ঢাকা, বাংলাদেশ , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

সুন্দরবনে বনরক্ষীদের টহল ও ড্রোন উড়িয়ে নজরদারির ফলে,কমেছে হরিণ শিকার ও বিষ দিয়ে মাছ ধরা

মোঃ শহীদুল ইসলাম সোহাগ, শরনখোলা (বাগেরহাট) : পূর্ব সুন্দরবনে বনরক্ষীদের নিয়মিত টহল ও  আধুনিক ড্রোন উড়িয়ে  নিবিড় পর্যবেক্ষণের ফলে বিষ দিয়ে মাছধরা ও শিকারিদের অপতৎপরতা বিগত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছর অনেকটা  কমে এসেছে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর  জুন থেকে আগস্ট এ তিন মাসে বনরক্ষীরা  সুন্দরবনে ৩,২১৪টি অভিযান চালিয়ে ৪টি মামলা দায়ের করেন। এ সময়  ১৩টি নৌকা, ৬টি মাছ ধরার জাল এবং ৩২ বোতল, ২ লিটার তরল ও ৩ প্যাকেট বিষ জব্দ করা হয়। এছাড়া উদ্ধার করা হয় ১৫১.৫ কেজি বিষযুক্ত চিংড়ি এবং ৫ কেজি ও ২ বস্তা শুঁটকি মাছ। গত বছরের একই সময়ে (জুন-আগস্ট) বনরক্ষীরা সুন্দরবনে   অভিযান চালিয়ে ৫ জন আসামিকে গ্রেফতারসহ  ৮টি মামলা দায়ের করে। সে সময়ে  ২৭টি নৌকা, ২১টি জাল, ৫২ বোতল ও ৫ লিটার বিষ, ২৪৫ কেজি বিষযুক্ত মাছ, ১৪৫ কেজি বিষযুক্ত চিংড়ি, ১৭৭ কেজি সাদা মাছ এবং ২২ বস্তা শুঁটকি উদ্ধার করা হয়েছিল।
অপরদিকে, চলতি বছর মার্চ হতে আগস্ট পর্যন্ত ৬ মাসে হরিণ শিকার সংক্রান্ত ৬টি মামলায়  ৯ জন আসামিকে গ্রেফতার  করা হয়েছে। এ সময়ে কোনো হরিণের মাংস, চামড়া বা মৃত হরিণ উদ্ধার হয়নি। ২টি নৌকা ও ৩টি ট্রলার আটকসহ জব্দ করা হয়েছে ১৪,৩৮১ ফুট মালা ফাঁদ, ১১০টি ছিটকা ফাঁদ, ৪৬ ফুট হাটা ফাঁদ ও ৬৯টি ডোয়া ফাঁদ।   গত বছরের মার্চ থেকে আগস্ট সময়ে হরিণ শিকারের ২০টি মামলায় আটক হয়েছিল  ১২ শিকারী। সে সময়  ১৫৬.৫ কেজি হরিণের মাংস, ৫টি মাথা, ৮টি পা, ২টি চামড়া ও ২টি মৃত হরিণ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া  ৯টি নৌকা ও ৬টি ট্রলার আটকসহ জব্দ করা হয়  ৩৩,৭০৩ ফুট মালা ফাঁদ, ২৫৮টি ছিটকা ফাঁদ, ১,৫০৫ ফুট হাটা ফাঁদ ও ২৫ ফুট গলা ফাঁদ।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ বাগেরহাটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় বন বিভাগ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সোচ্চার ও প্রযুক্তি নির্ভর। আমরা দুর্গম বনাঞ্চলে নিয়মিত বিশেষ অভিযান ও টহল জোরদার করার পাশাপাশি ড্রোন দিয়ে আকাশপথে নিবিড় নজরদারি পরিচালনা করছি ফলে হরিণ শিকারি ও বিষপ্রয়োগকারী অসাধু চক্রের তৎপরতা অনেকটাই বন্ধ হয়ে  গেছে।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
জনপ্রিয়

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জেনারেটরে ওড়না পেঁচিয়ে নারী প্রকৌশলীর মৃত্যু

৫০/এফ, ইনার সার্কুলার ভিআইপি রোড, নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০ | ফোন: ০৯৬৪৯২৩০২২০, ০১৯১৫৭০৮১৮৭, ই-মেইল: info.nagorikvabna@gmail.com

