ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে ডাকাতি

যুবক নিহতের ঘটনায় মামলায় গ্রেফতার তিন

শ.ম.গফুর, কক্সবাজার
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:৩০:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ১০১ বার পঠিত

 

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ার মালুমঘাটের হাঁসেরদীঘি এলাকায় রশি টেনে ফাঁদ তৈরি করে ডাকাতির ঘটনায় পুলিশ এ পর্যন্ত ৩জন’কে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে হুমায়ুন কবির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনায় জড়িত থাকার কথা সে স্বীকার করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন চকরিয়া থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার।

রবিবার সকালে চকরিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিট্রেট আদালতে হুমায়ুন কবির স্বীকারোক্তিমূলক এ জবানবন্দি দেয়। হুমায়ুন কবির বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ইয়াংছা বাজার এলাকার রেনু মিয়ার ছেলে। রোববার দুপুরে আসামি হুমায়ুন কবির আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দেয়ার পরপরই চকরিয়া থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ঘটনায় জড়িত অপরাপর ডাকাতদের ধরতে অভিযান শুরু করে। অভিযানের একপর্যায়ে পুলিশ লামার ইয়াংছা এলাকা থেকে ডাকাত ফরিদুল আলম ও হামিদ হোছাইন নামের ২ জন’কে আটক করে। এসময় ডাকাতদের ধাওয়া করার সময় পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন ওসি তৌহিদুল আনোয়ার।

প্রসঙ্গত: গত বৃহস্পতিবার (১৮সেপ্টেম্বর) রাতে মাহমুদুল হক সহ উখিয়ার ৩জন ও ঈদগাঁও উপজেলার একজনসহ ৪ বন্ধু মিলে দু’টি মোটরসাইকেল যোগে খাগড়াছড়ি জেলার ‘সাজেক’ পর্যটন কেন্দ্রে যাচ্ছিলেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মালুমঘাট রিংভং ঢালা এলাকায় পৌঁছলে একদল দূর্বৃত্ত রশি টেনে তাদের গাড়ি দু’টি গতিরোধ করে। এ সময় মোটরসাইকেল আরোহী ৪ জনকে কুপিয়ে জখম করে গাড়ি ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় নিহত হয় মাহমুদুল হক নামে উখিয়ার এক যুবক। সে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের গৌজুঘোনা এলাকার নবী হোসেনের ছেলে। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে নিহতের বাবা বাদী হয়ে ৩জনের নাম উল্লেখসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে চকরিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, মালুমঘাটে যুবক নিহতের ঘটনায় মামলা হওয়ার পর প্রথমে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে এজাহারভুক্ত আরোও ২জন আসামি গ্রেপ্তার করা হয়। বাকি আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে ডাকাতি

যুবক নিহতের ঘটনায় মামলায় গ্রেফতার তিন

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:৩০:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ার মালুমঘাটের হাঁসেরদীঘি এলাকায় রশি টেনে ফাঁদ তৈরি করে ডাকাতির ঘটনায় পুলিশ এ পর্যন্ত ৩জন’কে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে হুমায়ুন কবির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনায় জড়িত থাকার কথা সে স্বীকার করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন চকরিয়া থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার।

রবিবার সকালে চকরিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিট্রেট আদালতে হুমায়ুন কবির স্বীকারোক্তিমূলক এ জবানবন্দি দেয়। হুমায়ুন কবির বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ইয়াংছা বাজার এলাকার রেনু মিয়ার ছেলে। রোববার দুপুরে আসামি হুমায়ুন কবির আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দেয়ার পরপরই চকরিয়া থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ঘটনায় জড়িত অপরাপর ডাকাতদের ধরতে অভিযান শুরু করে। অভিযানের একপর্যায়ে পুলিশ লামার ইয়াংছা এলাকা থেকে ডাকাত ফরিদুল আলম ও হামিদ হোছাইন নামের ২ জন’কে আটক করে। এসময় ডাকাতদের ধাওয়া করার সময় পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন ওসি তৌহিদুল আনোয়ার।

প্রসঙ্গত: গত বৃহস্পতিবার (১৮সেপ্টেম্বর) রাতে মাহমুদুল হক সহ উখিয়ার ৩জন ও ঈদগাঁও উপজেলার একজনসহ ৪ বন্ধু মিলে দু’টি মোটরসাইকেল যোগে খাগড়াছড়ি জেলার ‘সাজেক’ পর্যটন কেন্দ্রে যাচ্ছিলেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মালুমঘাট রিংভং ঢালা এলাকায় পৌঁছলে একদল দূর্বৃত্ত রশি টেনে তাদের গাড়ি দু’টি গতিরোধ করে। এ সময় মোটরসাইকেল আরোহী ৪ জনকে কুপিয়ে জখম করে গাড়ি ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় নিহত হয় মাহমুদুল হক নামে উখিয়ার এক যুবক। সে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের গৌজুঘোনা এলাকার নবী হোসেনের ছেলে। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে নিহতের বাবা বাদী হয়ে ৩জনের নাম উল্লেখসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে চকরিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, মালুমঘাটে যুবক নিহতের ঘটনায় মামলা হওয়ার পর প্রথমে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে এজাহারভুক্ত আরোও ২জন আসামি গ্রেপ্তার করা হয়। বাকি আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।