ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
তাজা খবর
অসুস্থ হনুমান চিকিৎসা নেওয়ার জন্য নিজেই হাসপাতালে হাজির মেধার স্বাক্ষরে দেশসেরা মনিরামপুরের সুরাইয়া ও অরিত্র ব্যারিস্টার জাইমা বার কাউন্সিল পরীক্ষায় পাস করেছেন মঠবাড়িয়ায় ৩০ আঙুল নিয়ে নবজাতকের জন্ম, নেই জিহ্বাও ক্রিসেন্ট জুট মিল ৩০ বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নিল মাহবুব গ্রুপ ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী

জবি শিক্ষার্থীদের ঈদ ভাবনা

প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:৪৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • / ৮৬ বার পঠিত

জবি শিক্ষার্থীদের ঈদ ভাবনা নিয়ে দৈনিক নাগরিক ভাবনার বিশেষ সংখ্যাটি সাজিয়েছেন পলি আক্তার ও পত্রটি সম্পাদনা করেছেন অমৃত রায়

ঈদ মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। এই দিনটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ আনন্দের। তারা নতুন পোশাক পরে, সুস্বাদু খাবার খায় এবং পরিবার ও বন্ধুদের সাথে আনন্দময় সময় কাটায়। ঈদের ছুটিতে অনেক শিক্ষার্থী আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে বেড়াতে যায়। এই উৎসব আমাদেরকে ভালোবাসা, সম্প্রীতি ও ভাগাভাগি করার শিক্ষা দেয়। তাই শিক্ষার্থীদের কাছে ঈদ আনন্দ ও সুখের একটি বিশেষ উপলক্ষ।

পলি আক্তার সংগীত বিভাগ ১৯ তম আবর্তন

রোজার এক মাস আমাদের ধৈর্য, সংযম ও সহমর্মিতার মূল্য শেখায়। এই দীর্ঘ সাধনার পর আসে ঈদ, যা আনন্দের পাশাপাশি মানবিকতার বার্তাও বয়ে আনে। ঈদের প্রকৃত অর্থ তখনই পূর্ণতা পায়, যখন সেই আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া যায়। সমাজের অনেক পথশিশু ও সুবিধাবঞ্চিত শিশু আছে, যাদের কাছে এই উৎসবের আনন্দ অনেক সময় অধরাই থেকে যায়। একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমাদের সামান্য সহযোগিতাও তাদের জীবনে এনে দিতে পারে খুশির একটুখানি আলো। এমন এক ঈদের প্রত্যাশা, যেখানে কোনো শিশুর মুখে অভাবের ছাপ থাকবে না এবং প্রতিটি হাসিতে ফুটে উঠবে উৎসবের সত্যিকারের আনন্দ।

সাব্বির শাওন সংগীত বিভাগ ১৯ তম আবর্তন

ঈদের প্রকৃত আনন্দ কেবল নতুন পোশাকে নয়, বরং ত্যাগের মহিমায় সবার সাথে খুশি ভাগ করে নেওয়ার মাঝে নিহিত। একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমাদের ভাবনা, উৎসবের এই দিনে যেন কোনো পথশিশু ক্ষুধার্ত বা পোশাক ছাড়া না থাকে। আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের পাশে দাঁড়িয়ে মলিন মুখে হাসি ফোটানোই হোক এবারের ঈদের সার্থকতা। সমাজের এই সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে বৈষম্যহীন ঈদ পালনই আমাদের অঙ্গীকার। উৎসবের রঙ ছড়িয়ে পড়ুক রাজপথের প্রতিটি কোণায়, প্রতিটি শিশুর হাসিতে।

