ঢাকা, বাংলাদেশ , বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

রক্তের মধ্যে পড়ে ছিল চিকিৎসকের লাশ, পাশের ঘরে মোবাইল ফোনে ব্যস্ত স্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:    ভারতের কর্নাটকের ধারওয়াড়ে নিজ ফ্ল্যাট থেকে এক চিকিৎসকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহতাবস্থায় তার আট বছর বয়সি ছেলেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত চিকিৎসকের স্ত্রী, যিনি নিজেও একজন চিকিৎসক, তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

বুধবার (১৬ জুলাই) ধারওয়াড়ের বারাকোট্রি এলাকার র্যাঙ্কো স্টেলো অ্যাপার্টমেন্টে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, নিহত চিকিৎসকের নাম কিরণ হোন্নান্নাভার (৪৫)। তিনি একটি বেসরকারি হাসপাতালে অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার লাশে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

ধারওয়াড়ের পুলিশ কমিশনার এন শশিকুমার জানান, ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ চিকিৎসকের আট বছর বয়সি ছেলেকে গুরুতর আহত কিন্তু জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে শিশুটির অবস্থা সংকটাপন্ন।

তিনি আরও জানান, নিহত চিকিৎসকের স্ত্রী প্রিয়াঙ্কাকে ঘটনাস্থলে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে তার বক্তব্য ছিল অসংলগ্ন। এ কারণে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই চিকিৎসক কিরণের মোবাইল ফোনে আসা কলগুলোর উত্তর দিচ্ছিলেন তার স্ত্রী। প্রতিবারই তিনি কিরণের অবস্থান সম্পর্কে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দেন। এতে তদন্তকারীদের সন্দেহ হয়, হত্যাকাণ্ডটি সম্ভবত মঙ্গলবারই সংঘটিত হয়েছিল।

নিহতের পরিবারের দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়েছে, পারিবারিক কলহের জেরেই এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটতে পারে।

পুলিশের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, ঘটনাস্থলে পৌঁছে তারা দেখতে পান, এক কক্ষে চিকিৎসক কিরণের লাশ রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে, অন্যদিকে গুরুতর আহত ছেলে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। এ সময় অভিযুক্ত স্ত্রীকে পাশের একটি কক্ষে বসে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখা যায়।

ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সূত্র: দ্য হিন্দু

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
জনপ্রিয়

উদ্যোক্তা তৈরির পরিবেশই আরও শক্তিশালী করবে দেশের বাণিজ্য ও অর্থনীতি

৫০/এফ, ইনার সার্কুলার ভিআইপি রোড, নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০ | ফোন: ০৯৬৪৯২৩০২২০, ০১৯১৫৭০৮১৮৭, ই-মেইল: info.nagorikvabna@gmail.com

.nv-address-bar { background-color: #1565C0 !important; padding: 10px 20px !important; text-align: center !important; width: 100% !important; display: block !important; } .nv-address-bar p { color: #ffffff !important; font-size: 13px !important; margin: 0 !important; line-height: 1.6 !important; }
25 August 2026

বুড়িচং প্রেস ক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত সভাপতি খোরশেদ, সম্পাদক জহিরুল, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

রক্তের মধ্যে পড়ে ছিল চিকিৎসকের লাশ, পাশের ঘরে মোবাইল ফোনে ব্যস্ত স্ত্রী

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৩:১২:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:    ভারতের কর্নাটকের ধারওয়াড়ে নিজ ফ্ল্যাট থেকে এক চিকিৎসকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহতাবস্থায় তার আট বছর বয়সি ছেলেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত চিকিৎসকের স্ত্রী, যিনি নিজেও একজন চিকিৎসক, তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

বুধবার (১৬ জুলাই) ধারওয়াড়ের বারাকোট্রি এলাকার র্যাঙ্কো স্টেলো অ্যাপার্টমেন্টে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, নিহত চিকিৎসকের নাম কিরণ হোন্নান্নাভার (৪৫)। তিনি একটি বেসরকারি হাসপাতালে অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার লাশে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

ধারওয়াড়ের পুলিশ কমিশনার এন শশিকুমার জানান, ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ চিকিৎসকের আট বছর বয়সি ছেলেকে গুরুতর আহত কিন্তু জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে শিশুটির অবস্থা সংকটাপন্ন।

তিনি আরও জানান, নিহত চিকিৎসকের স্ত্রী প্রিয়াঙ্কাকে ঘটনাস্থলে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে তার বক্তব্য ছিল অসংলগ্ন। এ কারণে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই চিকিৎসক কিরণের মোবাইল ফোনে আসা কলগুলোর উত্তর দিচ্ছিলেন তার স্ত্রী। প্রতিবারই তিনি কিরণের অবস্থান সম্পর্কে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দেন। এতে তদন্তকারীদের সন্দেহ হয়, হত্যাকাণ্ডটি সম্ভবত মঙ্গলবারই সংঘটিত হয়েছিল।

নিহতের পরিবারের দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়েছে, পারিবারিক কলহের জেরেই এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটতে পারে।

পুলিশের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, ঘটনাস্থলে পৌঁছে তারা দেখতে পান, এক কক্ষে চিকিৎসক কিরণের লাশ রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে, অন্যদিকে গুরুতর আহত ছেলে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। এ সময় অভিযুক্ত স্ত্রীকে পাশের একটি কক্ষে বসে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখা যায়।

ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সূত্র: দ্য হিন্দু

Share this news as a Photo Card