ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

লামায় সেনা রিজিয়ন কাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা চুড়ান্ত ম্যাচ অনুষ্ঠিত

জাহিদ হাসান,বান্দরবান
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:১৫:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫
  • / ৯৮ বার পঠিত
আলীকদম জোনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে লামায় উৎসবমুখর পরিবেশে সেনা রিজিয়ন কাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা উপজেলা পর্যায়ের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত।লামা উপজেলায় সদর দপ্তর ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড, বান্দরবন রিজিয়নের ব্যবস্থাপনায় এবং আলীকদম জোনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সেনা রিজিয়ন কাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা ২০২৫ এর ফাইনাল খেলা সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার (২৪ আগস্ট) বিকেল ৩টায় লামা চাম্পাতলী ১২ আনসার ব্যাটালিয়নের প্রশিক্ষণ মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনালে খেলায় রুপনগর একাদশ বনাম লামা জুনিয়র একাদশ চুড়ান্ত ম্যাচে অংশ নেন। দুই দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলায়  রুপনগর একাদশ ৪-২ গোলে লামা জুনিয়র একাদশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।তিন সাপ্তাহ ধরে চলমান এই টুর্নামেন্টে লামা উপজেলার মোট ২৪টি দল অংশগ্রহণ করেন। ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেজর মোঃ মঞ্জুর মোর্শেদ, পিএসসি, জোন উপ-অধিনায়ক, আলীকদম জোন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্প কমান্ডার, গজালিয়া আর্মি ক্যাম্প, সার্কেল এ্যাডজুজেন্ট ১২ আনসার ব্যাটালিয়ন, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা লামা ও অফিসার ইন-চার্জ লামা এবং লামা উপজেলার বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যান, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ফুটবলপ্রেমী দর্শনার্থীরা।প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেজর মো: মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রত্যান্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে জাতীয় পর্যায়ে মানসম্পন্ন খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে তুলতে সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। এ অঞ্চলে সেনাবাহিনী শুধু শান্তি ও নিরাপত্তারক্ষী নয়; বরং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উন্নয়ন ও ক্রীড়া বিকাশেও অগ্রণী ভূমিকা রাখছে।তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের টুর্নামেন্ট এর মধ্যদিয়ে একদিন জাতীয় দলে লামা উপজেলার তরুণদেরকে জায়গা করে দেবে। তিনি আরও বলেন, খেলাধুলা সমাজে শৃঙ্খলা, ঐক্য ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করে। এটি তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখে এবং নেতৃত্ব, সহনশীলতা ও দলবদ্ধ চেতনা গড়ে তোলে, যা জাতি গঠনে অপরিহার্য।আয়োজকদের মতে, খেলাধুলার উৎকর্ষতার পাশাপাশি পাহাড়ি জনপদের সামাজিক বন্ধন, সম্প্রীতি ও ঐক্যের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। মাঠে ফুটবল প্রেমিক হাজার দর্শক খেলা উপভোগ করেন।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

লামায় সেনা রিজিয়ন কাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা চুড়ান্ত ম্যাচ অনুষ্ঠিত

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:১৫:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫
আলীকদম জোনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে লামায় উৎসবমুখর পরিবেশে সেনা রিজিয়ন কাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা উপজেলা পর্যায়ের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত।লামা উপজেলায় সদর দপ্তর ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড, বান্দরবন রিজিয়নের ব্যবস্থাপনায় এবং আলীকদম জোনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সেনা রিজিয়ন কাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা ২০২৫ এর ফাইনাল খেলা সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার (২৪ আগস্ট) বিকেল ৩টায় লামা চাম্পাতলী ১২ আনসার ব্যাটালিয়নের প্রশিক্ষণ মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনালে খেলায় রুপনগর একাদশ বনাম লামা জুনিয়র একাদশ চুড়ান্ত ম্যাচে অংশ নেন। দুই দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলায়  রুপনগর একাদশ ৪-২ গোলে লামা জুনিয়র একাদশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।তিন সাপ্তাহ ধরে চলমান এই টুর্নামেন্টে লামা উপজেলার মোট ২৪টি দল অংশগ্রহণ করেন। ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেজর মোঃ মঞ্জুর মোর্শেদ, পিএসসি, জোন উপ-অধিনায়ক, আলীকদম জোন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্প কমান্ডার, গজালিয়া আর্মি ক্যাম্প, সার্কেল এ্যাডজুজেন্ট ১২ আনসার ব্যাটালিয়ন, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা লামা ও অফিসার ইন-চার্জ লামা এবং লামা উপজেলার বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যান, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ফুটবলপ্রেমী দর্শনার্থীরা।প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেজর মো: মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রত্যান্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে জাতীয় পর্যায়ে মানসম্পন্ন খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে তুলতে সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। এ অঞ্চলে সেনাবাহিনী শুধু শান্তি ও নিরাপত্তারক্ষী নয়; বরং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উন্নয়ন ও ক্রীড়া বিকাশেও অগ্রণী ভূমিকা রাখছে।তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের টুর্নামেন্ট এর মধ্যদিয়ে একদিন জাতীয় দলে লামা উপজেলার তরুণদেরকে জায়গা করে দেবে। তিনি আরও বলেন, খেলাধুলা সমাজে শৃঙ্খলা, ঐক্য ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করে। এটি তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখে এবং নেতৃত্ব, সহনশীলতা ও দলবদ্ধ চেতনা গড়ে তোলে, যা জাতি গঠনে অপরিহার্য।আয়োজকদের মতে, খেলাধুলার উৎকর্ষতার পাশাপাশি পাহাড়ি জনপদের সামাজিক বন্ধন, সম্প্রীতি ও ঐক্যের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। মাঠে ফুটবল প্রেমিক হাজার দর্শক খেলা উপভোগ করেন।