ঢাকা, বাংলাদেশ , বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

সিরাজগঞ্জে জমি বিরোধে হত্যা! চারজনের যাবজ্জীবন

মোঃমনিরুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে জমিজমা নিয়ে শত্রুতার জেরে সংঘটিত তরিকুল ইসলাম হত্যা মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে; অনাদায়ে তাদের আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

​বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক লায়লা শারমিন দীর্ঘ ১৬ বছরের আইনি প্রক্রিয়া শেষে এই ঐতিহাসিক রায় দেন।

​দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, ​রায়গঞ্জ উপজেলার গ্রাম পাঙ্গাসী গ্রামের আব্দুল মান্নান ​একই গ্রামের হীরা মিয়া।

​সলঙ্গা থানার বোয়ালিয়ার চর এলাকার রফিকুল ইসলাম
​সলঙ্গা থানার বোয়ালিয়ার চর এলাকার আব্দুল মজিদ

এ মামলায়, বিচার চলাকালেই আসামি আব্দুল মজিদ মৃত্যুবরণ করেছেন।

​মামলার নথি ও রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) শামচুজ্জোহা শাহানশাহ্‌র বরাতে জানা যায়, ২০০৯ সালের ৩০ আগস্ট জমি সংক্রান্ত বিবাদের জেরে রায়গঞ্জের সাখাওয়াত হোসেনের ছেলে তরিকুল ইসলামের ওপর হামলা চালায় প্রতিপক্ষ। বর্বরোচিত এই হামলায় গুরুতর আহত তরিকুল ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।

​ঘটনার পর নিহত তরিকুলের ভাই আব্দুল মন্নাফ বাদী হয়ে রায়গঞ্জ থানায় ১৪ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১০ সালের ৬ জানুয়ারি তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেন।

​সুদীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় মোট ১৪ জন আসামির সাক্ষ্যগ্রহণ ও তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করা হয়। এতে চারজনের বিরুদ্ধে তরিকুলকে হত্যার অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন। অন্যদিকে, বাকি ১০ আসামির বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদের মামলা থেকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর বহুল আলোচিত এই হত্যা মামলার বিচারিক সমাপ্তি ঘটল।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
জনপ্রিয়

উদ্যোক্তা তৈরির পরিবেশই আরও শক্তিশালী করবে দেশের বাণিজ্য ও অর্থনীতি

৫০/এফ, ইনার সার্কুলার ভিআইপি রোড, নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০ | ফোন: ০৯৬৪৯২৩০২২০, ০১৯১৫৭০৮১৮৭, ই-মেইল: info.nagorikvabna@gmail.com

.nv-address-bar { background-color: #1565C0 !important; padding: 10px 20px !important; text-align: center !important; width: 100% !important; display: block !important; } .nv-address-bar p { color: #ffffff !important; font-size: 13px !important; margin: 0 !important; line-height: 1.6 !important; }
25 August 2026

বুড়িচং প্রেস ক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত সভাপতি খোরশেদ, সম্পাদক জহিরুল, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

সিরাজগঞ্জে জমি বিরোধে হত্যা! চারজনের যাবজ্জীবন

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৫:৪৭:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

মোঃমনিরুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে জমিজমা নিয়ে শত্রুতার জেরে সংঘটিত তরিকুল ইসলাম হত্যা মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে; অনাদায়ে তাদের আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

​বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক লায়লা শারমিন দীর্ঘ ১৬ বছরের আইনি প্রক্রিয়া শেষে এই ঐতিহাসিক রায় দেন।

​দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, ​রায়গঞ্জ উপজেলার গ্রাম পাঙ্গাসী গ্রামের আব্দুল মান্নান ​একই গ্রামের হীরা মিয়া।

​সলঙ্গা থানার বোয়ালিয়ার চর এলাকার রফিকুল ইসলাম
​সলঙ্গা থানার বোয়ালিয়ার চর এলাকার আব্দুল মজিদ

এ মামলায়, বিচার চলাকালেই আসামি আব্দুল মজিদ মৃত্যুবরণ করেছেন।

​মামলার নথি ও রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) শামচুজ্জোহা শাহানশাহ্‌র বরাতে জানা যায়, ২০০৯ সালের ৩০ আগস্ট জমি সংক্রান্ত বিবাদের জেরে রায়গঞ্জের সাখাওয়াত হোসেনের ছেলে তরিকুল ইসলামের ওপর হামলা চালায় প্রতিপক্ষ। বর্বরোচিত এই হামলায় গুরুতর আহত তরিকুল ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।

​ঘটনার পর নিহত তরিকুলের ভাই আব্দুল মন্নাফ বাদী হয়ে রায়গঞ্জ থানায় ১৪ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১০ সালের ৬ জানুয়ারি তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেন।

​সুদীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় মোট ১৪ জন আসামির সাক্ষ্যগ্রহণ ও তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করা হয়। এতে চারজনের বিরুদ্ধে তরিকুলকে হত্যার অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন। অন্যদিকে, বাকি ১০ আসামির বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদের মামলা থেকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর বহুল আলোচিত এই হত্যা মামলার বিচারিক সমাপ্তি ঘটল।

Share this news as a Photo Card