ঢাকা, বাংলাদেশ , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

বসতঘর থেকে পুলিনমিস্ত্রির মরদেহ উদ্ধার, ছেলে পুলিশ হেফাজতে

সোহাগ ইসলাম, মঠবাড়িয়া:   পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বসতঘর থেকে পুলিন মিস্ত্রি (৬৫) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে পবিত্র মিস্ত্রিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পাঁচশতকুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে প্রতিবেশীরা পুলিন মিস্ত্রির ঘরে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। একই ঘরে তার ছেলে পবিত্র মিস্ত্রিকেও অসুস্থ অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে স্থানীয়রা পবিত্রকে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান এবং পুলিন মিস্ত্রির মৃত্যুর বিষয়টি পুলিশকে জানান।

পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, পুলিন মিস্ত্রির স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তিনি পুনরায় বিয়ে করতে চেয়েছিলেন। এ বিষয়টি নিয়ে ছেলে পবিত্র মিস্ত্রির সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন। পারিবারিক বিরোধ কিংবা সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

তবে পবিত্র মিস্ত্রির দাবি, অজ্ঞাত ব্যক্তিরা ঘরে প্রবেশ করে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তার এ দাবির সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মঠবাড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পার্থ চক্রবর্তী ও মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) শেখ হেলাল উদ্দিন ঘটনাটি তদন্ত করছেন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর পবিত্র মিস্ত্রিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়।

মঠবাড়িয়া থানার ওসি (তদন্ত) শেখ হেলাল উদ্দিন বলেন, নিহতের ছেলে দাবি করেছেন, অজ্ঞাত ব্যক্তিরা ঘরে ঢুকে চেতনানাশক স্প্রে করে। পরে তার বাবার কাছে থাকা জিনিসপত্র না দেওয়ায় দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে এবং তাকে অন্য একটি ঘরে আটকে রাখে।

তবে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, নিহত পুলিন মিস্ত্রির দ্বিতীয় বিয়েকে কেন্দ্র করে তার সঙ্গে ছেলের বিরোধ চলছিল। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তিনি আরও বলেন, নিহতের ছেলে পবিত্র মিস্ত্রিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
জনপ্রিয়

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জেনারেটরে ওড়না পেঁচিয়ে নারী প্রকৌশলীর মৃত্যু

৫০/এফ, ইনার সার্কুলার ভিআইপি রোড, নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০ | ফোন: ০৯৬৪৯২৩০২২০, ০১৯১৫৭০৮১৮৭, ই-মেইল: info.nagorikvabna@gmail.com

.nv-address-bar { background-color: #1565C0 !important; padding: 10px 20px !important; text-align: center !important; width: 100% !important; display: block !important; } .nv-address-bar p { color: #ffffff !important; font-size: 13px !important; margin: 0 !important; line-height: 1.6 !important; }
24 August 2026

দুপচাঁচিয়ায় গাঁজাসহ স্বামী -স্ত্রী সহ গ্রেপ্তার ৩

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

বসতঘর থেকে পুলিনমিস্ত্রির মরদেহ উদ্ধার, ছেলে পুলিশ হেফাজতে

সর্বশেষ পরিমার্জন : ১১:১৭:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

সোহাগ ইসলাম, মঠবাড়িয়া:   পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বসতঘর থেকে পুলিন মিস্ত্রি (৬৫) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে পবিত্র মিস্ত্রিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পাঁচশতকুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে প্রতিবেশীরা পুলিন মিস্ত্রির ঘরে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। একই ঘরে তার ছেলে পবিত্র মিস্ত্রিকেও অসুস্থ অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে স্থানীয়রা পবিত্রকে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান এবং পুলিন মিস্ত্রির মৃত্যুর বিষয়টি পুলিশকে জানান।

পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, পুলিন মিস্ত্রির স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তিনি পুনরায় বিয়ে করতে চেয়েছিলেন। এ বিষয়টি নিয়ে ছেলে পবিত্র মিস্ত্রির সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন। পারিবারিক বিরোধ কিংবা সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

তবে পবিত্র মিস্ত্রির দাবি, অজ্ঞাত ব্যক্তিরা ঘরে প্রবেশ করে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তার এ দাবির সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মঠবাড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পার্থ চক্রবর্তী ও মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) শেখ হেলাল উদ্দিন ঘটনাটি তদন্ত করছেন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর পবিত্র মিস্ত্রিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়।

মঠবাড়িয়া থানার ওসি (তদন্ত) শেখ হেলাল উদ্দিন বলেন, নিহতের ছেলে দাবি করেছেন, অজ্ঞাত ব্যক্তিরা ঘরে ঢুকে চেতনানাশক স্প্রে করে। পরে তার বাবার কাছে থাকা জিনিসপত্র না দেওয়ায় দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে এবং তাকে অন্য একটি ঘরে আটকে রাখে।

তবে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, নিহত পুলিন মিস্ত্রির দ্বিতীয় বিয়েকে কেন্দ্র করে তার সঙ্গে ছেলের বিরোধ চলছিল। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তিনি আরও বলেন, নিহতের ছেলে পবিত্র মিস্ত্রিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

Share this news as a Photo Card