ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

সলঙ্গায় ফরিদ মেম্বারের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, এনসিপি কর্মীর সংবাদ সম্মেলন

প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৪৪:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • / ৮৫ বার পঠিত
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় এক ব্যবসায়ী ও তার স্ত্রীকে জিম্মি করে চাঁদা দাবি,মারধর এবং স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা লুট,সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও দিয়ে অপ্রপ্রচার করায় সলঙ্গার বহিস্কৃত নেতা ফরিদ মেম্বারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ভুক্তভোগী পরিবার।
শুক্রবার বেলা ১১ টায় সিরাজগঞ্জ রোড, হাটিকুমরুল প্রেসক্লাব এর হলরুমে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজন ও তার ছেলে এনসিপি কর্মী জুয়েল রানা নাফির লিখিত বক্তব্যে বলেন সলঙ্গার  বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এভারগ্রীন দই মিষ্টির মালিক  আমার  বাবা মোঃকামরুল ইসলাম কাঞ্চন আমার মায়ের মৃত্যুর পর  দ্বিতীয় বিবাহ করেন,গত মঙ্গলবার (১১ই মার্চ)রাতে জরুরী প্রয়োজনে তার  স্ত্রী মোছাঃফারজানা সিদ্দিকা সাথে দেখা করতে  সলঙ্গা গোজা এলাকায় তার শশুর  বাড়িতে  যান।সেখানে পৌঁছানোর পর আগে থেকেই ওৎ পেতে থাকা ডাকাত সর্দার ও চাঁদাবাজ বিএনপির বহিস্কৃত নেতা মোঃ ফরিদ মেম্বার তার বাহিনী নিয়ে ওই বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়।
​সন্ত্রাসীরা আমার বাবা ও তার স্ত্রীকে  একটি কক্ষে আটকে রেখে অবৈধ সম্পর্ক বলে,নগদ টাকা ও স্বর্নের চেইন ছিনিয়ে নেয়।
এবং বিভিন্ন মাধ্যমে মোটা অংকের  টাকা দাবি করতে থাকে।
তার বিবাহের বিষয়টি আমরা আগে থেকেই অবগত হওয়ায় আমরা টাকা দিতে অস্বীকার করলে।ফরিদ মেম্বার ও তার সহযোগিরা ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বাবাকে ও তার স্ত্রীকে  শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা করে সেই দৃশ্য মোবাইলে ফোনে ভিডিও ধারণ করে।
খবর পেয়ে সলঙ্গা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে তাদের উদ্ধার করে৷
এ বিষয়ে আমার বাবার ২য় স্ত্রী মোছাঃ ফারজানা সিদ্দিকা বাদি হয়ে সলঙ্গা থানায় একটি ছিনতাইয়ের অভিযোগ  করেন।
পরবর্তীতে সেই ভিডিওর আংশিক  সামাজিক  যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে বিভিন্ন মানহানিকর অপপ্রচার চালায়।
আমর বাবা আরেকটি মামলা করতে চাওয়ায়,সলঙ্গায় ব্যবসা করতে দিবে না মর্মে ফরিদ মেম্বার আমাদের সহ সবাইকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছে।
এমনকি তারা মামলাটি  তুলে নিতে প্রতিনিয়ত আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।”
এই  ফরিদ মেম্বার এলাকায় একজন চিহ্নিত অপরাধী।চুরি, ডাকাতি ও চাঁদাবাজিসহ তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা সহ অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। তার ভয়ে স্থানীয় সুশীল সমাজের কেউই  মুখ খুলতে সাহস পান না।
এই ঘটনায় আমাদের পরিবারে পক্ষ হতেও  ফরিদ মেম্বার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের  প্রক্রিয়া চলমান ।
আমি ও আমার পরিবার,আমার বাবাকে ও  আমাকে নিয়ে ফরিদ বাহিনীর   সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং বিভিন্ন অপকর্মের দায়ে বিএনপি থেকে  বহিষ্কার হওয়া এই  সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ফরিদ মেম্বার ও তার সহযোগিদের  দ্রুত গ্রেপ্তার ও  দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

