ঢাকা, বাংলাদেশ || মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

সড়ক নিরাপত্তায় আইনের কঠোর প্রয়োগ এখন সময়ের দাবি

শেখ রিফান আহমেদ : সড়ক দুর্ঘটনা আজ বাংলাদেশের অন্যতম বড় সামাজিক ও জনস্বাস্থ্য সমস্যা। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে চলা দুর্ঘটনায় বহু মানুষের প্রাণহানি এবং স্থায়ী পঙ্গুত্বের ঘটনা শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো জাতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি ডেকে আনে।
দুর্ঘটনার পেছনে রয়েছে নানা কারণ। অতিরিক্ত গতি, বেপরোয়া ওভারটেকিং, অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, ট্রাফিক আইন অমান্য এবং পথচারীদের অসচেতনতা—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।
সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন থাকলেও তার কার্যকর প্রয়োগে ঘাটতি রয়েছে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া উচিত নয়। একই সঙ্গে চালকদের মানসম্মত প্রশিক্ষণ, যানবাহনের নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষা এবং আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালু করতে হবে।
বিদ্যালয় পর্যায় থেকেই ট্রাফিক সচেতনতা শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। গণমাধ্যম ও সামাজিক সংগঠনগুলোকেও সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
একটি দুর্ঘটনা শুধু একজন মানুষের জীবন কেড়ে নেয় না; একটি পরিবারকে অর্থনৈতিক ও মানসিক সংকটে ফেলে দেয়। তাই নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা রাষ্ট্র, চালক, পথচারী এবং প্রতিটি নাগরিকের যৌথ দায়িত্ব।
আইনের কঠোর প্রয়োগ, জনসচেতনতা এবং দায়িত্বশীল আচরণের সমন্বয়েই নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা সম্ভব।

-লেখক : সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা

Share this news as a Photo Card

13 October 2026

রাণীশংকৈলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

বিস্তারিত লিংক কমেন্টে |
nagorikbhabna.com
nagorikbhabna

সড়ক নিরাপত্তায় আইনের কঠোর প্রয়োগ এখন সময়ের দাবি

সর্বশেষ পরিমার্জন : ১২:০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

শেখ রিফান আহমেদ : সড়ক দুর্ঘটনা আজ বাংলাদেশের অন্যতম বড় সামাজিক ও জনস্বাস্থ্য সমস্যা। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে চলা দুর্ঘটনায় বহু মানুষের প্রাণহানি এবং স্থায়ী পঙ্গুত্বের ঘটনা শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো জাতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি ডেকে আনে।
দুর্ঘটনার পেছনে রয়েছে নানা কারণ। অতিরিক্ত গতি, বেপরোয়া ওভারটেকিং, অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, ট্রাফিক আইন অমান্য এবং পথচারীদের অসচেতনতা—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।
সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন থাকলেও তার কার্যকর প্রয়োগে ঘাটতি রয়েছে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া উচিত নয়। একই সঙ্গে চালকদের মানসম্মত প্রশিক্ষণ, যানবাহনের নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষা এবং আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালু করতে হবে।
বিদ্যালয় পর্যায় থেকেই ট্রাফিক সচেতনতা শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। গণমাধ্যম ও সামাজিক সংগঠনগুলোকেও সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
একটি দুর্ঘটনা শুধু একজন মানুষের জীবন কেড়ে নেয় না; একটি পরিবারকে অর্থনৈতিক ও মানসিক সংকটে ফেলে দেয়। তাই নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা রাষ্ট্র, চালক, পথচারী এবং প্রতিটি নাগরিকের যৌথ দায়িত্ব।
আইনের কঠোর প্রয়োগ, জনসচেতনতা এবং দায়িত্বশীল আচরণের সমন্বয়েই নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা সম্ভব।

-লেখক : সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা

Share this news as a Photo Card