ঢাকা, বাংলাদেশ। , রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

সাম্প্রদায়িকতা ও মব জাস্টিসের বিরুদ্ধে জবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ

নাগরিক ভাবনা প্রতিবেদক: মাহফুজুর রহমান
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:৪৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫
  • / ৮৮ বার পঠিত

সারা দেশজুড়ে চলমান সাম্প্রদায়িক হামলা, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্ত চত্বরে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। “সাধারণ সনাতনী শিক্ষার্থীবৃন্দ”-এর ব্যানারে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশে সাম্প্রদায়িক হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বরং এটি একটি ধারাবাহিক পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে একটি গোষ্ঠী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ভয়ভীতি ও নিপীড়নের মাধ্যমে কোণঠাসা করতে চাইছে। এসব ঘটনার পেছনে প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি দায়ী বলেও বক্তারা অভিযোগ করেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, দেশে প্রতিনিয়ত ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর হামলা হচ্ছে, অথচ সরকার নির্লিপ্ত। জনগণের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ সরকার মৌলবাদীদের হাতকে শক্তিশালী করছে। ছাত্রসমাজ কখনোই এই অন্যায়ের পাশে দাঁড়াবে না।

জবি ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন বলেন, ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করার ভয়াবহ ফল আমরা বারবার দেখছি। রাষ্ট্র যদি সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা না করে, তবে একদিন এই আগুন সবার ঘরে পৌঁছাবে। এখনই রুখে দাঁড়াতে হবে।

হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাহফুজুর রহমান বিশাল বলেন, আমি কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ে নয়, একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে আজ এখানে দাঁড়িয়েছি। যারা মন্দির ভাঙে, যারা নিরীহ মানুষকে পিটিয়ে মারে, তারা কেবল সংখ্যালঘুদের শত্রু নয়—তারা মানবতারও শত্রু। ন্যায়বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা চুপ করে থাকব না।

সমাবেশের শেষাংশে বক্তারা দেশের সব সচেতন নাগরিক, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

সাম্প্রদায়িকতা ও মব জাস্টিসের বিরুদ্ধে জবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:৪৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫

সারা দেশজুড়ে চলমান সাম্প্রদায়িক হামলা, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্ত চত্বরে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। “সাধারণ সনাতনী শিক্ষার্থীবৃন্দ”-এর ব্যানারে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশে সাম্প্রদায়িক হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বরং এটি একটি ধারাবাহিক পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে একটি গোষ্ঠী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ভয়ভীতি ও নিপীড়নের মাধ্যমে কোণঠাসা করতে চাইছে। এসব ঘটনার পেছনে প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি দায়ী বলেও বক্তারা অভিযোগ করেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, দেশে প্রতিনিয়ত ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর হামলা হচ্ছে, অথচ সরকার নির্লিপ্ত। জনগণের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ সরকার মৌলবাদীদের হাতকে শক্তিশালী করছে। ছাত্রসমাজ কখনোই এই অন্যায়ের পাশে দাঁড়াবে না।

জবি ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন বলেন, ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করার ভয়াবহ ফল আমরা বারবার দেখছি। রাষ্ট্র যদি সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা না করে, তবে একদিন এই আগুন সবার ঘরে পৌঁছাবে। এখনই রুখে দাঁড়াতে হবে।

হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাহফুজুর রহমান বিশাল বলেন, আমি কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ে নয়, একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে আজ এখানে দাঁড়িয়েছি। যারা মন্দির ভাঙে, যারা নিরীহ মানুষকে পিটিয়ে মারে, তারা কেবল সংখ্যালঘুদের শত্রু নয়—তারা মানবতারও শত্রু। ন্যায়বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা চুপ করে থাকব না।

সমাবেশের শেষাংশে বক্তারা দেশের সব সচেতন নাগরিক, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।