ঢাকা, বাংলাদেশ। , রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

সরকারি ব্রিজ থাকলেও দুই পাড়ে নেই কোন সংযোগ পথের দেখা 

রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী 
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:৩৭:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫
  • / ৬৩ বার পঠিত
রাজবাড়ীর সদর উপজেলার পাচুঁরিয়া ইউনিয়নের কেষ্টপুর এলাকার সংযোগ ও খানখানাপুর ইউনিয়নের মিয়া পাড়ার এলাকার সংযোগের ১০ বছর আগেরও একটি সেতুর সংযোগ পথ না থাকায় ব্রিজটি ব্যবহার করতে পারছে না দুই ইউনিয়নের বাসিন্দা।
শনিবার ২৬ জুলাই দুপুরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই ব্রিজ ব্যবহার করে ১০ গ্রামেরও বেশি মানুষ। তারা অসুস্থ হয়ে গেলে রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাতায়াত মুশকিল।ছাত্র ছাত্রীরা স্কুল কলেজে যাতায়াত সমস্যা। চাকরিজীবীদের দ্রুত অফিস আদালতে যাওয়া সমস্যা। নানা সমস্যায়সহ জর্জরিত এই  এলাকার মানুষ শুধু একটি ব্রিজের সংযোগ পথ না থাকার। কারণে।
খানখানাপুর ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা হারুনর রশীদ মিয়া জানান, দুই পারের জমি-জমা ঝামেলা সংক্রান্তে রাস্তা হচ্ছে না। ১০ বছরেরও বেশি ব্রিজ না ব্যবহার করে ব্রিজের নিচ দিয়ে হেঁটে আসতে হয়।
তিনি আরো জানান, গত ১০ বছর আগে এই এলাকায় মরা গাঙের উপর সরকারি ভাবে একটি ব্রিজ নির্মাণ হয়।   বর্তমান এলাকায় যে সরকারি  হালট রয়েছে। সেই হালটি আসাদ দেওয়ান দখল করে রেখেছে । ওপারের সরকারি হালটটি হেলাল ডাক্তার সহ অনেকের দখলে। বর্তমানে যে মাটির রাস্তা আছে মৃত সিদ্দিক মোল্লার মালিকানা জমির উপরে। সরকারিভাবে রাস্তা নির্মাণ করতে আসলে ব্রিজের দুই পাড়ের মানুষ যারা সরকারি জায়গা দখল করে আছে তারা নিজের জায়গা দাবি করে রাস্তা হতে বাধা প্রদান করে। যে কারণে ব্রিজের দুই পারের সংযোগ পথ ১০ বছর হয়ে গেলেও রাস্তা হলো না।
পাচুঁরিয়া ইউনিয়নের কেষ্টপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা কাঠ মিস্ত্রি আবুল হাসেম বলেন, রাস্তাটা নির্মাণ করতে হলে মাটি প্রয়োজন। সরকারি হালটের উপর মাটি উত্তোলন করতে আসলে দেওয়ানরা বাধা প্রদান করে। এবং খানখানাপুর সংযোগে যে সরকারি হালটি রয়েছে ওখান দিয়েও মাটি দেয় না আরো যারা দখল করে আছে। আমরা চাই সব সমস্যার অবসান হোক এবং দুই পারের সংযোগ পথ দ্রুত হোক।
এ বিষয়ে, রাজবাড়ী সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার  মারিয়া হক জানান, আমরা সরজমিন পরিদর্শন করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব। আমি পিআই ও সাহেব কে বলে দেব আগামী অর্থ বছরে এই রাস্তাটি যেন নির্মাণ করা হয়।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

সরকারি ব্রিজ থাকলেও দুই পাড়ে নেই কোন সংযোগ পথের দেখা 

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:৩৭:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫
রাজবাড়ীর সদর উপজেলার পাচুঁরিয়া ইউনিয়নের কেষ্টপুর এলাকার সংযোগ ও খানখানাপুর ইউনিয়নের মিয়া পাড়ার এলাকার সংযোগের ১০ বছর আগেরও একটি সেতুর সংযোগ পথ না থাকায় ব্রিজটি ব্যবহার করতে পারছে না দুই ইউনিয়নের বাসিন্দা।
শনিবার ২৬ জুলাই দুপুরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই ব্রিজ ব্যবহার করে ১০ গ্রামেরও বেশি মানুষ। তারা অসুস্থ হয়ে গেলে রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাতায়াত মুশকিল।ছাত্র ছাত্রীরা স্কুল কলেজে যাতায়াত সমস্যা। চাকরিজীবীদের দ্রুত অফিস আদালতে যাওয়া সমস্যা। নানা সমস্যায়সহ জর্জরিত এই  এলাকার মানুষ শুধু একটি ব্রিজের সংযোগ পথ না থাকার। কারণে।
খানখানাপুর ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা হারুনর রশীদ মিয়া জানান, দুই পারের জমি-জমা ঝামেলা সংক্রান্তে রাস্তা হচ্ছে না। ১০ বছরেরও বেশি ব্রিজ না ব্যবহার করে ব্রিজের নিচ দিয়ে হেঁটে আসতে হয়।
তিনি আরো জানান, গত ১০ বছর আগে এই এলাকায় মরা গাঙের উপর সরকারি ভাবে একটি ব্রিজ নির্মাণ হয়।   বর্তমান এলাকায় যে সরকারি  হালট রয়েছে। সেই হালটি আসাদ দেওয়ান দখল করে রেখেছে । ওপারের সরকারি হালটটি হেলাল ডাক্তার সহ অনেকের দখলে। বর্তমানে যে মাটির রাস্তা আছে মৃত সিদ্দিক মোল্লার মালিকানা জমির উপরে। সরকারিভাবে রাস্তা নির্মাণ করতে আসলে ব্রিজের দুই পাড়ের মানুষ যারা সরকারি জায়গা দখল করে আছে তারা নিজের জায়গা দাবি করে রাস্তা হতে বাধা প্রদান করে। যে কারণে ব্রিজের দুই পারের সংযোগ পথ ১০ বছর হয়ে গেলেও রাস্তা হলো না।
পাচুঁরিয়া ইউনিয়নের কেষ্টপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা কাঠ মিস্ত্রি আবুল হাসেম বলেন, রাস্তাটা নির্মাণ করতে হলে মাটি প্রয়োজন। সরকারি হালটের উপর মাটি উত্তোলন করতে আসলে দেওয়ানরা বাধা প্রদান করে। এবং খানখানাপুর সংযোগে যে সরকারি হালটি রয়েছে ওখান দিয়েও মাটি দেয় না আরো যারা দখল করে আছে। আমরা চাই সব সমস্যার অবসান হোক এবং দুই পারের সংযোগ পথ দ্রুত হোক।
এ বিষয়ে, রাজবাড়ী সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার  মারিয়া হক জানান, আমরা সরজমিন পরিদর্শন করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব। আমি পিআই ও সাহেব কে বলে দেব আগামী অর্থ বছরে এই রাস্তাটি যেন নির্মাণ করা হয়।