আল সানজিদা সৃষ্টি সংগীত বিভাগ ১৯ তম আবর্তন

দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার শেষে ঈদ আসে আনন্দের বার্তা নিয়ে। সিয়াম যেমন আমাদের ত্যাগ তিতিক্ষার শিক্ষা দেয় তেমনি ঈদ এই আনন্দকে সকলের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমে সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের শিক্ষা দেয়। আমরা ঈদের এই আনন্দঘন মূহুর্তে পাড়া-প্রতিবেশী, আত্নীয়-স্বজন সকালের খোঁজ খবর নিব এবং সেই সাথে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিব।

এম শাহিন ১৯ তম আবর্তন বাংলা বিভাগ।

ঈদ শুধু নতুন পোশাক বা মজার খাবারের আনন্দ নয়, এটি মানুষের হৃদয়ে ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। এই দিনে ধনী-গরিব সবাই একসাথে আনন্দ ভাগ করে নেয়। ঈদের নামাজের মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করার মধ্য দিয়ে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়। তাই ঈদ আমাদের সমাজে শান্তি, সহানুভূতি ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে আসে।

জান্নাতুন নাহার আফরিন ১৯ তম আবর্তন মার্কেটিং বিভাগ

ঈদের দিনটা শুরু হয় এক অদ্ভুত ভালো লাগা নিয়ে। সকালে উঠে ফ্রেশ হয়ে নতুন জামা পরা, আব্বু আর ভাইয়া নামাজ থেকে ফিরলে সবার সঙ্গে কোলাকুলি করা। আম্মুর হাতের সেমাই, খিচুড়ি…. তারপর একে একে সবার কাছ থেকে সালামি নেওয়া, আর কাজিনরা সবাই একসাথে হয়ে সারাদিন গল্প, হাসি আর দুষ্টুমি। এই ছোট ছোট সুন্দর মুহূর্ত, এই দিনটা যেন শৈশবের মিষ্টি স্মৃতিগুলোকে আবার একটু ছুঁয়ে দেখার সুযোগ। ঈদ আসলে শুধু একটি উৎসব নয়, এটা পরিবারের ভালোবাসায় ভরা অপূর্ব অনুভূতি!

ফারিয়া সাকিন রোজা ১৯ তম আবর্তন সংগীত বিভাগ

“ঈদ” শব্দটা দুটি অক্ষর নিয়ে গঠিত হলেও এই শব্দটির মাঝে আছে সমগ্ৰ মুসলিম উম্মাহর আনন্দ,খুশি,ভাতৃত্বের অটুট বন্ধন। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম তার বিখ্যাত গান “ও মোর রমজানের ঐ রোজার শেষে” গানে লিখেছিলেন “তুই ভুলে যা তোর দোস্ত দুশমন, হাত মেলা হাতে, তোর প্রেম দিয়ে কর বিশ্ব নিখিল ইসলামে মুরিদ”.. ঈদের দিনে দোস্ত দুশমন ভুলে সবার সাথে কোলাকুলি করে ঈদ মোবারক বলাটা এই মুসলিম বিশ্বে ঈদের একটি অনিন্দ্য সৌন্দর্য। ঈদুল ফিতর শুধু যে আনন্দ তা নয়। প্রতিটি অসহায় মানুষকে যাকাত, ফেতরার মাধ্যমে সাহায্য‌ করা ও অসহায় মানুষের হক আদায় করা ঈদুল ফিতরের উত্তম শিক্ষা। ফিকহ শাস্ত্র মতে “যার কাছে প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ আছে তার উপর ফিতরা ওয়াজিব” আমাদের ছোটবেলার ঈদগুলোতে ছিলো অনেক অনেক সুন্দর ও মধুর স্মৃতি। বিশেষ করে ঈদকার্ড কেনা। সেই কার্ডগুলোতে সুন্দর করে নাম লিখে বন্ধু, ভাই বোন, সহপাঠী, শিক্ষক, প্রিয় মানুষদের উপহার হিসেবে দেওয়া। ইন্টারনেটের গ্ৰাফিক্স ঈদ মোবারক এর যুগে এসে আমরা আর বাহারি রকমের ঈদকার্ড খুঁজতে ঈদকার্ড এর দোকানে যাইনা। তবে এই ঈদকার্ড আমাদের বিচিত্র সুস্থ্য সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই ব্যস্ত পৃথিবীতে একটু সময় বের করে হলেও সেই ঈদকার্ড এর সুন্দর ও মধুর সংস্কৃতিটাকে কখনো বিলুপ্ত হতে না দেই। এই সুস্থ্য সংস্কৃতি আমাদের ধরে রাখা উচিত,ছড়িয়ে দেওয়া উচিত আমাদের ছোট ছোট ভাই-বোন, ভাগ্নে-ভাস্তে নতুন প্রজন্মের মাঝে। ছোটবেলার সেই ঈদকার্ড এর ঈদ এর আনন্দ আবারো ফিরে আসুক আমাদের মাঝে ঈদ হোক আনন্দের ঈদ হোক প্রিয়জনের কাছে ফিরে আসবার এই ঈদুল ফিতরের আনন্দ ও শিক্ষা ছড়িয়ে পড়ুক এই যুদ্ধবিগ্ৰহময় বিশ্বের প্রতিটি কোনার প্রতিটি দেশে ।

