ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন
১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর
ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা
মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী
জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ
কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম
বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা
হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার
বারকোনা পশুর হাটে কুরবানির পশু বিক্রয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায়

মাহমুদুল করিম, সাঘাটা, গাইবান্ধা
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ১০:১৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
- / ২০ বার পঠিত

মাহমুদুল করিম, সাঘাটা, গাইবান্ধা: গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বারকোনা পশুর হাটে কুরবানির পশু ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ইজারাদারদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, উক্ত বাজারের ইজারাদার মোঃ মিজানুর রহমান (সুজা)। অভিযোগ অনুযায়ী, গরু ও ছাগল বিক্রয়ের রসিদে কুরবানির পশু ক্রয় বাবদ বা জমা বাবদ নির্ধারিত কোনো টাকার পরিমাণ উল্লেখ না থাকলেও ক্রেতা ও বিক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে।
২১ মে, বৃহস্পতিবার সরেজমিনে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গরু ক্রয়ের ক্ষেত্রে একজন ক্রেতার কাছ থেকে ৬০০ টাকা এবং বিক্রেতার কাছ থেকে ৩০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ একটি গরু বিক্রয়ের বিপরীতে মোট ৯০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ক্রেতা মোঃ সাইদুর রহমান, গ্রাম: বারকোনা জানান, গরু ক্রয়ের সময় তার কাছ থেকে ৬০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে বিক্রেতা মোঃ হান্নান, গ্রাম: বাদিনার পাড়া বলেন, তার কাছ থেকেও ৩০০ টাকা নেওয়া হয়েছে।
একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে ছাগলের হাটেও। ছাগল ক্রেতা মোঃ রিপন মিয়া, গ্রাম: পাচেরপুর জানান, তার কাছ থেকে জমা বাবদ ৪০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। অপরদিকে বিক্রেতা মোঃ নয়ন মিয়া, গ্রাম: কমলপুর বলেন, তার কাছ থেকে ১০০ টাকা নেওয়া হয়েছে, যদিও তার কাছে ২০০ টাকা দাবি করা হয়েছিল।
স্থানীয়দের দাবি, কুরবানির পশুর হাটে এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
তবে অভিযোগের বিষয়ে ইজারাদার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


















