ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার

কুবিতে ‘প্রোডাক্টিভ রমাদান’ শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার আয়োজন

সাব্বির হোসেন, কুবি প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৫১:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫
  • / ৯৮ বার পঠিত
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) আল কুরআন অ্যান্ড কালচারাল স্টাডি ক্লাবের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘প্রোডাক্টিভ রমাদান’ শীর্ষক আলোচনা সভা। আলোচনা শেষে প্রায় ৮ শতাধিক শিক্ষার্থীর জন্য সম্মিলিত ইফতার আয়োজন করা হয়। বুধবার (৫ মার্চ) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ সোলায়মান। এছাড়া, আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. যুবাইর মুহাম্মদ এহসানুল হক।
আলোচক অধ্যাপক যুবাইর মুহাম্মদ এহসানুল হক রমজানের গুরুত্ব, প্রস্তুতি ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন,”রোজা শুধু উপবাস থাকার নাম নয়; এটি পানাহার, কামাচার ও পাপাচার—এই তিনটি বিষয় পরিত্যাগ করার একটি প্রশিক্ষণ।”
তিনি শিক্ষার্থীদের রমজানে দান-সদকা করা, রোজাদারকে ইফতার করানো এবং পিতা-মাতার সাথে সদাচরণ করার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি অধ্যাপক মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন,”রমজানের যথাযথ শিক্ষা ও প্রস্তুতির অভাবে আমরা এই মাস থেকে পরিপূর্ণ ফায়দা নিতে পারি না। বিশেষ করে, এই বয়সে ইবাদত করলে তা পরবর্তী জীবনে অনেক উপকারে আসে।”
প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী বলেন,”রমজানকে আমাদের যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে। আমরা চাই, প্রতি বছর এমন আয়োজন অব্যাহত থাকুক।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের পেশ ইমাম বলেন, “গত ১৬ বছরে এমন আয়োজন হয়নি। আমি ক্লাবের সভাপতি কায়েস ভাইকে আহ্বান জানাই, যেন প্রতি বছর এই আয়োজন অব্যাহত রাখা হয়।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ওবায়দুল্লাহ খান বলেন, “আজকের আয়োজনটি ছিল একটি মিলনমেলা, যেখানে প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী একসঙ্গে ইফতার করেছে। এখানে জুনিয়র-সিনিয়রদের সাথে দেখা হয়েছে, যা আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের একটি স্মরণীয় মুহূর্ত। পাশাপাশি রমজানের বিভিন্ন ফজিলত সম্পর্কে জানতে পেরেছি।
আল কুরআন অ্যান্ড কালচারাল স্টাডি ক্লাবের আহ্বায়ক কায়েসুর রহমান বলেন, “আমরা মূলত কুরআনের জ্ঞানকে জনপরিসরে ছড়িয়ে দেওয়া এবং ইসলামিক সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করছি। তারই ধারাবাহিকতায় রমাদানকে কীভাবে আরও প্রোডাক্টিভ করা যায়, সে বিষয়ে এই সেমিনারের আয়োজন করেছি। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে।”
তিনি আরও জানান, ক্লাবের পরবর্তী উদ্যোগ কুরআন বিতরণ প্রকল্প, যা আগামী সপ্তাহেই বাস্তবায়ন হতে পারে। এতে অন্তত পাঁচশত শিক্ষার্থীর হাতে কুরআন পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
সেমিনার ও ইফতার আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে রমজানের তাৎপর্য ও গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি, একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এমন আয়োজন প্রতি বছর চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

কুবিতে ‘প্রোডাক্টিভ রমাদান’ শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার আয়োজন

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৫১:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) আল কুরআন অ্যান্ড কালচারাল স্টাডি ক্লাবের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘প্রোডাক্টিভ রমাদান’ শীর্ষক আলোচনা সভা। আলোচনা শেষে প্রায় ৮ শতাধিক শিক্ষার্থীর জন্য সম্মিলিত ইফতার আয়োজন করা হয়। বুধবার (৫ মার্চ) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ সোলায়মান। এছাড়া, আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. যুবাইর মুহাম্মদ এহসানুল হক।
আলোচক অধ্যাপক যুবাইর মুহাম্মদ এহসানুল হক রমজানের গুরুত্ব, প্রস্তুতি ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন,”রোজা শুধু উপবাস থাকার নাম নয়; এটি পানাহার, কামাচার ও পাপাচার—এই তিনটি বিষয় পরিত্যাগ করার একটি প্রশিক্ষণ।”
তিনি শিক্ষার্থীদের রমজানে দান-সদকা করা, রোজাদারকে ইফতার করানো এবং পিতা-মাতার সাথে সদাচরণ করার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি অধ্যাপক মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন,”রমজানের যথাযথ শিক্ষা ও প্রস্তুতির অভাবে আমরা এই মাস থেকে পরিপূর্ণ ফায়দা নিতে পারি না। বিশেষ করে, এই বয়সে ইবাদত করলে তা পরবর্তী জীবনে অনেক উপকারে আসে।”
প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী বলেন,”রমজানকে আমাদের যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে। আমরা চাই, প্রতি বছর এমন আয়োজন অব্যাহত থাকুক।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের পেশ ইমাম বলেন, “গত ১৬ বছরে এমন আয়োজন হয়নি। আমি ক্লাবের সভাপতি কায়েস ভাইকে আহ্বান জানাই, যেন প্রতি বছর এই আয়োজন অব্যাহত রাখা হয়।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ওবায়দুল্লাহ খান বলেন, “আজকের আয়োজনটি ছিল একটি মিলনমেলা, যেখানে প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী একসঙ্গে ইফতার করেছে। এখানে জুনিয়র-সিনিয়রদের সাথে দেখা হয়েছে, যা আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের একটি স্মরণীয় মুহূর্ত। পাশাপাশি রমজানের বিভিন্ন ফজিলত সম্পর্কে জানতে পেরেছি।
আল কুরআন অ্যান্ড কালচারাল স্টাডি ক্লাবের আহ্বায়ক কায়েসুর রহমান বলেন, “আমরা মূলত কুরআনের জ্ঞানকে জনপরিসরে ছড়িয়ে দেওয়া এবং ইসলামিক সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করছি। তারই ধারাবাহিকতায় রমাদানকে কীভাবে আরও প্রোডাক্টিভ করা যায়, সে বিষয়ে এই সেমিনারের আয়োজন করেছি। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে।”
তিনি আরও জানান, ক্লাবের পরবর্তী উদ্যোগ কুরআন বিতরণ প্রকল্প, যা আগামী সপ্তাহেই বাস্তবায়ন হতে পারে। এতে অন্তত পাঁচশত শিক্ষার্থীর হাতে কুরআন পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
সেমিনার ও ইফতার আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে রমজানের তাৎপর্য ও গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি, একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এমন আয়োজন প্রতি বছর চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান সংশ্লিষ্টরা।