ইশতিয়াক মাহমুদ নাসিফ ১৯ তম আবর্তন সংগীত বিভাগ

ঈদ আমার কাছে সবচেয়ে আনন্দের একটা অনুষ্ঠান। আমার কাছে ঈদ মানে হলো বাড়ি ফেরা। নিজের এলাকায় যাওয়া,আমার পরিবার,আত্মীয়-স্বজন,কাছের মানুষদের সাথে সুন্দর সময় কাটানো আর নতুন নতুন স্মৃতি তৈরি করা। আমার কাছে ঈদ মানে সারা বছর শেষের সমস্ত ক্লান্তিকে এক পাশে রেখে আমার পরিবার, কাজিনদের সাথে রাতভোর আড্ডা দেওয়া,অনেক অনেক গল্প ,হাসি-ঠাট্টা করা।ঈদের নতুন জামা পরা,ঈদের সালামি, সেমাই খাওয়া,ঘোরাঘুরি করা ইত্যাদি।

ঈপ্সিতা জামান সত্তা ১৯ তম আবর্তন সংগীত বিভাগ

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

জবি শিক্ষার্থীদের ঈদ ভাবনা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:৪৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

জবি শিক্ষার্থীদের ঈদ ভাবনা নিয়ে দৈনিক নাগরিক ভাবনার বিশেষ সংখ্যাটি সাজিয়েছেন পলি আক্তার ও পত্রটি সম্পাদনা করেছেন অমৃত রায়

ঈদ মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। এই দিনটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ আনন্দের। তারা নতুন পোশাক পরে, সুস্বাদু খাবার খায় এবং পরিবার ও বন্ধুদের সাথে আনন্দময় সময় কাটায়। ঈদের ছুটিতে অনেক শিক্ষার্থী আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে বেড়াতে যায়। এই উৎসব আমাদেরকে ভালোবাসা, সম্প্রীতি ও ভাগাভাগি করার শিক্ষা দেয়। তাই শিক্ষার্থীদের কাছে ঈদ আনন্দ ও সুখের একটি বিশেষ উপলক্ষ।

পলি আক্তার সংগীত বিভাগ ১৯ তম আবর্তন

রোজার এক মাস আমাদের ধৈর্য, সংযম ও সহমর্মিতার মূল্য শেখায়। এই দীর্ঘ সাধনার পর আসে ঈদ, যা আনন্দের পাশাপাশি মানবিকতার বার্তাও বয়ে আনে। ঈদের প্রকৃত অর্থ তখনই পূর্ণতা পায়, যখন সেই আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া যায়। সমাজের অনেক পথশিশু ও সুবিধাবঞ্চিত শিশু আছে, যাদের কাছে এই উৎসবের আনন্দ অনেক সময় অধরাই থেকে যায়। একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমাদের সামান্য সহযোগিতাও তাদের জীবনে এনে দিতে পারে খুশির একটুখানি আলো। এমন এক ঈদের প্রত্যাশা, যেখানে কোনো শিশুর মুখে অভাবের ছাপ থাকবে না এবং প্রতিটি হাসিতে ফুটে উঠবে উৎসবের সত্যিকারের আনন্দ।

