ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার
শীতে কাঁপছে দেশ 

কষ্টে কাতর অসহায় মানুষ! 

বিপ্লব সাহা খুলনা ব্যুরো:
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:০৫:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১৪০ বার পঠিত
ভোররাত থেকে ঘন কুয়াশা হিম শীতল বাতাসের তীব্র দাপটে জেঁকে বসেছে শীত।
দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে জনজীবন রীতিমতো বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে তার মধ্যে বেশি সমস্যায় পড়েছে খোলা ছাদের নিচে রেলস্টেশন ফুটপাতে থাকা অসহায় মানুষেরা কোন রকম খড়কুটো আগুন জ্বালিয়ে গুটিসুটি মেরে উত্তাপ নিচ্ছে শরীরে একই সাথে হঠাৎ তাপমাত্রা কমে শীতে দাপটে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ ভোর থেকে আজ বেলা একটা পর্যন্ত সূর্য ওঠেনি ঘন কুয়াশা আবৃত করে রেখেছে খুলনা শহর। এদিকে দেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞকর্তারা শীতের পূর্বাভাসে দুঃসংবাদ দিয়ে বলেছেন, “বর্তমানে দেশের সাতটি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে যা অব্যাহত থাকবে চলতি সপ্তাহ জুড়ে।”
এসব জেলার মধ্যে রয়েছে চুয়াডাঙ্গা, যশোর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও নীলফামারী। গতকাল শুক্রবার চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে সর্বশেষ আজ শনিবার  খুলনা বিভাগের সকালে যশোরে সর্বনিম্ন ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, হালকা থেকে ঘন কুয়াশার প্রকোপ আরও অন্তত পাঁচ দিন অব্যাহত থাকবে।
ফলে নৌ, সড়ক ও বিমান চলাচল সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। একই সঙ্গে জানুয়ারির শুরু থেকে শীতের তীব্রতা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিনে বলা হয়েছে, ২৬ ডিসেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত মধ্যরাত থেকে সারা দেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। কোনো কোনো এলাকায় এই কুয়াশা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। পাশাপাশি সাত জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্যপ্রবাহ কিছু এলাকায় অব্যাহত থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে।
আবহাওয়াবিদ জানিয়েছেন  কুয়াশার এই প্রবণতা আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে এবং জানুয়ারির শুরুতে শীতের তীব্রতা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, দেশের অভ্যন্তরের জলাধার, বিল ও হাওর থেকে উৎপন্ন কুয়াশা, বিকিরণজনিত কুয়াশা, পাহাড়ি এলাকায় সৃষ্ট কুয়াশা এবং ভারতের উত্তর–পশ্চিম দিক থেকে বায়ুতাড়িত কুয়াশা প্রবেশ করায় সামগ্রিকভাবে কুয়াশার ঘনত্ব বেড়েছে। এই কুয়াশা মধ্যরাত থেকে দুপুর পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলে অবস্থান করায় সূর্যের আলো বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, ফলে দিন গড়িয়ে সন্ধ্যা নাগাদ ঠান্ডার অনুভূতিও আরও তীব্র হয়ে উঠবে।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

শীতে কাঁপছে দেশ 

কষ্টে কাতর অসহায় মানুষ! 

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:০৫:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
ভোররাত থেকে ঘন কুয়াশা হিম শীতল বাতাসের তীব্র দাপটে জেঁকে বসেছে শীত।
দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে জনজীবন রীতিমতো বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে তার মধ্যে বেশি সমস্যায় পড়েছে খোলা ছাদের নিচে রেলস্টেশন ফুটপাতে থাকা অসহায় মানুষেরা কোন রকম খড়কুটো আগুন জ্বালিয়ে গুটিসুটি মেরে উত্তাপ নিচ্ছে শরীরে একই সাথে হঠাৎ তাপমাত্রা কমে শীতে দাপটে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ ভোর থেকে আজ বেলা একটা পর্যন্ত সূর্য ওঠেনি ঘন কুয়াশা আবৃত করে রেখেছে খুলনা শহর। এদিকে দেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞকর্তারা শীতের পূর্বাভাসে দুঃসংবাদ দিয়ে বলেছেন, “বর্তমানে দেশের সাতটি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে যা অব্যাহত থাকবে চলতি সপ্তাহ জুড়ে।”
এসব জেলার মধ্যে রয়েছে চুয়াডাঙ্গা, যশোর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও নীলফামারী। গতকাল শুক্রবার চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে সর্বশেষ আজ শনিবার  খুলনা বিভাগের সকালে যশোরে সর্বনিম্ন ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, হালকা থেকে ঘন কুয়াশার প্রকোপ আরও অন্তত পাঁচ দিন অব্যাহত থাকবে।
ফলে নৌ, সড়ক ও বিমান চলাচল সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। একই সঙ্গে জানুয়ারির শুরু থেকে শীতের তীব্রতা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিনে বলা হয়েছে, ২৬ ডিসেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত মধ্যরাত থেকে সারা দেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। কোনো কোনো এলাকায় এই কুয়াশা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। পাশাপাশি সাত জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্যপ্রবাহ কিছু এলাকায় অব্যাহত থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে।
আবহাওয়াবিদ জানিয়েছেন  কুয়াশার এই প্রবণতা আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে এবং জানুয়ারির শুরুতে শীতের তীব্রতা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, দেশের অভ্যন্তরের জলাধার, বিল ও হাওর থেকে উৎপন্ন কুয়াশা, বিকিরণজনিত কুয়াশা, পাহাড়ি এলাকায় সৃষ্ট কুয়াশা এবং ভারতের উত্তর–পশ্চিম দিক থেকে বায়ুতাড়িত কুয়াশা প্রবেশ করায় সামগ্রিকভাবে কুয়াশার ঘনত্ব বেড়েছে। এই কুয়াশা মধ্যরাত থেকে দুপুর পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলে অবস্থান করায় সূর্যের আলো বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, ফলে দিন গড়িয়ে সন্ধ্যা নাগাদ ঠান্ডার অনুভূতিও আরও তীব্র হয়ে উঠবে।