ঢাকা, বাংলাদেশ। , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
উখিয়ায় আলোচিত কামাল মেম্বার হত্যা

৮ আসামীর আত্মসমর্পণ,কারাগারে প্রেরণ 

শ.ম.গফুর,কক্সবাজার
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:০১:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৬৮ বার পঠিত
শ.ম.গফুর,কক্সবাজার: কক্সবাজারের ​ উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের চাঞ্চল্যকর ইউপি সদস্য কামাল হোসেন হত্যা মামলার আসামিদের জামিন আবেদনের মাধ্যমে আত্মসমর্পন। নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (১৪ জানুয়ারী) কক্সবাজারের বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আবদুর রহিম শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন।​আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার এজাহারভুক্ত ৮ আসামি আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিনের আবেদন করেন।শুনানি শেষে বিজ্ঞ বিচারক তা নাকচ করে দেন এবং আসামীদের সরাসরি কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।​মামলার বাদী এবং নিহতের ভাই সাহাব উদ্দিন আদালতের এই আদেশে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।তিনি বলেন, ‘আমার ভাইকে অত্যন্ত নৃশংসভাবে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় আছি। আদালত আসামিদের জামিন না দিয়ে জেলে পাঠানোর যে আদেশ দিয়েছেন, তাতে আমরা আইনের শাসনের প্রতি আরও শ্রদ্ধাশীল হয়েছি। আমরা চাই এই খুনিদের যেন সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হয়।
​উল্লেখ্য, উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কামাল হোসেনের লাশ গত বছরের ৮ জুলাই জালিয়া পালংয়ের মনখালী তাঁর বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয়, এর আগেরদিন রাতে তিনি ফার্মেসিতে ঔষুধের জন্য গেলে রাত ১১ টার পর থেকে তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়, পরেরদিন বেলা ১১ টার দিকে তাঁর লাশ ডোবা থেকে পুলিশ উদ্ধার করেন।
এ ঘটনায় নিহত কামালের ভাই সাহাব উদ্দিন বাদী হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে ও ৬ জনকে অজ্ঞাত রেখে উখিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।এজাহারভুক্ত ওই ৮ জন আসামীরা হলো, আবদুর রহিম, তোফাইল আহমদ, জুহুর আহমদ চৌধুরী, শরিফুল হক সাগর, জহির আহমদ, নুরুল বশর, মোহাম্মদ রিদোয়ান ও শরিফুল হক নাহিদ।অভিযুক্তরা সবাই মনখালী এলাকার বাসিন্দা।এর আগে আসামিরা হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নিয়ে এতদিন প্রকাশ্যে চলাফেরা করলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।নিহত কামালের পরিবারের আরও দুই সদস্য অতীতে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন।নিহতের কামালের পরিবার সহ স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের মূল হোতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কার্যকর হবে।জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ছিলেন নিহত কামাল , তাঁর বাবা ছিদ্দিক আহমদও একই ওয়ার্ডে জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেছেন।কামাল মেম্বারের হত্যাকান্ডের ঘটনায় সারাদেশে নিন্দা-প্রতিবাদের ঝড় উঠে। জানাযায় অংশ নেন হাজারো মানুষ। তিনি উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেনে দায়িত্বে ছিলেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

উখিয়ায় আলোচিত কামাল মেম্বার হত্যা

৮ আসামীর আত্মসমর্পণ,কারাগারে প্রেরণ 

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:০১:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
শ.ম.গফুর,কক্সবাজার: কক্সবাজারের ​ উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের চাঞ্চল্যকর ইউপি সদস্য কামাল হোসেন হত্যা মামলার আসামিদের জামিন আবেদনের মাধ্যমে আত্মসমর্পন। নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (১৪ জানুয়ারী) কক্সবাজারের বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আবদুর রহিম শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন।​আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার এজাহারভুক্ত ৮ আসামি আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিনের আবেদন করেন।শুনানি শেষে বিজ্ঞ বিচারক তা নাকচ করে দেন এবং আসামীদের সরাসরি কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।​মামলার বাদী এবং নিহতের ভাই সাহাব উদ্দিন আদালতের এই আদেশে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।তিনি বলেন, ‘আমার ভাইকে অত্যন্ত নৃশংসভাবে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় আছি। আদালত আসামিদের জামিন না দিয়ে জেলে পাঠানোর যে আদেশ দিয়েছেন, তাতে আমরা আইনের শাসনের প্রতি আরও শ্রদ্ধাশীল হয়েছি। আমরা চাই এই খুনিদের যেন সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হয়।
​উল্লেখ্য, উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কামাল হোসেনের লাশ গত বছরের ৮ জুলাই জালিয়া পালংয়ের মনখালী তাঁর বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয়, এর আগেরদিন রাতে তিনি ফার্মেসিতে ঔষুধের জন্য গেলে রাত ১১ টার পর থেকে তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়, পরেরদিন বেলা ১১ টার দিকে তাঁর লাশ ডোবা থেকে পুলিশ উদ্ধার করেন।
এ ঘটনায় নিহত কামালের ভাই সাহাব উদ্দিন বাদী হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে ও ৬ জনকে অজ্ঞাত রেখে উখিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।এজাহারভুক্ত ওই ৮ জন আসামীরা হলো, আবদুর রহিম, তোফাইল আহমদ, জুহুর আহমদ চৌধুরী, শরিফুল হক সাগর, জহির আহমদ, নুরুল বশর, মোহাম্মদ রিদোয়ান ও শরিফুল হক নাহিদ।অভিযুক্তরা সবাই মনখালী এলাকার বাসিন্দা।এর আগে আসামিরা হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নিয়ে এতদিন প্রকাশ্যে চলাফেরা করলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।নিহত কামালের পরিবারের আরও দুই সদস্য অতীতে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন।নিহতের কামালের পরিবার সহ স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের মূল হোতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কার্যকর হবে।জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ছিলেন নিহত কামাল , তাঁর বাবা ছিদ্দিক আহমদও একই ওয়ার্ডে জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেছেন।কামাল মেম্বারের হত্যাকান্ডের ঘটনায় সারাদেশে নিন্দা-প্রতিবাদের ঝড় উঠে। জানাযায় অংশ নেন হাজারো মানুষ। তিনি উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেনে দায়িত্বে ছিলেন।