.nv-address-bar { background-color: #1565C0 !important; padding: 10px 20px !important; text-align: center !important; width: 100% !important; display: block !important; } .nv-address-bar p { color: #ffffff !important; font-size: 13px !important; margin: 0 !important; line-height: 1.6 !important; }
24 August 2026

দুপচাঁচিয়ায় গাঁজাসহ স্বামী -স্ত্রী সহ গ্রেপ্তার ৩

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

সুন্দরবনে বনরক্ষীদের টহল ও ড্রোন উড়িয়ে নজরদারির ফলে,কমেছে হরিণ শিকার ও বিষ দিয়ে মাছ ধরা

সর্বশেষ পরিমার্জন : ১১:৫৫:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
মোঃ শহীদুল ইসলাম সোহাগ, শরনখোলা (বাগেরহাট) : পূর্ব সুন্দরবনে বনরক্ষীদের নিয়মিত টহল ও  আধুনিক ড্রোন উড়িয়ে  নিবিড় পর্যবেক্ষণের ফলে বিষ দিয়ে মাছধরা ও শিকারিদের অপতৎপরতা বিগত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছর অনেকটা  কমে এসেছে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর  জুন থেকে আগস্ট এ তিন মাসে বনরক্ষীরা  সুন্দরবনে ৩,২১৪টি অভিযান চালিয়ে ৪টি মামলা দায়ের করেন। এ সময়  ১৩টি নৌকা, ৬টি মাছ ধরার জাল এবং ৩২ বোতল, ২ লিটার তরল ও ৩ প্যাকেট বিষ জব্দ করা হয়। এছাড়া উদ্ধার করা হয় ১৫১.৫ কেজি বিষযুক্ত চিংড়ি এবং ৫ কেজি ও ২ বস্তা শুঁটকি মাছ। গত বছরের একই সময়ে (জুন-আগস্ট) বনরক্ষীরা সুন্দরবনে   অভিযান চালিয়ে ৫ জন আসামিকে গ্রেফতারসহ  ৮টি মামলা দায়ের করে। সে সময়ে  ২৭টি নৌকা, ২১টি জাল, ৫২ বোতল ও ৫ লিটার বিষ, ২৪৫ কেজি বিষযুক্ত মাছ, ১৪৫ কেজি বিষযুক্ত চিংড়ি, ১৭৭ কেজি সাদা মাছ এবং ২২ বস্তা শুঁটকি উদ্ধার করা হয়েছিল।
অপরদিকে, চলতি বছর মার্চ হতে আগস্ট পর্যন্ত ৬ মাসে হরিণ শিকার সংক্রান্ত ৬টি মামলায়  ৯ জন আসামিকে গ্রেফতার  করা হয়েছে। এ সময়ে কোনো হরিণের মাংস, চামড়া বা মৃত হরিণ উদ্ধার হয়নি। ২টি নৌকা ও ৩টি ট্রলার আটকসহ জব্দ করা হয়েছে ১৪,৩৮১ ফুট মালা ফাঁদ, ১১০টি ছিটকা ফাঁদ, ৪৬ ফুট হাটা ফাঁদ ও ৬৯টি ডোয়া ফাঁদ।   গত বছরের মার্চ থেকে আগস্ট সময়ে হরিণ শিকারের ২০টি মামলায় আটক হয়েছিল  ১২ শিকারী। সে সময়  ১৫৬.৫ কেজি হরিণের মাংস, ৫টি মাথা, ৮টি পা, ২টি চামড়া ও ২টি মৃত হরিণ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া  ৯টি নৌকা ও ৬টি ট্রলার আটকসহ জব্দ করা হয়  ৩৩,৭০৩ ফুট মালা ফাঁদ, ২৫৮টি ছিটকা ফাঁদ, ১,৫০৫ ফুট হাটা ফাঁদ ও ২৫ ফুট গলা ফাঁদ।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ বাগেরহাটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় বন বিভাগ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সোচ্চার ও প্রযুক্তি নির্ভর। আমরা দুর্গম বনাঞ্চলে নিয়মিত বিশেষ অভিযান ও টহল জোরদার করার পাশাপাশি ড্রোন দিয়ে আকাশপথে নিবিড় নজরদারি পরিচালনা করছি ফলে হরিণ শিকারি ও বিষপ্রয়োগকারী অসাধু চক্রের তৎপরতা অনেকটাই বন্ধ হয়ে  গেছে।

Share this news as a Photo Card