ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার

দুই মাস বন্ধ থাকার পর ট্রাকে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:৪৯:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১২৯ বার পঠিত

প্রায় দুই মাস বন্ধ থাকার পর আজ থেকে আবার ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপণ্য বিক্রি শুরু করবে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। তবে এবার ঢাকা মহানগরীতে টিসিবি কোনো ট্রাক থাকছে না। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলায় ট্রাকে ভোজ্যতেল, চিনি ও মসুর ডাল—এই তিনটি পণ্য বিক্রি করবে সংস্থাটি।

দেশের বিভিন্ন জেলায় দৈনিক ৬১টি ট্রাকে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে নিত্যপণ্য বিক্রির বিষয়টি  শুক্রবার জানিয়েছে টিসিবি। এতে বলা হয়, ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত (শুক্রবার ছাড়া) ১৪ দিন এই কার্যকর চলবে। প্রতিটি ট্রাক থেকে প্রতিদিন ৫০০ মানুষের কাছে সাশ্রয়ী মূল্যে ভোজ্যতেল, চিনি ও মসুর ডাল বিক্রি করবে।

টিসিবি জানায়, স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী পরিবারের মধ্যে ভর্তুকি মূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তার পাশাপাশি সিলেট মহানগরীতে ৪টি, নারায়ণগঞ্জ মহানগরীতে ৬টি, রংপুর মহানগরীতে ৫টি, লক্ষ্মীপুর জেলায় ৬টি, মৌলভীবাজার জেলার ৪টি, কুষ্টিয়া জেলায় ৫টি, চট্টগ্রাম জেলায় ১৩টি, জামালপুর জেলায় ১২টি, নরসিংদী জেলায় ৩টি এবং ভোলা জেলায় ৩টি করে মোট দৈনিক ৬১ ট্রাকে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে আজ থেকে চলতি মাসের শেষ দিন পর্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রি করা হবে।

অর্থনৈতিকভাবে চাপে থাকা স্বল্প আয়ের মানুষদের কিছুটা স্বস্তি দিতে সরকার ভর্তুকি মূল্যে ট্রাকে পণ্য বিক্রি করে থাকে। তবে চাহিদা সত্ত্বেও গত ১৩ সেপ্টেম্বর ট্রাক সেল বন্ধ করে দেয় টিসিবি। তারপর আর ট্রাকে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি করেনি সংস্থাটি।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, শহরাঞ্চলে সামাজিক সুরক্ষার তেমন কোনো কর্মসূচি নেই। তাই উচ্চ মূল্যস্ফীতির এই সময়ে কম আয়ের মানুষদের স্বস্তি দিতে টিসিবির ট্রাক সেল অব্যাহত রাখা উচিত। যদিও নিয়মিত ট্রাক সেল না করার পেছনে বাজেটের সীমাবদ্ধতা এবং ব্যাপক ভর্তুকির কথা বলেন সরকারি কর্মকর্তারা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

দুই মাস বন্ধ থাকার পর ট্রাকে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু আজ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:৪৯:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

প্রায় দুই মাস বন্ধ থাকার পর আজ থেকে আবার ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপণ্য বিক্রি শুরু করবে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। তবে এবার ঢাকা মহানগরীতে টিসিবি কোনো ট্রাক থাকছে না। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলায় ট্রাকে ভোজ্যতেল, চিনি ও মসুর ডাল—এই তিনটি পণ্য বিক্রি করবে সংস্থাটি।

দেশের বিভিন্ন জেলায় দৈনিক ৬১টি ট্রাকে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে নিত্যপণ্য বিক্রির বিষয়টি  শুক্রবার জানিয়েছে টিসিবি। এতে বলা হয়, ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত (শুক্রবার ছাড়া) ১৪ দিন এই কার্যকর চলবে। প্রতিটি ট্রাক থেকে প্রতিদিন ৫০০ মানুষের কাছে সাশ্রয়ী মূল্যে ভোজ্যতেল, চিনি ও মসুর ডাল বিক্রি করবে।

টিসিবি জানায়, স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী পরিবারের মধ্যে ভর্তুকি মূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তার পাশাপাশি সিলেট মহানগরীতে ৪টি, নারায়ণগঞ্জ মহানগরীতে ৬টি, রংপুর মহানগরীতে ৫টি, লক্ষ্মীপুর জেলায় ৬টি, মৌলভীবাজার জেলার ৪টি, কুষ্টিয়া জেলায় ৫টি, চট্টগ্রাম জেলায় ১৩টি, জামালপুর জেলায় ১২টি, নরসিংদী জেলায় ৩টি এবং ভোলা জেলায় ৩টি করে মোট দৈনিক ৬১ ট্রাকে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে আজ থেকে চলতি মাসের শেষ দিন পর্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রি করা হবে।

অর্থনৈতিকভাবে চাপে থাকা স্বল্প আয়ের মানুষদের কিছুটা স্বস্তি দিতে সরকার ভর্তুকি মূল্যে ট্রাকে পণ্য বিক্রি করে থাকে। তবে চাহিদা সত্ত্বেও গত ১৩ সেপ্টেম্বর ট্রাক সেল বন্ধ করে দেয় টিসিবি। তারপর আর ট্রাকে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি করেনি সংস্থাটি।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, শহরাঞ্চলে সামাজিক সুরক্ষার তেমন কোনো কর্মসূচি নেই। তাই উচ্চ মূল্যস্ফীতির এই সময়ে কম আয়ের মানুষদের স্বস্তি দিতে টিসিবির ট্রাক সেল অব্যাহত রাখা উচিত। যদিও নিয়মিত ট্রাক সেল না করার পেছনে বাজেটের সীমাবদ্ধতা এবং ব্যাপক ভর্তুকির কথা বলেন সরকারি কর্মকর্তারা।