সাব্বির শাওন সংগীত বিভাগ ১৯ তম আবর্তন

ঈদের প্রকৃত আনন্দ কেবল নতুন পোশাকে নয়, বরং ত্যাগের মহিমায় সবার সাথে খুশি ভাগ করে নেওয়ার মাঝে নিহিত। একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমাদের ভাবনা, উৎসবের এই দিনে যেন কোনো পথশিশু ক্ষুধার্ত বা পোশাক ছাড়া না থাকে। আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের পাশে দাঁড়িয়ে মলিন মুখে হাসি ফোটানোই হোক এবারের ঈদের সার্থকতা। সমাজের এই সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে বৈষম্যহীন ঈদ পালনই আমাদের অঙ্গীকার। উৎসবের রঙ ছড়িয়ে পড়ুক রাজপথের প্রতিটি কোণায়, প্রতিটি শিশুর হাসিতে।

আল সানজিদা সৃষ্টি সংগীত বিভাগ ১৯ তম আবর্তন

দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার শেষে ঈদ আসে আনন্দের বার্তা নিয়ে। সিয়াম যেমন আমাদের ত্যাগ তিতিক্ষার শিক্ষা দেয় তেমনি ঈদ এই আনন্দকে সকলের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমে সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের শিক্ষা দেয়। আমরা ঈদের এই আনন্দঘন মূহুর্তে পাড়া-প্রতিবেশী, আত্নীয়-স্বজন সকালের খোঁজ খবর নিব এবং সেই সাথে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিব।

এম শাহিন ১৯ তম আবর্তন বাংলা বিভাগ।

ঈদ শুধু নতুন পোশাক বা মজার খাবারের আনন্দ নয়, এটি মানুষের হৃদয়ে ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। এই দিনে ধনী-গরিব সবাই একসাথে আনন্দ ভাগ করে নেয়। ঈদের নামাজের মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করার মধ্য দিয়ে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়। তাই ঈদ আমাদের সমাজে শান্তি, সহানুভূতি ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে আসে।

জান্নাতুন নাহার আফরিন ১৯ তম আবর্তন মার্কেটিং বিভাগ

ঈদের দিনটা শুরু হয় এক অদ্ভুত ভালো লাগা নিয়ে। সকালে উঠে ফ্রেশ হয়ে নতুন জামা পরা, আব্বু আর ভাইয়া নামাজ থেকে ফিরলে সবার সঙ্গে কোলাকুলি করা। আম্মুর হাতের সেমাই, খিচুড়ি…. তারপর একে একে সবার কাছ থেকে সালামি নেওয়া, আর কাজিনরা সবাই একসাথে হয়ে সারাদিন গল্প, হাসি আর দুষ্টুমি। এই ছোট ছোট সুন্দর মুহূর্ত, এই দিনটা যেন শৈশবের মিষ্টি স্মৃতিগুলোকে আবার একটু ছুঁয়ে দেখার সুযোগ। ঈদ আসলে শুধু একটি উৎসব নয়, এটা পরিবারের ভালোবাসায় ভরা অপূর্ব অনুভূতি!

