ঢাকা, বাংলাদেশ। , শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
যুবককে আটকে রাখার অভিযোগ

শেরপুর থানার ডিউটি অফিসারকে ‘ম্যাডাম’ সম্বোধন

সাদিকুল ইসলাম, বগুড়া
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১০ বার পঠিত
সাদিকুল ইসলাম, বগুড়া:   বগুড়ার শেরপুর থানায় ডিউটি অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনরত এক নারী উপ-পরিদর্শককে (এসআই) ‘ম্যাডাম’ সম্বোধন করাকে কেন্দ্র করে এক যুবককে দেড় ঘণ্টা আটকে রাখার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে থানার ভেতরে এ ঘটনা ঘটে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী নূর মোহাম্মদ মামুনের অভিযোগ, ব্যক্তিগত প্রয়োজনে থানায় গিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই রোখসানা খাতুনকে ‘ম্যাডাম’ বলে সম্বোধন করলে তিনি অযৌক্তিকভাবে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালির পাশাপাশি কোনো লিখিত অভিযোগ বা আইনগত ভিত্তি ছাড়াই আটকে রাখা হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত হলে একটি মুচলেকা আদায় করে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
অভিযোগ রয়েছে, এসআই রোখসানা খাতুন গত ১৯ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে শেরপুর থানায় যোগদানের পর থেকেই সাধারণ সেবা প্রত্যাশীদের সঙ্গে তার আচরণ নিয়ে নানা মহলে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। একাধিক ভুক্তভোগী—রেজাউল করিম, আলী হাসান ও নাইম ইসলাম—দাবি করেন, থানায় সেবা নিতে গিয়ে তারা তার অসৌজন্যমূলক আচরণ ও অপমানজনক কথাবার্তার শিকার হয়েছেন।
এছাড়া ইমরান হোসেন নামের এক ব্যক্তি জানান, প্রায় পাঁচ মাস আগে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার আচরণ নিয়ে থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীনের কাছে মৌখিক অভিযোগ করেছিলেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থানার একাধিক সদস্যও স্বীকার করেছেন, এসআই রোখসানা খাতুনের আচরণ ও মেজাজজনিত কারণে সহকর্মীদের মধ্যেও অস্বস্তি বিরাজ করে এবং তার ডিউটির সময় কর্মপরিবেশ তুলনামূলকভাবে চাপপূর্ণ হয়ে ওঠে।
এ বিষয়ে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস.এম. মঈনুদ্দীন বলেন, এসআই রোখসানা খাতুনের বিরুদ্ধে এর আগেও কিছু মৌখিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
তবে অভিযুক্ত এসআই রোখসানা খাতুনের বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাকে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিমত, জনবান্ধব পুলিশিং প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ ধরনের আচরণ মারাত্মক প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে এবং তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

যুবককে আটকে রাখার অভিযোগ

শেরপুর থানার ডিউটি অফিসারকে ‘ম্যাডাম’ সম্বোধন

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
সাদিকুল ইসলাম, বগুড়া:   বগুড়ার শেরপুর থানায় ডিউটি অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনরত এক নারী উপ-পরিদর্শককে (এসআই) ‘ম্যাডাম’ সম্বোধন করাকে কেন্দ্র করে এক যুবককে দেড় ঘণ্টা আটকে রাখার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে থানার ভেতরে এ ঘটনা ঘটে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী নূর মোহাম্মদ মামুনের অভিযোগ, ব্যক্তিগত প্রয়োজনে থানায় গিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই রোখসানা খাতুনকে ‘ম্যাডাম’ বলে সম্বোধন করলে তিনি অযৌক্তিকভাবে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালির পাশাপাশি কোনো লিখিত অভিযোগ বা আইনগত ভিত্তি ছাড়াই আটকে রাখা হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত হলে একটি মুচলেকা আদায় করে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
অভিযোগ রয়েছে, এসআই রোখসানা খাতুন গত ১৯ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে শেরপুর থানায় যোগদানের পর থেকেই সাধারণ সেবা প্রত্যাশীদের সঙ্গে তার আচরণ নিয়ে নানা মহলে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। একাধিক ভুক্তভোগী—রেজাউল করিম, আলী হাসান ও নাইম ইসলাম—দাবি করেন, থানায় সেবা নিতে গিয়ে তারা তার অসৌজন্যমূলক আচরণ ও অপমানজনক কথাবার্তার শিকার হয়েছেন।
এছাড়া ইমরান হোসেন নামের এক ব্যক্তি জানান, প্রায় পাঁচ মাস আগে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার আচরণ নিয়ে থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীনের কাছে মৌখিক অভিযোগ করেছিলেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থানার একাধিক সদস্যও স্বীকার করেছেন, এসআই রোখসানা খাতুনের আচরণ ও মেজাজজনিত কারণে সহকর্মীদের মধ্যেও অস্বস্তি বিরাজ করে এবং তার ডিউটির সময় কর্মপরিবেশ তুলনামূলকভাবে চাপপূর্ণ হয়ে ওঠে।
এ বিষয়ে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস.এম. মঈনুদ্দীন বলেন, এসআই রোখসানা খাতুনের বিরুদ্ধে এর আগেও কিছু মৌখিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
তবে অভিযুক্ত এসআই রোখসানা খাতুনের বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাকে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিমত, জনবান্ধব পুলিশিং প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ ধরনের আচরণ মারাত্মক প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে এবং তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।