ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
তাজা খবর
অসুস্থ হনুমান চিকিৎসা নেওয়ার জন্য নিজেই হাসপাতালে হাজির মেধার স্বাক্ষরে দেশসেরা মনিরামপুরের সুরাইয়া ও অরিত্র ব্যারিস্টার জাইমা বার কাউন্সিল পরীক্ষায় পাস করেছেন মঠবাড়িয়ায় ৩০ আঙুল নিয়ে নবজাতকের জন্ম, নেই জিহ্বাও ক্রিসেন্ট জুট মিল ৩০ বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নিল মাহবুব গ্রুপ ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী

ভেড়ামারায় ঘুষের অভিযোগে ৫ ঘণ্টা অবরুদ্ধ সাব-রেজিস্ট্রার

উজ্জ্বল মাহমুদ, (কুষ্টিয়া)
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:০২:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫
  • / ১৫১ বার পঠিত

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে সাব-রেজিস্ট্রার বোরহান উদ্দিন সরকারকে পাঁচ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন ছাত্র-জনতা ও ভুক্তভোগীরা। বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত তাকে ভেড়ামারা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে আটকে রাখা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বোরহান উদ্দিন মূলত পার্শ্ববর্তী দৌলতপুর উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত। অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে বৃহস্পতিবার ছিল তার প্রথম কার্যদিবস। তবে প্রথম দিনেই তার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগকারীদের দাবি, দলিল নিবন্ধনের জন্য নিয়মের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়। বিশেষ করে দলিলে ভুল সংশোধনের নামে তার ব্যক্তিগত সহকারী মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। উপস্থিত জনতার অভিযোগ, তিনি দলিল নিবন্ধনের সময় ১০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নিয়েছেন। স্থানীয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন জানান, উপজেলার পরানখালি এলাকার রাকিব হোসেনের এক আত্মীয়ের দলিলে নাম ভুল ছিল। এটি সংশোধনের জন্য সাব-রেজিস্ট্রারের সহকারী ১৫ হাজার টাকা ঘুষ নেন। পরে টাকা নেওয়ার প্রমাণস্বরূপ কল রেকর্ডও দেখানো হয়। তবে বিক্ষোভ শুরু হলে অভিযুক্ত সহকারী টাকাসহ পালিয়ে যান। জনতা অভিযোগ করেন, বোরহান উদ্দিনই তাকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছেন। রাত ১১টার দিকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আনোয়ার হোসাইন ও ভেড়ামারা থানার ওসি শেখ শহীদুল ইসলাম পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এরপর তারা বোরহান উদ্দিনকে কার্যালয় থেকে বের করে নিয়ে যান। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বোরহান উদ্দিন সরকার বলেন, “আমি কোনো ঘুষ নিইনি। বরং জনগণের উপকার করতে গিয়েই ফেঁসে গেছি। অভিযুক্ত ব্যক্তি আমার সহকারী নন, তিনি আমার আত্মীয়। তার নাম ও মোবাইল নম্বর আমার মনে নেই।”এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আনোয়ার হোসাইন বলেন, “আমরা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।”এ ঘটনায় ভেড়ামারা ও দৌলতপুরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ঘুষ বাণিজ্যে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

ভেড়ামারায় ঘুষের অভিযোগে ৫ ঘণ্টা অবরুদ্ধ সাব-রেজিস্ট্রার

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:০২:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে সাব-রেজিস্ট্রার বোরহান উদ্দিন সরকারকে পাঁচ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন ছাত্র-জনতা ও ভুক্তভোগীরা। বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত তাকে ভেড়ামারা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে আটকে রাখা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বোরহান উদ্দিন মূলত পার্শ্ববর্তী দৌলতপুর উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত। অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে বৃহস্পতিবার ছিল তার প্রথম কার্যদিবস। তবে প্রথম দিনেই তার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগকারীদের দাবি, দলিল নিবন্ধনের জন্য নিয়মের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়। বিশেষ করে দলিলে ভুল সংশোধনের নামে তার ব্যক্তিগত সহকারী মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। উপস্থিত জনতার অভিযোগ, তিনি দলিল নিবন্ধনের সময় ১০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নিয়েছেন। স্থানীয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন জানান, উপজেলার পরানখালি এলাকার রাকিব হোসেনের এক আত্মীয়ের দলিলে নাম ভুল ছিল। এটি সংশোধনের জন্য সাব-রেজিস্ট্রারের সহকারী ১৫ হাজার টাকা ঘুষ নেন। পরে টাকা নেওয়ার প্রমাণস্বরূপ কল রেকর্ডও দেখানো হয়। তবে বিক্ষোভ শুরু হলে অভিযুক্ত সহকারী টাকাসহ পালিয়ে যান। জনতা অভিযোগ করেন, বোরহান উদ্দিনই তাকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছেন। রাত ১১টার দিকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আনোয়ার হোসাইন ও ভেড়ামারা থানার ওসি শেখ শহীদুল ইসলাম পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এরপর তারা বোরহান উদ্দিনকে কার্যালয় থেকে বের করে নিয়ে যান। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বোরহান উদ্দিন সরকার বলেন, “আমি কোনো ঘুষ নিইনি। বরং জনগণের উপকার করতে গিয়েই ফেঁসে গেছি। অভিযুক্ত ব্যক্তি আমার সহকারী নন, তিনি আমার আত্মীয়। তার নাম ও মোবাইল নম্বর আমার মনে নেই।”এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আনোয়ার হোসাইন বলেন, “আমরা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।”এ ঘটনায় ভেড়ামারা ও দৌলতপুরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ঘুষ বাণিজ্যে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।