ঢাকা, বাংলাদেশ। , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
৩৬ বছরের ভোগান্তির অবসান ১৬ পরিবারের

হাসনাতের উদ্যোগে বাঁশের সাঁকোর বদলে পাকা ব্রিজ

এম.জে.এ মামুন:
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৩৮:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৩১ বার পঠিত
দীর্ঘ ৩৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করতেন কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের দক্ষিণ পোনরা গ্রামের ১৬টি পরিবার। অবশেষে স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি ও ভোগান্তির অবসান ঘটিয়ে সেই বাঁশের সাঁকোর জায়গায় নির্মিত হচ্ছে একটি পাকা ব্রিজ।
দেবিদ্বারের কৃতিসন্তান, কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে “শাপলা কলী” প্রতীকের সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ—তার বিশেষ সুপারিশে সরকারি বরাদ্দে এ ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। ফলে আনন্দে উচ্ছ্বসিত স্থানীয় ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সরেজমিন পরিদর্শনে জানা যায়—দক্ষিণ পোনরা গ্রামের আব্দুল আজিজ বাড়ির ১৬টি পরিবার দীর্ঘদিন ধরে জোরপুল থেকে গৌরসারের সংযোগ খালের ওপর স্থাপিত একটি পুরনো বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করতেন। কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী, এমনকি ৭টি সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাও প্রতিদিন প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে ওই সাঁকো দিয়ে পারাপার হতো।
স্থানীয় এনসিপি যুবশক্তির নেতা আব্দুল কাদের ও মুজিবুর রহমান এর উদ্যোগে এবং হাসনাত আবদুল্লাহর সহযোগিতায় ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয়রা।
মোঃ মহসিন, খোরশেদ আলম, আনোয়ার গাজী, হারুনুর রশিদসহ স্থানীয়রা জানান—১৯৮৮-৮৯ সালে বসতি স্থাপনের পর থেকে প্রায় ৩৬ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বাঁশের সাঁকোর উপরই চলাচল করে আসছেন। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কাছে পাকা ব্রিজের দাবি জানালেও সমাধান মিলেনি। অবশেষে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর কাছে আবেদন জানালে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণের ফলেই আজ তারা স্থায়ী সমাধান পেয়েছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, “দীর্ঘদিনের কষ্টের অবসান হয়েছে। এখন পাকা ব্রিজের নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ায় আমাদের চলাচল হবে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময়।”
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

৩৬ বছরের ভোগান্তির অবসান ১৬ পরিবারের

হাসনাতের উদ্যোগে বাঁশের সাঁকোর বদলে পাকা ব্রিজ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৩৮:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
দীর্ঘ ৩৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করতেন কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের দক্ষিণ পোনরা গ্রামের ১৬টি পরিবার। অবশেষে স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি ও ভোগান্তির অবসান ঘটিয়ে সেই বাঁশের সাঁকোর জায়গায় নির্মিত হচ্ছে একটি পাকা ব্রিজ।
দেবিদ্বারের কৃতিসন্তান, কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে “শাপলা কলী” প্রতীকের সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ—তার বিশেষ সুপারিশে সরকারি বরাদ্দে এ ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। ফলে আনন্দে উচ্ছ্বসিত স্থানীয় ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সরেজমিন পরিদর্শনে জানা যায়—দক্ষিণ পোনরা গ্রামের আব্দুল আজিজ বাড়ির ১৬টি পরিবার দীর্ঘদিন ধরে জোরপুল থেকে গৌরসারের সংযোগ খালের ওপর স্থাপিত একটি পুরনো বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করতেন। কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী, এমনকি ৭টি সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাও প্রতিদিন প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে ওই সাঁকো দিয়ে পারাপার হতো।
স্থানীয় এনসিপি যুবশক্তির নেতা আব্দুল কাদের ও মুজিবুর রহমান এর উদ্যোগে এবং হাসনাত আবদুল্লাহর সহযোগিতায় ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয়রা।
মোঃ মহসিন, খোরশেদ আলম, আনোয়ার গাজী, হারুনুর রশিদসহ স্থানীয়রা জানান—১৯৮৮-৮৯ সালে বসতি স্থাপনের পর থেকে প্রায় ৩৬ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বাঁশের সাঁকোর উপরই চলাচল করে আসছেন। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কাছে পাকা ব্রিজের দাবি জানালেও সমাধান মিলেনি। অবশেষে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর কাছে আবেদন জানালে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণের ফলেই আজ তারা স্থায়ী সমাধান পেয়েছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, “দীর্ঘদিনের কষ্টের অবসান হয়েছে। এখন পাকা ব্রিজের নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ায় আমাদের চলাচল হবে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময়।”