ঢাকা, বাংলাদেশ , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

সিরাজগঞ্জে যুবদল নেতা সুজন হত্যায় স্ত্রীসহ ২ জনের যাবজ্জীবন

মোঃ মাসুদ রেজা,সিরাজগঞ্জ:

সিরাজগঞ্জে আলোচিত যুবদল নেতা সেলিম রেজা সুজন হত্যা মামলায় স্ত্রী উম্মে সালমা তিথিসহ দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার অপর দুই আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর সোয়া ১টার দিকে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক শায়লা শারমিন এ আদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- নিহত সেলিম রেজা সুজনের স্ত্রী উম্মে সালমা তিথি ও তার পরকীয়া প্রেমিক শাহজাদপুর উপজেলার দরগাপাড়া গ্রামের বেলাল ফকিরের ছেলে মনিরুল ইসলাম।

রায় ঘোষণা সময় আসামি মনিরুল আদালতে উপস্থিত থাকলেও তিথি পলাতক রয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- শাহজাদপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র নজরুল ইসলামের ছেলে রাশেদুল ইসলাম ও তিথির ভাই পিয়াস হোসেন।

আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট শামসুজ্জোহা শাহেনশাহ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে এজলাসের সামনে ও পরে আদালত প্রাঙ্গণে এসে বিক্ষোভ করেন সুজনের স্বজনরা। এ সময় বিক্ষুব্ধরা রায়ের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

নিহত সুজনের ছোট ভাই আরিফুর রহমান বলেন, আমার ভাইকে গলাকেটে হত্যা করা হলেও সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়নি। এছাড়াও অপর দুই আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। এ রায় আমরা মানি না।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে ১ জুন সন্ধ্যায় যুবদল নেতা সেলিম রেজা সুজনকে নিজের শোবার ঘরে ঘুমন্ত অবস্থায় গলাকেটে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় সুজনের মা মাজেদা বেগম বাদী হয়ে তিথি ও পিয়াসের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত পরিচয় আরও কয়েকজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনার পর উম্মে সালমা তিথি, শ্যালক পিয়াসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরবর্তীতে মনিরুল ও রাশেদুলকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

উম্মে সালমা তিথি ও মনিরুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। নিজেদের পরকীয়া প্রেমকে স্বার্থক করতেই ঘুমন্ত সুজনকে চাপাতি দিয়ে গলাকেটে হত্যা করা হয় বলে তারা স্বীকারোক্তি দেন।

মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আজ এ রায় ঘোষণা করেন।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
জনপ্রিয়

সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার সড়কে অটোরিকশার বেপরোয়া গতি, আতঙ্কে যাত্রী-পথচারী

৫০/এফ, ইনার সার্কুলার ভিআইপি রোড, নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০ | ফোন: ০৯৬৪৯২৩০২২০, ০১৯১৫৭০৮১৮৭, ই-মেইল: info.nagorikvabna@gmail.com

.nv-address-bar { background-color: #1565C0 !important; padding: 10px 20px !important; text-align: center !important; width: 100% !important; display: block !important; } .nv-address-bar p { color: #ffffff !important; font-size: 13px !important; margin: 0 !important; line-height: 1.6 !important; }
25 August 2026

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি সাধারণ জনগণেরও সচেতন হওয়া উচিত, নজরুল ইসলাম মঞ্জু

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

সিরাজগঞ্জে যুবদল নেতা সুজন হত্যায় স্ত্রীসহ ২ জনের যাবজ্জীবন

সর্বশেষ পরিমার্জন : ১২:০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

মোঃ মাসুদ রেজা,সিরাজগঞ্জ:

সিরাজগঞ্জে আলোচিত যুবদল নেতা সেলিম রেজা সুজন হত্যা মামলায় স্ত্রী উম্মে সালমা তিথিসহ দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার অপর দুই আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর সোয়া ১টার দিকে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক শায়লা শারমিন এ আদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- নিহত সেলিম রেজা সুজনের স্ত্রী উম্মে সালমা তিথি ও তার পরকীয়া প্রেমিক শাহজাদপুর উপজেলার দরগাপাড়া গ্রামের বেলাল ফকিরের ছেলে মনিরুল ইসলাম।

রায় ঘোষণা সময় আসামি মনিরুল আদালতে উপস্থিত থাকলেও তিথি পলাতক রয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- শাহজাদপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র নজরুল ইসলামের ছেলে রাশেদুল ইসলাম ও তিথির ভাই পিয়াস হোসেন।

আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট শামসুজ্জোহা শাহেনশাহ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে এজলাসের সামনে ও পরে আদালত প্রাঙ্গণে এসে বিক্ষোভ করেন সুজনের স্বজনরা। এ সময় বিক্ষুব্ধরা রায়ের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

নিহত সুজনের ছোট ভাই আরিফুর রহমান বলেন, আমার ভাইকে গলাকেটে হত্যা করা হলেও সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়নি। এছাড়াও অপর দুই আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। এ রায় আমরা মানি না।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে ১ জুন সন্ধ্যায় যুবদল নেতা সেলিম রেজা সুজনকে নিজের শোবার ঘরে ঘুমন্ত অবস্থায় গলাকেটে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় সুজনের মা মাজেদা বেগম বাদী হয়ে তিথি ও পিয়াসের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত পরিচয় আরও কয়েকজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনার পর উম্মে সালমা তিথি, শ্যালক পিয়াসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরবর্তীতে মনিরুল ও রাশেদুলকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

উম্মে সালমা তিথি ও মনিরুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। নিজেদের পরকীয়া প্রেমকে স্বার্থক করতেই ঘুমন্ত সুজনকে চাপাতি দিয়ে গলাকেটে হত্যা করা হয় বলে তারা স্বীকারোক্তি দেন।

মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আজ এ রায় ঘোষণা করেন।

Share this news as a Photo Card