ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

ময়মনসিংহের সকল অপকর্মের হোতা শংকর এখনো আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে

প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১০:৫০:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ৮৯ বার পঠিত
Print News
মারুফ হোসেন : শংকরকে কেনো গ্রেফতার করা হচ্ছে না! জনমনে প্রশ্ন সাথে সাথে সন্দেহ বিরাজ করছে। তা হলে কি ৫ আগষ্ট ছাত্র জনতা আন্দোলনের শহীদদের রক্ত বৃথা যাবে  ময়মনসিংহে। শংকরের ব্যাবসা কি?  কার নামে ট্রেড লাইসেন্স। যে কারণে তাকে চেম্বার অফ কমার্সের সিনিয়র সহসভাপতি করা হয়েছিলো।অনেক বড় বড় ব্যাবসায়ীদের ভ্যাট,  ট্যাক্স কর দাতাদের রেখে যখন যে দল ক্ষমতায় তখনই তাদের দালালী করে হিন্দু ধর্মীয় মন্দির কমিটি গুলোতে কেনো শিক্ষিত  ধর্মপ্রান মানুষদের আসতে দেয়া হয়নি। সূত্রমতে জানা যায়, এই শংকর নারী মদ সাপ্লাই  থেকে শুরু করে  নদী দখল, ফ্লাট বানিজ্য, চাঁদাবাজি, এমনকি হিন্দু পরিবারের জায়গায় ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বিতাড়িত করা, নির্যাতন করা, হুন্ডি- মানে অবৈধভাবে টাকা পাচারের ভারতে সবকিছুই চালিয়ছে এই শহরের মাফিয়া সিন্ডিকেটের এই নিয়ন্ত্রক শংকর। চাটুকার প্রতারক দূর্নীতিবাজ লুটতরাজ দালাল শংকরকে বাজারের ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে টোকাইও ভয় পেতো। তার ভয়ে অর্থ  সম্পদও ফেলে চলে গিয়েছে অনেকেই ভারতে।
এই সব কুকর্মের জন্য উপহার স্বরূপ অশিক্ষিত নিম্নবর্নের শংকর সাওকে বড় বড় ধর্মীয় মন্দির কমিটি গুলোতে কর্তাব্যক্তি হিসেবে নিজেকে জাহির করতে সহযোগিতা করা হতো।  আর মন্দির কমিটি প্রধান সেজে হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে আওয়ামী লীগের পার্টির অফিস বানিয়ে ফেলেছিলো। আর এটাই তার কৌশল। মন্দির কমিটিকে পুঁজি করে হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা, হুন্ডি পাচার সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে যা তাকে আইনের আওতায় এনে রিমান্ডে নিলে বেরিয়ে  আসবে, এমন কি দিল্লির এজেন্ডা বাস্তবায়নে তার সাথে আরো কয়েকজন রয়েছে বলে জানা যায়।
এসকল অনিয়ম বা ওদের অপরাধের বিরুদ্ধে  কথা বলে শংকর তার বিশাল বাহিনীকে ব্যাবহার করে হুমকি ধামকি এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি মানহানি করারও অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়া তার শেষ লক্ষ্য বাংলাদেশের হিন্দু সম্পওি তথা মন্দির গুলোতে দোকান করে, বিশেষ করে ময়মনসিংহ দূর্গাবাড়ী মন্দির কে টার্গেট করে , ময়মনসিংহ মহাশ্মশানকে টার্গেট  করে জায়গা বেহাত ও দূর্গা মন্দিরে বহুতল ভবন নির্মাণ করে ফ্লাট বাণিজ্য, দোকান বাণিজ্য করে টাকা পাচার করেছে ভারতে। ভারতে রয়েছে এদের একেকজনের নামে রাজ প্রসাদ, বিশেষ করে ফালা কাটা,উড়িষা,জলপাই গুঁড়ি, সিলিগুড়ি, বারাসাত, দমদম সহ কোলকাতা বাইপাসেও রয়েছে এদের সেকেন্ড হোম।
তাই হিন্দু সম্প্রদায় তথা ময়মনসিংহের বাসীর জন্য এক ভয়ংকর অভিশাপের এর নাম শংকর। ছাত্র জনতার আন্দোলনে ৫ আগষ্টের হত্যাকান্ডের সাথে শংকর ও তার বস শামীম জড়িত ছিল। স্বৈরাচার সরকারের মাফিয়াদের  করেছিলো তথ্য ও অর্থ আদান প্রদান।এই শংকর তৎকালীন ও এখনো বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে লবিং চালিয়ে যাচ্ছে ময়মনসিংহ শহর হতে লুটপাট করা কালো টাকা দিয়ে । আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর একে ধরে আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞোসাবাদ করলে সব বেড়িয়ে আসবে। বেরিয়ে আসবে ৫ আগষ্ট ছাত্র জনতা হত্যা ছাড়াও অতীতে আরো হত্যা কান্ড যা তখন ধামাচাপা দেয়া হয়েছিলো। ময়মনসিংহ সাধারণ জনগণ মনে করেন এদের বিরুদ্ধে এখনি আইনি ব্যাবস্থা নিলে মানুষের আইনের প্রতি আত্মবিশ্বাস ফিরে আসবে।নিশ্চিত হবে মানুষের নিরাপত্তা, অন্য দিকে যদি এরা ছাড় পেয়ে যায় তাহলে ৫ আগষ্ট শহীদের রক্ত বৃথাই পরিগনিত হবে।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

