ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
তাজা খবর
মঠবাড়িয়ায় ৩০ আঙুল নিয়ে নবজাতকের জন্ম, নেই জিহ্বাও ক্রিসেন্ট জুট মিল ৩০ বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নিল মাহবুব গ্রুপ ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা
কর্মশালায় আরপিএমপি কমিশনার

নারী পুলিশ সদস্যদের আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্ব বিকাশের আহ্বান

রাসেল রানা, বিশেষ প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:৩১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • / ২৩ বার পঠিত
রাসেল রানা, বিশেষ প্রতিনিধি : নারী পুলিশ সদস্যদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন এবং নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ মহোদয়। রংপুর পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে “বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্কের কৌশলগত পরিকল্পনা ২০২৪–২০২৭ বাস্তবায়ন বিষয়ক পরামর্শমূলক কর্মশালা” অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ পুলিশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতায় এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশ কমিশনার বলেন, একজন নারী পুলিশ সদস্য হিসেবে নিজেকে কখনোই ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জেলায় নারী কর্মকর্তারা পুলিশ সুপারসহ গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের দায়িত্ব সফলতার সঙ্গে পালন করছেন। সরকারি বিভিন্ন উচ্চপদেও নারীরা দক্ষতা, মেধা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। তাই নারী সদস্যদের নিজেদের সক্ষমতার প্রতি আস্থা রেখে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি আরও বলেন, চাকরির অংশ হিসেবে পোস্টিং বা বদলি একটি স্বাভাবিক বিষয়। এ নিয়ে অযথা উদ্বিগ্ন না হয়ে যেকোনো কর্মস্থলে দায়িত্বশীলতা, পেশাদারিত্ব ও ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে। একজন পুলিশ সদস্যের পরিচয় তার কর্মদক্ষতা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।

পেশাগত জীবনে বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, পারিবারিক বা ব্যক্তিগত কোনো দুঃসংবাদ পেলেও একজন পুলিশ সদস্যকে ধৈর্য, সংযম ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে হবে। আবেগ নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা একজন দক্ষ পুলিশ সদস্যের গুরুত্বপূর্ণ গুণ।

তিনি “অখণ্ডতা, পেশাদারিত্ব এবং সক্ষমতার প্রতি শ্রদ্ধা” নীতিকে সামনে রেখে নারী ও পুরুষ সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহযোগিতামূলক কর্মপরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, শারীরিক সক্ষমতার ক্ষেত্রে কিছু পার্থক্য থাকলেও জ্ঞান, দক্ষতা, প্রজ্ঞা ও নেতৃত্বের ক্ষেত্রে নারীরা সমানভাবে সক্ষম। তাই নারী-পুরুষের পারস্পরিক সম্মান ও সমন্বয়ই একটি আধুনিক, মানবিক ও কার্যকর পুলিশ বাহিনী গঠনের পূর্বশর্ত।

পুলিশ কমিশনার নারী পুলিশ সদস্যদের কল্যাণে নারী-বান্ধব বাজেট, প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তা এবং কর্মপরিবেশ উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। প্রশিক্ষণ একজন সদস্যকে শুধু জ্ঞানসমৃদ্ধই করে না, বরং তাকে আরও দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী এবং দায়িত্ব পালনে সক্ষম করে তোলে।

তিনি আরও বলেন, নারী পুলিশ সদস্যরা আমাদের সহকর্মী, আমাদের মা-বোনের প্রতিচ্ছবি। তাদের প্রতি সম্মান, সহনশীলতা ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখতে হবে। নারী-পুরুষ সকল সদস্যকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের জনগণের সেবা এবং বাংলাদেশ পুলিশের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে কাজ করতে হবে।

কর্মশালায় বিভিন্ন ইউনিটের নারী পুলিশ সদস্য, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

কর্মশালায় আরপিএমপি কমিশনার

নারী পুলিশ সদস্যদের আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্ব বিকাশের আহ্বান

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:৩১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
রাসেল রানা, বিশেষ প্রতিনিধি : নারী পুলিশ সদস্যদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন এবং নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ মহোদয়। রংপুর পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে “বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্কের কৌশলগত পরিকল্পনা ২০২৪–২০২৭ বাস্তবায়ন বিষয়ক পরামর্শমূলক কর্মশালা” অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ পুলিশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতায় এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশ কমিশনার বলেন, একজন নারী পুলিশ সদস্য হিসেবে নিজেকে কখনোই ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জেলায় নারী কর্মকর্তারা পুলিশ সুপারসহ গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের দায়িত্ব সফলতার সঙ্গে পালন করছেন। সরকারি বিভিন্ন উচ্চপদেও নারীরা দক্ষতা, মেধা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। তাই নারী সদস্যদের নিজেদের সক্ষমতার প্রতি আস্থা রেখে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি আরও বলেন, চাকরির অংশ হিসেবে পোস্টিং বা বদলি একটি স্বাভাবিক বিষয়। এ নিয়ে অযথা উদ্বিগ্ন না হয়ে যেকোনো কর্মস্থলে দায়িত্বশীলতা, পেশাদারিত্ব ও ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে। একজন পুলিশ সদস্যের পরিচয় তার কর্মদক্ষতা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।

পেশাগত জীবনে বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, পারিবারিক বা ব্যক্তিগত কোনো দুঃসংবাদ পেলেও একজন পুলিশ সদস্যকে ধৈর্য, সংযম ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে হবে। আবেগ নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা একজন দক্ষ পুলিশ সদস্যের গুরুত্বপূর্ণ গুণ।

তিনি “অখণ্ডতা, পেশাদারিত্ব এবং সক্ষমতার প্রতি শ্রদ্ধা” নীতিকে সামনে রেখে নারী ও পুরুষ সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহযোগিতামূলক কর্মপরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, শারীরিক সক্ষমতার ক্ষেত্রে কিছু পার্থক্য থাকলেও জ্ঞান, দক্ষতা, প্রজ্ঞা ও নেতৃত্বের ক্ষেত্রে নারীরা সমানভাবে সক্ষম। তাই নারী-পুরুষের পারস্পরিক সম্মান ও সমন্বয়ই একটি আধুনিক, মানবিক ও কার্যকর পুলিশ বাহিনী গঠনের পূর্বশর্ত।

পুলিশ কমিশনার নারী পুলিশ সদস্যদের কল্যাণে নারী-বান্ধব বাজেট, প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তা এবং কর্মপরিবেশ উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। প্রশিক্ষণ একজন সদস্যকে শুধু জ্ঞানসমৃদ্ধই করে না, বরং তাকে আরও দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী এবং দায়িত্ব পালনে সক্ষম করে তোলে।

তিনি আরও বলেন, নারী পুলিশ সদস্যরা আমাদের সহকর্মী, আমাদের মা-বোনের প্রতিচ্ছবি। তাদের প্রতি সম্মান, সহনশীলতা ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখতে হবে। নারী-পুরুষ সকল সদস্যকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের জনগণের সেবা এবং বাংলাদেশ পুলিশের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে কাজ করতে হবে।

কর্মশালায় বিভিন্ন ইউনিটের নারী পুলিশ সদস্য, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন।