ঢাকা, বাংলাদেশ। , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

রায়পুরে ডাকাতিয়া নদীর বাঁধ উচ্ছেদ করলো প্রশাসন

মাহবুব হোসেন রনি, রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধ
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:৫৮:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫
  • / ১২৭ বার পঠিত
দীর্ঘ নয় মাস পর লক্ষ্মীপুরের রায়পুর শহরের ডাকাতিয়া নদীর অবৈধ বাঁধ অবশেষে উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। বৃহস্পতিবার (২২ মে) দুপুরে ধানহাটা এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন রায়পুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিগার সুলতানা, পাউবোর উপ-সহকারী পরিচালক মোঃ মানজুর এলাহী, পুলিশ সদস্য ও স্থানীয় সাংবাদিকরা।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর স্থানীয় বিএনপি নেতা মোকসেদ উল্যাহ এবং তার অনুসারীরা নদীর বিভিন্ন অংশে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ শুরু করেন। এর আগে ২০০৯ সাল থেকে স্থানীয় আওয়ামী লীগের বেশ কিছু নেতাকর্মীও একইভাবে নদী দখলে নিয়ে মাছ চাষ করে আসছিলেন। ফলে কৃষিকাজে পানি সংকট দেখা দেয় এবং বর্ষায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।
বাঁধের কারণে রায়পুর পৌরসভার পীরবাড়ী এলাকা থেকে শুরু করে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের সংযোগ খালে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। কিছু এলাকায় নেট জাল দিয়েও পানির প্রবাহ আটকে দেওয়া হয়েছিল।
পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ ইজ জামান খান বলেন, “বাঁধের কারণে নদী ও খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে কৃষকদের সেচের পানি পাওয়া ব্যাহত হচ্ছিল এবং শহরে জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছিল। বর্ষা মৌসুম সামনে থাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।”
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিগার সুলতানা বলেন, “সরকারি খাল বা নদী দখল করে মাছ চাষ বা অন্য কিছু করার সুযোগ নেই। আজকে বাঁধ কেটে দেওয়া হয়েছে, ভবিষ্যতে কেউ এমন কাজ করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

রায়পুরে ডাকাতিয়া নদীর বাঁধ উচ্ছেদ করলো প্রশাসন

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:৫৮:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫
দীর্ঘ নয় মাস পর লক্ষ্মীপুরের রায়পুর শহরের ডাকাতিয়া নদীর অবৈধ বাঁধ অবশেষে উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। বৃহস্পতিবার (২২ মে) দুপুরে ধানহাটা এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন রায়পুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিগার সুলতানা, পাউবোর উপ-সহকারী পরিচালক মোঃ মানজুর এলাহী, পুলিশ সদস্য ও স্থানীয় সাংবাদিকরা।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর স্থানীয় বিএনপি নেতা মোকসেদ উল্যাহ এবং তার অনুসারীরা নদীর বিভিন্ন অংশে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ শুরু করেন। এর আগে ২০০৯ সাল থেকে স্থানীয় আওয়ামী লীগের বেশ কিছু নেতাকর্মীও একইভাবে নদী দখলে নিয়ে মাছ চাষ করে আসছিলেন। ফলে কৃষিকাজে পানি সংকট দেখা দেয় এবং বর্ষায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।
বাঁধের কারণে রায়পুর পৌরসভার পীরবাড়ী এলাকা থেকে শুরু করে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের সংযোগ খালে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। কিছু এলাকায় নেট জাল দিয়েও পানির প্রবাহ আটকে দেওয়া হয়েছিল।
পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ ইজ জামান খান বলেন, “বাঁধের কারণে নদী ও খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে কৃষকদের সেচের পানি পাওয়া ব্যাহত হচ্ছিল এবং শহরে জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছিল। বর্ষা মৌসুম সামনে থাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।”
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিগার সুলতানা বলেন, “সরকারি খাল বা নদী দখল করে মাছ চাষ বা অন্য কিছু করার সুযোগ নেই। আজকে বাঁধ কেটে দেওয়া হয়েছে, ভবিষ্যতে কেউ এমন কাজ করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”