তিনি কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের শাহপরীরদ্বীপ বাজারপাড়া এলাকার বাসিন্দা দানবীর মরহুম হাজী নবী হোসেন’র তৃতীয় সন্তান।তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের সাবেক সহকারী অধ্যাপকও। ড. হাবিবুর রহমান বর্তমানে কাতার আমিরের দিওয়ানের আন্তর্জাতিক ইতিহাস ও গবেষণা বিষয়ক উপদেষ্টা এবং নিউ হুরাইজেন সিএলসি বাংলাদেশ’র চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।কাতার থেকে পাঠানো এক সংক্ষিপ্ত বার্তায় তিনি বলেন,ইনশাআল্লাহ, আমি অল্প সময়ের মধ্যেই দেশে ফিরব। নির্বাচনী প্রত্যাশা ও ইস্তেহার ঘোষণার মাধ্যমে উখিয়া-টেকনাফের মানুষের উদ্দেশ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে আমার প্রার্থীতা ঘোষণা করব। এই জনপদকে মাদক ও অপরাধমুক্ত একটি সমাজে পরিণত করতে, জুলুম-নির্যাতন থেকে মুক্ত রাখতে আমি নিরন্তর কাজ করতে চাই।তিনি আরও যোগ করেন,
“আমি উখিয়া-টেকনাফের প্রতিটি ঘর-পরিবারের দোয়া চাই। আমার ইস্তেহার হবে স্পষ্ট ও বাস্তবভিত্তিক, মাদক নির্মূল, অপহরণ প্রতিরোধ, নিরাপদ শিক্ষাব্যবস্থা ও স্বাস্থ্যসেবাই প্রসার । মানুষ যেন নির্যাতন ও জুলুম থেকে মুক্তভাবে জীবনযাপন করতে পারে, সেটাই আমার প্রধান লক্ষ্য।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ড. হাবিবুর রহমান কাতারে অবস্থান করলেও উখিয়া-টেকনাফের সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। নাগরিক সমস্যা ও জনগণের প্রত্যাশা, তিনি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং দ্রুত সমাধানে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।সমর্থন ও দোয়া কামনা করে তিনি বলেন,আমি প্রত্যেক মানুষের দোয়া চাই; আপনারা সাহস ও সহযোগিতা দিন,আমি আপনাদের প্রতিটি সমস্যার সমাধান করতে প্রাণপণ চেষ্টা করব। বিশেষ করে মাদক চক্র ও অপহরণের মতো অমানবিক অপরাধ নির্মূলে প্রশাসন ও জনগণের মধ্যে সংহতি গড়ে তোলাই হবে আমার লক্ষ্য।স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রবাসী প্রার্থী হিসেবে ড. হাবিবুর রহমানের অভিজ্ঞতা ও আর্থিক সংযোগ নির্বাচনী পরিবেশে নতুন মাত্রা আনতে পারে। তবে মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি ও প্রার্থীতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরই এর পূর্ণ প্রভাব স্পষ্ট হবে।
রাজনৈতিক মহলের ধারণা করা হচ্ছে, তার এই ঘোষণা উখিয়া-টেকনাফের রাজনীতিতে নতুন ঘনত্ব ও মেরুকরণ তৈরি করেছে। সামাজিক নিরাপত্তা, জনসেবা ও অপরাধ দমন,এই তিনটি ইস্যু বর্তমানে জনমতের কেন্দ্রবিন্দুতে, যা ড. হাবিবুরের ইস্তেহারের মূল অঙ্গ হিসেবেই উঠে আসছে।শেষে তিনি অনুরোধ করেন,আমাকে দোয়া করুন, পাশে থাকুন। আমি আপনাদের কষ্ট ভাগ করে নেব এবং যে আস্থা আপনারা দেখাবেন, আমি সেই আস্থাকে সম্মান করে কাজ করব।
তিনি শীঘ্রই দেশে ফিরে নির্বাচনী কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সময়সূচি ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছেন।