ঢাকা, বাংলাদেশ। , বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কারের দীর্ঘদিনের দাবি তৃনমূল সাংবাদিকদের

প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:১৩:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ৮১ বার পঠিত
মারুফ হোসেন : ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের অরাজকতা বিশৃঙ্খলা দীর্ঘদিন ধরে চলছে। এর অন্যতম কারণ সমূহ  (১.) পেশাদার সাংবাদিকদের প্রেসক্লাবে বসার সুযোগ না দেয়ায় অন্যত্র বিভিন্ন জায়গায় বসে সংবাদ লিখতে হয় যেমন গাঙ্গিনাপাড়ের বিভিন্ন দোকান রাস্তাঘাট ইত্যাদি জায়গায় দাঁড়িয়ে সংবাদ লিখতে হয়।  (২.) প্রেসক্লাবের অধিকাংশ সদস্য সরকারি চাকরিজীবী, আইনজীবী ও রাজনৈতিক দলের সক্রিয় সদস্য বা ব্যবসায়ী এবং অসাংবাদিক। বিভিন্ন শ্রেণীর লোকজন প্রেসক্লাবের সদস্যপদ দখল করে রেখেছে ।   (৩.)  প্রেসক্লাব টি সরকারি জমির উপর ( লিজকৃত)  প্রতিষ্ঠিত মার্কেট   থেকে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা আয় হয়।(  ৪.) ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সদস্যরা প্রেসক্লাবের ক্যান্টিন থেকে ১০ টাকার বিনিময়ে বিরানি, ২ টাকায়  কাকলেট ও এক টাকায় চা খেয়ে থাকে ও তারা তাদের আত্মীয়-স্বজন বিভিন্ম সুযোগ সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকে ।  বাহিরের  পেশাদার  সাংবাদিকরা এ থেকে বঞ্চিত। (৫.) জেলা প্রশাসক প্রেসক্লাবের সভাপতির পদ নির্ধারিত। জেলা প্রশাসকের নাম ভেঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি, প্রভাব খাটানো ইত্যাদি এক ক্লাবের সদস্যরা করে থাকে। (৬.) এ ক্লাবের আয় থেকে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা সদস্য  পরিবাররা পেয়ে থাকে। যা অন্য সাংবাদিকরা বঞ্চিত। (৭.) প্রেস ইনস্টিটিউট ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান
 থেকে সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। সেখানে এ ক্লাবের বয়স্ক সাংবাদিকরা বারবার অংশ নিয়ে থাকে। তারা মাঠে কাজ করতে অক্ষম। (৯.) এ ক্লাবের অধিকাংশ সদস্য  সাংবাদিকতার পাশাপাশি স্কুল কলেজ, মাদরাসা (আলিয়া)   সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছে তাদের নামের তালিকা করা। যা  নীতিমালা পরিপন্থী। তাদের তালিকা করে বহিস্কার করা । (৯.) এ ক্লাবের ১৫/২০ জন সদস্য অঢেল সম্পদের মালিক তাদের জবাদিহি নিশ্চিত করা। (১০.) এ ক্লাবের সদস্যদের মাঝে যারা মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় দিয়ে থাকে তাদের কেউ ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা চিহ্নিত বহিষ্কার করা। ইতিপূর্বে ক্লাব কর্তৃক যাদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ  অভিযোগ (মামলা) রয়েছে তা দ্রুত নিষ্পত্তি করে বিচারের মুখোমুখি করা। (১১.) বর্তমান সদস্যদের দাখিলকৃত সার্টিফিকেট যাচাই করা। (১২) ক্লাবের সদস্যদের মাঝে রাজনৈতিক দলের সাথে সক্রিয় জড়িত / সমর্থন করে এমন সদস্যদের তালিকা প্রকাশ বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহন। (১৩.) এ ক্লাবের সদস্যরা সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে বিগত ১৭ বসর যাবত চিকিৎসা ও সাধারণ সহায়তা বাবদ কত টাকা উত্তোলন করেছে তাদের নামের তালিকা প্রকাশ করা। (১৪.) এ ক্লাবের অধিকাংশ  সদস্যদের টাকায় কেনা একাধিক গাড়ি সড়কে চলাচল করে থাকে।এমনকি একাধিক গাড়ী উপঢৌকন হিসাবেও নিয়েছে। এরা আওয়ামী পন্থী সিন্ডিকেট হওয়ায় উপমন্ত্রী শরিফ আহমেদ সরকার পতনের কদিন আগেও একটি দামী হায়েছ মাইক্রোবাস দেয়।  বহুমুখী সমবায় সমিতির নামে জমিক্রয় একাধিক নামে- বেনামের তথ্য প্রকাশ করা। টাউন ব্যাংক নামে ডিসি অফিসের গেইট  সংলগ্ন সমবায়ের  ভবন দখল করে ভাড়া দিয়ে রেখেছে তার তালিকা প্রকাশ ইত্যাদি।এমতাবস্হায় ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কারের দাবীতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে তৃনমূল সাংবাদিকবৃন্দ।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কারের দীর্ঘদিনের দাবি তৃনমূল সাংবাদিকদের

