ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
তাজা খবর
অসুস্থ হনুমান চিকিৎসা নেওয়ার জন্য নিজেই হাসপাতালে হাজির মেধার স্বাক্ষরে দেশসেরা মনিরামপুরের সুরাইয়া ও অরিত্র ব্যারিস্টার জাইমা বার কাউন্সিল পরীক্ষায় পাস করেছেন মঠবাড়িয়ায় ৩০ আঙুল নিয়ে নবজাতকের জন্ম, নেই জিহ্বাও ক্রিসেন্ট জুট মিল ৩০ বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নিল মাহবুব গ্রুপ ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী
মৃত্যুঝুঁকিতে প্রতিদিন হাজারো মানুষের যাত্রা

৮-বছরেও বদলায়নি ঝালকাঠির বাসন্ডা বেইলি ব্রিজের ভাগ্য

আবু জাফর বিশ্বাস, ঝালকাঠি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:১১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
  • / ১৮ বার পঠিত
আবু জাফর বিশ্বাস, ঝালকাঠি:   বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি দীর্ঘ আট বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত। কিন্তু এত দীর্ঘ সময় পার হলেও নতুন সেতু নির্মাণ কিংবা স্থায়ী সংস্কারের কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়েই এ ব্রিজ পার হচ্ছেন হাজারো মানুষ।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বাগেরহাট ও খুলনাসহ বিভিন্ন জেলার শত শত বাস, ট্রাক, অ্যাম্বুলেন্স, পণ্যবাহী যান এবং ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু প্রতিবার ভারী যানবাহন ব্রিজে উঠলেই সেটি কেঁপে ওঠে। তখন যাত্রীদের মনে দেখা দেয় আতঙ্ক—এই বুঝি ঘটে গেল ভয়াবহ দুর্ঘটনা।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ প্রায় আট বছর আগে ব্রিজটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করলেও আজও তা ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। মাঝে মধ্যে জোড়াতালি দিয়ে সংস্কার করা হলেও কয়েকদিনের মধ্যেই আবারও বিভিন্ন স্থানে ত্রুটি দেখা দেয়। ব্রিজের একাধিক স্লাব আলগা হয়ে পড়েছে, ফলে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিদিনই আতঙ্ক নিয়ে এ ব্রিজ পার হতে হয়। বিশেষ করে রাতে এবং ভারী যানবাহন চলাচলের সময় ভয় আরও বেড়ে যায়। যে কোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। দ্রুত নতুন সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, নতুন সেতু নির্মাণের জন্য নকশা ও প্রাক্কলনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত চিঠি পাওয়া গেছে। বিদ্যুতের খুঁটি অপসারণের কাজও চলমান রয়েছে। সব প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে।
তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, বছরের পর বছর ধরে শুধু আশ্বাস আর কাগজে-কলমে কাজের কথা শুনেই কি চলবে? নাকি আরেকটি বড় দুর্ঘটনার পরই মিলবে একটি নিরাপদ সেতু? জনদুর্ভোগ ও প্রাণহানির ঝুঁকি এড়াতে দ্রুত নতুন সেতু নির্মাণ এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

মৃত্যুঝুঁকিতে প্রতিদিন হাজারো মানুষের যাত্রা

৮-বছরেও বদলায়নি ঝালকাঠির বাসন্ডা বেইলি ব্রিজের ভাগ্য

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:১১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
আবু জাফর বিশ্বাস, ঝালকাঠি:   বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি দীর্ঘ আট বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত। কিন্তু এত দীর্ঘ সময় পার হলেও নতুন সেতু নির্মাণ কিংবা স্থায়ী সংস্কারের কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়েই এ ব্রিজ পার হচ্ছেন হাজারো মানুষ।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বাগেরহাট ও খুলনাসহ বিভিন্ন জেলার শত শত বাস, ট্রাক, অ্যাম্বুলেন্স, পণ্যবাহী যান এবং ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু প্রতিবার ভারী যানবাহন ব্রিজে উঠলেই সেটি কেঁপে ওঠে। তখন যাত্রীদের মনে দেখা দেয় আতঙ্ক—এই বুঝি ঘটে গেল ভয়াবহ দুর্ঘটনা।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ প্রায় আট বছর আগে ব্রিজটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করলেও আজও তা ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। মাঝে মধ্যে জোড়াতালি দিয়ে সংস্কার করা হলেও কয়েকদিনের মধ্যেই আবারও বিভিন্ন স্থানে ত্রুটি দেখা দেয়। ব্রিজের একাধিক স্লাব আলগা হয়ে পড়েছে, ফলে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিদিনই আতঙ্ক নিয়ে এ ব্রিজ পার হতে হয়। বিশেষ করে রাতে এবং ভারী যানবাহন চলাচলের সময় ভয় আরও বেড়ে যায়। যে কোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। দ্রুত নতুন সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, নতুন সেতু নির্মাণের জন্য নকশা ও প্রাক্কলনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত চিঠি পাওয়া গেছে। বিদ্যুতের খুঁটি অপসারণের কাজও চলমান রয়েছে। সব প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে।
তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, বছরের পর বছর ধরে শুধু আশ্বাস আর কাগজে-কলমে কাজের কথা শুনেই কি চলবে? নাকি আরেকটি বড় দুর্ঘটনার পরই মিলবে একটি নিরাপদ সেতু? জনদুর্ভোগ ও প্রাণহানির ঝুঁকি এড়াতে দ্রুত নতুন সেতু নির্মাণ এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।