সলঙ্গায় ফরিদ মেম্বারের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, এনসিপি কর্মীর সংবাদ সম্মেলন

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৪৪:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় এক ব্যবসায়ী ও তার স্ত্রীকে জিম্মি করে চাঁদা দাবি,মারধর এবং স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা লুট,সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও দিয়ে অপ্রপ্রচার করায় সলঙ্গার বহিস্কৃত নেতা ফরিদ মেম্বারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ভুক্তভোগী পরিবার।
শুক্রবার বেলা ১১ টায় সিরাজগঞ্জ রোড, হাটিকুমরুল প্রেসক্লাব এর হলরুমে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজন ও তার ছেলে এনসিপি কর্মী জুয়েল রানা নাফির লিখিত বক্তব্যে বলেন সলঙ্গার  বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এভারগ্রীন দই মিষ্টির মালিক  আমার  বাবা মোঃকামরুল ইসলাম কাঞ্চন আমার মায়ের মৃত্যুর পর  দ্বিতীয় বিবাহ করেন,গত মঙ্গলবার (১১ই মার্চ)রাতে জরুরী প্রয়োজনে তার  স্ত্রী মোছাঃফারজানা সিদ্দিকা সাথে দেখা করতে  সলঙ্গা গোজা এলাকায় তার শশুর  বাড়িতে  যান।সেখানে পৌঁছানোর পর আগে থেকেই ওৎ পেতে থাকা ডাকাত সর্দার ও চাঁদাবাজ বিএনপির বহিস্কৃত নেতা মোঃ ফরিদ মেম্বার তার বাহিনী নিয়ে ওই বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়।
​সন্ত্রাসীরা আমার বাবা ও তার স্ত্রীকে  একটি কক্ষে আটকে রেখে অবৈধ সম্পর্ক বলে,নগদ টাকা ও স্বর্নের চেইন ছিনিয়ে নেয়।
এবং বিভিন্ন মাধ্যমে মোটা অংকের  টাকা দাবি করতে থাকে।
তার বিবাহের বিষয়টি আমরা আগে থেকেই অবগত হওয়ায় আমরা টাকা দিতে অস্বীকার করলে।ফরিদ মেম্বার ও তার সহযোগিরা ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বাবাকে ও তার স্ত্রীকে  শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা করে সেই দৃশ্য মোবাইলে ফোনে ভিডিও ধারণ করে।
খবর পেয়ে সলঙ্গা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে তাদের উদ্ধার করে৷
এ বিষয়ে আমার বাবার ২য় স্ত্রী মোছাঃ ফারজানা সিদ্দিকা বাদি হয়ে সলঙ্গা থানায় একটি ছিনতাইয়ের অভিযোগ  করেন।
পরবর্তীতে সেই ভিডিওর আংশিক  সামাজিক  যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে বিভিন্ন মানহানিকর অপপ্রচার চালায়।
আমর বাবা আরেকটি মামলা করতে চাওয়ায়,সলঙ্গায় ব্যবসা করতে দিবে না মর্মে ফরিদ মেম্বার আমাদের সহ সবাইকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছে।
এমনকি তারা মামলাটি  তুলে নিতে প্রতিনিয়ত আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।”
এই  ফরিদ মেম্বার এলাকায় একজন চিহ্নিত অপরাধী।চুরি, ডাকাতি ও চাঁদাবাজিসহ তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা সহ অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। তার ভয়ে স্থানীয় সুশীল সমাজের কেউই  মুখ খুলতে সাহস পান না।
এই ঘটনায় আমাদের পরিবারে পক্ষ হতেও  ফরিদ মেম্বার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের  প্রক্রিয়া চলমান ।
আমি ও আমার পরিবার,আমার বাবাকে ও  আমাকে নিয়ে ফরিদ বাহিনীর   সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং বিভিন্ন অপকর্মের দায়ে বিএনপি থেকে  বহিষ্কার হওয়া এই  সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ফরিদ মেম্বার ও তার সহযোগিদের  দ্রুত গ্রেপ্তার ও  দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।