ময়মনসিংহের সকল অপকর্মের হোতা শংকর এখনো আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১০:৫০:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫
Print News
মারুফ হোসেন : শংকরকে কেনো গ্রেফতার করা হচ্ছে না! জনমনে প্রশ্ন সাথে সাথে সন্দেহ বিরাজ করছে। তা হলে কি ৫ আগষ্ট ছাত্র জনতা আন্দোলনের শহীদদের রক্ত বৃথা যাবে  ময়মনসিংহে। শংকরের ব্যাবসা কি?  কার নামে ট্রেড লাইসেন্স। যে কারণে তাকে চেম্বার অফ কমার্সের সিনিয়র সহসভাপতি করা হয়েছিলো।অনেক বড় বড় ব্যাবসায়ীদের ভ্যাট,  ট্যাক্স কর দাতাদের রেখে যখন যে দল ক্ষমতায় তখনই তাদের দালালী করে হিন্দু ধর্মীয় মন্দির কমিটি গুলোতে কেনো শিক্ষিত  ধর্মপ্রান মানুষদের আসতে দেয়া হয়নি। সূত্রমতে জানা যায়, এই শংকর নারী মদ সাপ্লাই  থেকে শুরু করে  নদী দখল, ফ্লাট বানিজ্য, চাঁদাবাজি, এমনকি হিন্দু পরিবারের জায়গায় ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বিতাড়িত করা, নির্যাতন করা, হুন্ডি- মানে অবৈধভাবে টাকা পাচারের ভারতে সবকিছুই চালিয়ছে এই শহরের মাফিয়া সিন্ডিকেটের এই নিয়ন্ত্রক শংকর। চাটুকার প্রতারক দূর্নীতিবাজ লুটতরাজ দালাল শংকরকে বাজারের ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে টোকাইও ভয় পেতো। তার ভয়ে অর্থ  সম্পদও ফেলে চলে গিয়েছে অনেকেই ভারতে।
এই সব কুকর্মের জন্য উপহার স্বরূপ অশিক্ষিত নিম্নবর্নের শংকর সাওকে বড় বড় ধর্মীয় মন্দির কমিটি গুলোতে কর্তাব্যক্তি হিসেবে নিজেকে জাহির করতে সহযোগিতা করা হতো।  আর মন্দির কমিটি প্রধান সেজে হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে আওয়ামী লীগের পার্টির অফিস বানিয়ে ফেলেছিলো। আর এটাই তার কৌশল। মন্দির কমিটিকে পুঁজি করে হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা, হুন্ডি পাচার সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে যা তাকে আইনের আওতায় এনে রিমান্ডে নিলে বেরিয়ে  আসবে, এমন কি দিল্লির এজেন্ডা বাস্তবায়নে তার সাথে আরো কয়েকজন রয়েছে বলে জানা যায়।
এসকল অনিয়ম বা ওদের অপরাধের বিরুদ্ধে  কথা বলে শংকর তার বিশাল বাহিনীকে ব্যাবহার করে হুমকি ধামকি এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি মানহানি করারও অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়া তার শেষ লক্ষ্য বাংলাদেশের হিন্দু সম্পওি তথা মন্দির গুলোতে দোকান করে, বিশেষ করে ময়মনসিংহ দূর্গাবাড়ী মন্দির কে টার্গেট করে , ময়মনসিংহ মহাশ্মশানকে টার্গেট  করে জায়গা বেহাত ও দূর্গা মন্দিরে বহুতল ভবন নির্মাণ করে ফ্লাট বাণিজ্য, দোকান বাণিজ্য করে টাকা পাচার করেছে ভারতে। ভারতে রয়েছে এদের একেকজনের নামে রাজ প্রসাদ, বিশেষ করে ফালা কাটা,উড়িষা,জলপাই গুঁড়ি, সিলিগুড়ি, বারাসাত, দমদম সহ কোলকাতা বাইপাসেও রয়েছে এদের সেকেন্ড হোম।
তাই হিন্দু সম্প্রদায় তথা ময়মনসিংহের বাসীর জন্য এক ভয়ংকর অভিশাপের এর নাম শংকর। ছাত্র জনতার আন্দোলনে ৫ আগষ্টের হত্যাকান্ডের সাথে শংকর ও তার বস শামীম জড়িত ছিল। স্বৈরাচার সরকারের মাফিয়াদের  করেছিলো তথ্য ও অর্থ আদান প্রদান।এই শংকর তৎকালীন ও এখনো বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে লবিং চালিয়ে যাচ্ছে ময়মনসিংহ শহর হতে লুটপাট করা কালো টাকা দিয়ে । আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর একে ধরে আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞোসাবাদ করলে সব বেড়িয়ে আসবে। বেরিয়ে আসবে ৫ আগষ্ট ছাত্র জনতা হত্যা ছাড়াও অতীতে আরো হত্যা কান্ড যা তখন ধামাচাপা দেয়া হয়েছিলো। ময়মনসিংহ সাধারণ জনগণ মনে করেন এদের বিরুদ্ধে এখনি আইনি ব্যাবস্থা নিলে মানুষের আইনের প্রতি আত্মবিশ্বাস ফিরে আসবে।নিশ্চিত হবে মানুষের নিরাপত্তা, অন্য দিকে যদি এরা ছাড় পেয়ে যায় তাহলে ৫ আগষ্ট শহীদের রক্ত বৃথাই পরিগনিত হবে।