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:১৩:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫
মারুফ হোসেন : ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের অরাজকতা বিশৃঙ্খলা দীর্ঘদিন ধরে চলছে। এর অন্যতম কারণ সমূহ  (১.) পেশাদার সাংবাদিকদের প্রেসক্লাবে বসার সুযোগ না দেয়ায় অন্যত্র বিভিন্ন জায়গায় বসে সংবাদ লিখতে হয় যেমন গাঙ্গিনাপাড়ের বিভিন্ন দোকান রাস্তাঘাট ইত্যাদি জায়গায় দাঁড়িয়ে সংবাদ লিখতে হয়।  (২.) প্রেসক্লাবের অধিকাংশ সদস্য সরকারি চাকরিজীবী, আইনজীবী ও রাজনৈতিক দলের সক্রিয় সদস্য বা ব্যবসায়ী এবং অসাংবাদিক। বিভিন্ন শ্রেণীর লোকজন প্রেসক্লাবের সদস্যপদ দখল করে রেখেছে ।   (৩.)  প্রেসক্লাব টি সরকারি জমির উপর ( লিজকৃত)  প্রতিষ্ঠিত মার্কেট   থেকে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা আয় হয়।(  ৪.) ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সদস্যরা প্রেসক্লাবের ক্যান্টিন থেকে ১০ টাকার বিনিময়ে বিরানি, ২ টাকায়  কাকলেট ও এক টাকায় চা খেয়ে থাকে ও তারা তাদের আত্মীয়-স্বজন বিভিন্ম সুযোগ সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকে ।  বাহিরের  পেশাদার  সাংবাদিকরা এ থেকে বঞ্চিত। (৫.) জেলা প্রশাসক প্রেসক্লাবের সভাপতির পদ নির্ধারিত। জেলা প্রশাসকের নাম ভেঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি, প্রভাব খাটানো ইত্যাদি এক ক্লাবের সদস্যরা করে থাকে। (৬.) এ ক্লাবের আয় থেকে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা সদস্য  পরিবাররা পেয়ে থাকে। যা অন্য সাংবাদিকরা বঞ্চিত। (৭.) প্রেস ইনস্টিটিউট ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান
 থেকে সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। সেখানে এ ক্লাবের বয়স্ক সাংবাদিকরা বারবার অংশ নিয়ে থাকে। তারা মাঠে কাজ করতে অক্ষম। (৯.) এ ক্লাবের অধিকাংশ সদস্য  সাংবাদিকতার পাশাপাশি স্কুল কলেজ, মাদরাসা (আলিয়া)   সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছে তাদের নামের তালিকা করা। যা  নীতিমালা পরিপন্থী। তাদের তালিকা করে বহিস্কার করা । (৯.) এ ক্লাবের ১৫/২০ জন সদস্য অঢেল সম্পদের মালিক তাদের জবাদিহি নিশ্চিত করা। (১০.) এ ক্লাবের সদস্যদের মাঝে যারা মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় দিয়ে থাকে তাদের কেউ ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা চিহ্নিত বহিষ্কার করা। ইতিপূর্বে ক্লাব কর্তৃক যাদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ  অভিযোগ (মামলা) রয়েছে তা দ্রুত নিষ্পত্তি করে বিচারের মুখোমুখি করা। (১১.) বর্তমান সদস্যদের দাখিলকৃত সার্টিফিকেট যাচাই করা। (১২) ক্লাবের সদস্যদের মাঝে রাজনৈতিক দলের সাথে সক্রিয় জড়িত / সমর্থন করে এমন সদস্যদের তালিকা প্রকাশ বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহন। (১৩.) এ ক্লাবের সদস্যরা সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে বিগত ১৭ বসর যাবত চিকিৎসা ও সাধারণ সহায়তা বাবদ কত টাকা উত্তোলন করেছে তাদের নামের তালিকা প্রকাশ করা। (১৪.) এ ক্লাবের অধিকাংশ  সদস্যদের টাকায় কেনা একাধিক গাড়ি সড়কে চলাচল করে থাকে।এমনকি একাধিক গাড়ী উপঢৌকন হিসাবেও নিয়েছে। এরা আওয়ামী পন্থী সিন্ডিকেট হওয়ায় উপমন্ত্রী শরিফ আহমেদ সরকার পতনের কদিন আগেও একটি দামী হায়েছ মাইক্রোবাস দেয়।  বহুমুখী সমবায় সমিতির নামে জমিক্রয় একাধিক নামে- বেনামের তথ্য প্রকাশ করা। টাউন ব্যাংক নামে ডিসি অফিসের গেইট  সংলগ্ন সমবায়ের  ভবন দখল করে ভাড়া দিয়ে রেখেছে তার তালিকা প্রকাশ ইত্যাদি।এমতাবস্হায় ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কারের দাবীতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে তৃনমূল সাংবাদিকবৃন্দ।