ফারিয়া সাকিন রোজা ১৯ তম আবর্তন সংগীত বিভাগ

“ঈদ” শব্দটা দুটি অক্ষর নিয়ে গঠিত হলেও এই শব্দটির মাঝে আছে সমগ্ৰ মুসলিম উম্মাহর আনন্দ,খুশি,ভাতৃত্বের অটুট বন্ধন। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম তার বিখ্যাত গান “ও মোর রমজানের ঐ রোজার শেষে” গানে লিখেছিলেন “তুই ভুলে যা তোর দোস্ত দুশমন, হাত মেলা হাতে, তোর প্রেম দিয়ে কর বিশ্ব নিখিল ইসলামে মুরিদ”.. ঈদের দিনে দোস্ত দুশমন ভুলে সবার সাথে কোলাকুলি করে ঈদ মোবারক বলাটা এই মুসলিম বিশ্বে ঈদের একটি অনিন্দ্য সৌন্দর্য। ঈদুল ফিতর শুধু যে আনন্দ তা নয়। প্রতিটি অসহায় মানুষকে যাকাত, ফেতরার মাধ্যমে সাহায্য‌ করা ও অসহায় মানুষের হক আদায় করা ঈদুল ফিতরের উত্তম শিক্ষা। ফিকহ শাস্ত্র মতে “যার কাছে প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ আছে তার উপর ফিতরা ওয়াজিব” আমাদের ছোটবেলার ঈদগুলোতে ছিলো অনেক অনেক সুন্দর ও মধুর স্মৃতি। বিশেষ করে ঈদকার্ড কেনা। সেই কার্ডগুলোতে সুন্দর করে নাম লিখে বন্ধু, ভাই বোন, সহপাঠী, শিক্ষক, প্রিয় মানুষদের উপহার হিসেবে দেওয়া। ইন্টারনেটের গ্ৰাফিক্স ঈদ মোবারক এর যুগে এসে আমরা আর বাহারি রকমের ঈদকার্ড খুঁজতে ঈদকার্ড এর দোকানে যাইনা। তবে এই ঈদকার্ড আমাদের বিচিত্র সুস্থ্য সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই ব্যস্ত পৃথিবীতে একটু সময় বের করে হলেও সেই ঈদকার্ড এর সুন্দর ও মধুর সংস্কৃতিটাকে কখনো বিলুপ্ত হতে না দেই। এই সুস্থ্য সংস্কৃতি আমাদের ধরে রাখা উচিত,ছড়িয়ে দেওয়া উচিত আমাদের ছোট ছোট ভাই-বোন, ভাগ্নে-ভাস্তে নতুন প্রজন্মের মাঝে। ছোটবেলার সেই ঈদকার্ড এর ঈদ এর আনন্দ আবারো ফিরে আসুক আমাদের মাঝে ঈদ হোক আনন্দের ঈদ হোক প্রিয়জনের কাছে ফিরে আসবার এই ঈদুল ফিতরের আনন্দ ও শিক্ষা ছড়িয়ে পড়ুক এই যুদ্ধবিগ্ৰহময় বিশ্বের প্রতিটি কোনার প্রতিটি দেশে ।

ইশতিয়াক মাহমুদ নাসিফ ১৯ তম আবর্তন সংগীত বিভাগ

ঈদ আমার কাছে সবচেয়ে আনন্দের একটা অনুষ্ঠান। আমার কাছে ঈদ মানে হলো বাড়ি ফেরা। নিজের এলাকায় যাওয়া,আমার পরিবার,আত্মীয়-স্বজন,কাছের মানুষদের সাথে সুন্দর সময় কাটানো আর নতুন নতুন স্মৃতি তৈরি করা। আমার কাছে ঈদ মানে সারা বছর শেষের সমস্ত ক্লান্তিকে এক পাশে রেখে আমার পরিবার, কাজিনদের সাথে রাতভোর আড্ডা দেওয়া,অনেক অনেক গল্প ,হাসি-ঠাট্টা করা।ঈদের নতুন জামা পরা,ঈদের সালামি, সেমাই খাওয়া,ঘোরাঘুরি করা ইত্যাদি।

ঈপ্সিতা জামান সত্তা ১৯ তম আবর্তন সংগীত বিভাগ