ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলামের একগুঁয়েমির কারণে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন বন্ধ

লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি।।
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:০২:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৬৮ বার পঠিত
লালমনিরহাট নেছারিয়া কামিল মাদ্রাসার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা রফিকুল ইসলাম এবং সাবেক ইস্তফা প্রদানকারী অধ্যক্ষ মোসলেম উদ্দিনসহ যোগসাজস  করে বর্তমান সভাপতি কে পাস কাটিয়ে সম্পূর্ণ বেআইনি এবং অবৈধভাবে একটি এডহক কমিটি গঠন করার পায়তারা করতেছে।
এ বিষয়ে বর্তমান কমিটির সভাপতি দুলাল হক কে ফোন দিলে তিনি বলেন আরবি বিশ্ববিদ্যালয় ও অধিদপ্তর থেকে আমাকে সভাপতি মনোনয়ন দিয়েছেন আমি বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কে মিটিং আহ্বান করার জন্য নোটিশ প্রদান করি কিন্তু তারা কোন জবাব না দিয়ে কমিটি ভেঙ্গে দেওয়ার পাঁয়তারা করতেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শিক্ষক বলেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম আমাদেরকে সভাপতির বিষয়ে কিছুই বলেন নাই উনাকে জিজ্ঞাসা করা হলে উনি বলে এখনো সভাপতি হয় নাই আমরা দুই মাস থেকে বেতন পাচ্ছি না সভাপতি জন্য অথচ এখন শুনলাম সভাপতি আছে
অন্যদিকে শিক্ষক ও অভিভাবকরা বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে এই দ্বন্দ্বে মাদরাসার শিক্ষা পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দ্রুত প্রশাসনিক নিষ্পত্তি প্রয়োজন।”
নথি অনুযায়ী, বর্তমানে মামলাটি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন এবং মাওলানা মোসলেম উদ্দিনের পুনর্বহাল প্রক্রিয়া কার্যত স্থগিত রয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আদালতের চূড়ান্ত রায় না আসা পর্যন্ত তার কোনো পদক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়।
সব মিলিয়ে, নেছারিয়া কামিল মাদরাসায় এই অধ্যক্ষ পদ-সংক্রান্ত বিরোধ এখন স্থানীয় সমাজে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলামের একগুঁয়েমির কারণে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন বন্ধ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:০২:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫
লালমনিরহাট নেছারিয়া কামিল মাদ্রাসার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা রফিকুল ইসলাম এবং সাবেক ইস্তফা প্রদানকারী অধ্যক্ষ মোসলেম উদ্দিনসহ যোগসাজস  করে বর্তমান সভাপতি কে পাস কাটিয়ে সম্পূর্ণ বেআইনি এবং অবৈধভাবে একটি এডহক কমিটি গঠন করার পায়তারা করতেছে।
এ বিষয়ে বর্তমান কমিটির সভাপতি দুলাল হক কে ফোন দিলে তিনি বলেন আরবি বিশ্ববিদ্যালয় ও অধিদপ্তর থেকে আমাকে সভাপতি মনোনয়ন দিয়েছেন আমি বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কে মিটিং আহ্বান করার জন্য নোটিশ প্রদান করি কিন্তু তারা কোন জবাব না দিয়ে কমিটি ভেঙ্গে দেওয়ার পাঁয়তারা করতেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শিক্ষক বলেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম আমাদেরকে সভাপতির বিষয়ে কিছুই বলেন নাই উনাকে জিজ্ঞাসা করা হলে উনি বলে এখনো সভাপতি হয় নাই আমরা দুই মাস থেকে বেতন পাচ্ছি না সভাপতি জন্য অথচ এখন শুনলাম সভাপতি আছে
অন্যদিকে শিক্ষক ও অভিভাবকরা বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে এই দ্বন্দ্বে মাদরাসার শিক্ষা পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দ্রুত প্রশাসনিক নিষ্পত্তি প্রয়োজন।”
নথি অনুযায়ী, বর্তমানে মামলাটি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন এবং মাওলানা মোসলেম উদ্দিনের পুনর্বহাল প্রক্রিয়া কার্যত স্থগিত রয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আদালতের চূড়ান্ত রায় না আসা পর্যন্ত তার কোনো পদক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়।
সব মিলিয়ে, নেছারিয়া কামিল মাদরাসায় এই অধ্যক্ষ পদ-সংক্রান্ত বিরোধ এখন স্থানীয় সমাজে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।