ১০ মে ২০২৬

বাঘায় ভেজাল গুড়ের কারখানায় প্রশাসনের যৌথ অভিযানে জরিমানা 

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:৩৮:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৪২ বার পঠিত

রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় ভেজাল গুড় তৈরির কারখানায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে প্রশাসন। বুধবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে উপজেলার আড়ানী পৌরসভার শাহ্পুর এলাকায় র‍্যাব-৫ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান শেষ হয় বেলা পৌনে ১২টায়। এ সময় ৫টি কারখানা মালিককে মোট ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

ভেজাল গুড়ের কারখানা মালিক যথাক্রমে আড়ানী শাহ্পুর এলাকার সাল্টু, লাল্টু ও মুক্তার আলীকে ৫০ হাজার করে দেড় লক্ষ টাকা এবং ইনারুল কে ২০ হাজার টাকা ও এনারুল কে ৩০  হাজার টাকা সহ মোট ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ইব্রাহীম হোসেন বলেন, চিনি, রং, হাইড্রোজসহ বিভিন্ন ক্ষতিকারক উপাদান মিশিয়ে গুড় তৈরি হচ্ছিল। গুড়ে খেজুর বা আখের রসের ছিটেফোঁটাও নেই। এগুলো খেয়ে স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। ৫টি কারখানাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আমরা আগামীতেও অভিযান অব্যাহত রাখবো।

এ সময় র‍্যাব-৫ এর রাজশাহীর উপ-অধিনায়ক মেজর মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, এরা মাদকের চেয়ে খারাপ কাজ করছে। এগুলো খেয়ে মানুষের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। চিনি, রং, ফিটকিরি ও হাইড্রোজসহ বিভিন্ন ক্ষতিকারক জিনিস দিয়ে তারা গুড় তৈরি করছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভেজাল গুড় তৈরির কারখানায় আমাদের অভিযান শুরু হয়। এখানকার এসব গুড় সারাদেশ যেত, বিভিন্ন প্রকার গুড় করত তারা। আলামত জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। তাদের জরিমানাও করা হয়েছে, আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে । এর পরেও যদি তারা আবার অবৈধ গুড় তৈরির সাথে যুক্ত থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুযু করা হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

বাঘায় ভেজাল গুড়ের কারখানায় প্রশাসনের যৌথ অভিযানে জরিমানা 

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:৩৮:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় ভেজাল গুড় তৈরির কারখানায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে প্রশাসন। বুধবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে উপজেলার আড়ানী পৌরসভার শাহ্পুর এলাকায় র‍্যাব-৫ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান শেষ হয় বেলা পৌনে ১২টায়। এ সময় ৫টি কারখানা মালিককে মোট ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

ভেজাল গুড়ের কারখানা মালিক যথাক্রমে আড়ানী শাহ্পুর এলাকার সাল্টু, লাল্টু ও মুক্তার আলীকে ৫০ হাজার করে দেড় লক্ষ টাকা এবং ইনারুল কে ২০ হাজার টাকা ও এনারুল কে ৩০  হাজার টাকা সহ মোট ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ইব্রাহীম হোসেন বলেন, চিনি, রং, হাইড্রোজসহ বিভিন্ন ক্ষতিকারক উপাদান মিশিয়ে গুড় তৈরি হচ্ছিল। গুড়ে খেজুর বা আখের রসের ছিটেফোঁটাও নেই। এগুলো খেয়ে স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। ৫টি কারখানাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আমরা আগামীতেও অভিযান অব্যাহত রাখবো।

এ সময় র‍্যাব-৫ এর রাজশাহীর উপ-অধিনায়ক মেজর মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, এরা মাদকের চেয়ে খারাপ কাজ করছে। এগুলো খেয়ে মানুষের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। চিনি, রং, ফিটকিরি ও হাইড্রোজসহ বিভিন্ন ক্ষতিকারক জিনিস দিয়ে তারা গুড় তৈরি করছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভেজাল গুড় তৈরির কারখানায় আমাদের অভিযান শুরু হয়। এখানকার এসব গুড় সারাদেশ যেত, বিভিন্ন প্রকার গুড় করত তারা। আলামত জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। তাদের জরিমানাও করা হয়েছে, আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে । এর পরেও যদি তারা আবার অবৈধ গুড় তৈরির সাথে যুক্ত থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুযু করা হবে।