ঢাকা, বাংলাদেশ। , বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

বিয়ের চার মাসের মাথায় নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০১:২৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুলাই ২০২৫
  • / ৮০ বার পঠিত

বিয়ের চার মাসের মাথায় নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ

 

রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার আজমপুর গ্রামে বিয়ের চার মাসের মাথায় মুক্তা বেগম (২০) নামের এক নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

 

নিহত মুক্তা বেগম একই উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের আজমপুর গ্রামের বাবলু মিয়ার ছেলে রিপন মিয়ার স্ত্রী। চার মাস আগে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়।

 

মুক্তার বড় ভাই জানান,

আমার বোনকে আমরা কষ্ট করে বিয়ে দেই। সব ধরনের চাহিদা পূরণ করার পরেও ওর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে নানাভাবে নির্যাতন করত। আমরা বারবার বিষয়টি সহ্য করেছি, বুঝিয়ে বলেছি। কিন্তু তারা থামেনি। অবশেষে আমার বোনের মরদেহ ফিরল বাবার বাড়িতে।

 

তিনি বলেন,
বুধবার (১৬ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে আমার মা মুক্তাকে দেখতে যায়। তখন শ্বশুরবাড়ির লোকজন জানায়, ‘মুক্তা ঘরের ভেতরে শুয়ে আছে। ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে রিপনের ফুফু আনোয়ারা বেগম ঘরের জানালা দিয়ে দেখে মুক্তা ঝুলছে। এরপর মা চিৎকার দিলে আমরা খবর পাই।

 

মুক্তার মরদেহ উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

 

নিহতের ভাই বলেন,
আমরা বিশ্বাস করি, এটি আত্মহত্যা নয়, এটি একটি ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আমরা প্রশাসনের কাছে এই নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের কঠোর শাস্তি চাই।

 

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পীরগঞ্জ থানার কোনো কর্মকর্তার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

বিয়ের চার মাসের মাথায় নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০১:২৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুলাই ২০২৫

বিয়ের চার মাসের মাথায় নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ

 

রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার আজমপুর গ্রামে বিয়ের চার মাসের মাথায় মুক্তা বেগম (২০) নামের এক নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

 

নিহত মুক্তা বেগম একই উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের আজমপুর গ্রামের বাবলু মিয়ার ছেলে রিপন মিয়ার স্ত্রী। চার মাস আগে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়।

 

মুক্তার বড় ভাই জানান,

আমার বোনকে আমরা কষ্ট করে বিয়ে দেই। সব ধরনের চাহিদা পূরণ করার পরেও ওর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে নানাভাবে নির্যাতন করত। আমরা বারবার বিষয়টি সহ্য করেছি, বুঝিয়ে বলেছি। কিন্তু তারা থামেনি। অবশেষে আমার বোনের মরদেহ ফিরল বাবার বাড়িতে।

 

তিনি বলেন,
বুধবার (১৬ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে আমার মা মুক্তাকে দেখতে যায়। তখন শ্বশুরবাড়ির লোকজন জানায়, ‘মুক্তা ঘরের ভেতরে শুয়ে আছে। ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে রিপনের ফুফু আনোয়ারা বেগম ঘরের জানালা দিয়ে দেখে মুক্তা ঝুলছে। এরপর মা চিৎকার দিলে আমরা খবর পাই।

 

মুক্তার মরদেহ উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

 

নিহতের ভাই বলেন,
আমরা বিশ্বাস করি, এটি আত্মহত্যা নয়, এটি একটি ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আমরা প্রশাসনের কাছে এই নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের কঠোর শাস্তি চাই।

 

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পীরগঞ্জ থানার কোনো কর্মকর্তার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।