ঢাকা, বাংলাদেশ , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220
গ্রেপ্তার অপহরণ চক্রের দুই সদস্য

চুয়াডাঙ্গায় অপহৃত ১৪ বছরের স্কুলছাত্র রাজশাহীতে উদ্ধার

  • অপু দাস, রাজশাহী
  • সর্বশেষ পরিমার্জন : ০১:১৫:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ২১ বার পঠিত
অপু দাস, রাজশাহী:   চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থেকে অপহৃত ১৪ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রকে রাজশাহী মহানগরী থেকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৫। একই ঘটনায় অপহরণ চক্রের মূলহোতা হিসেবে অভিযুক্ত একজনসহ দুই সদস্যকে পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলা দায়েরের মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া ও বোয়ালিয়া থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার নারায়ণপুর এলাকার মোঃ মাহতাব খাঁর ছেলে মোঃ সুমন খাঁন (৩৭) এবং রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার আলীগঞ্জ মধ্যপাড়া এলাকার মৃত রফিকের ছেলে মোঃ রুবেল শেখ (৩৮)।
র‌্যাব-৫ সূত্রে জানা গেছে, অপহৃত শিশু নাইম উদ্দিন (১৪) চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থানার প্রতাবপুর দক্ষিণপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং মদনা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত ২২ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ১১টা ৫ মিনিটের দিকে প্রতিদিনের মতো বাড়ির সামনে পাকা রাস্তায় খেলতে বের হয় সে। কিন্তু দুপুর গড়িয়ে গেলেও বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।
নাইমের পরিবারের সদস্যরা প্রথমে আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতেও তার সন্ধান করা হয়। দীর্ঘ সময় ধরে খোঁজ করেও কোনো সন্ধান না পাওয়ায় একপর্যায়ে তার বাবা দর্শনা থানায় নিখোঁজ সংক্রান্ত একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
এরপর ২৩ আগস্ট সকালে ঘটনাটি নতুন মোড় নেয়। সকাল আনুমানিক ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে নাইমের বড় ভাই মাসুদ রানার মোবাইল ফোনে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা কয়েকটি ছবি পাঠায়। ওই ছবিতে নাইমের মুখ টেপ দিয়ে আটকানো এবং হাত-পা বাঁধা অবস্থায় দেখা যায় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ছবি পাঠানোর পর অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা নাইমকে ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে তার পরিবারের কাছে ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। নির্ধারিত টাকা না দিলে নাইমকে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিষয়টি জানতে পেরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করেন। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর চুয়াডাঙ্গার দর্শনা ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
পরে নাইমের মামা মোঃ আব্দুল আলীম বাদী হয়ে দর্শনা থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। ২৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখে দায়ের করা ওই মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর সংশোধিত ধারার ৭/৮/৩০ উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলা হওয়ার পর শিশুটিকে উদ্ধারে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর হয়ে ওঠে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়ার পর র‌্যাব-৫, রাজশাহী সদর কোম্পানির একটি বিশেষ আভিযানিক দল অভিযানে নামে।
গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে অপহৃত শিশুর অবস্থান শনাক্ত করার পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সম্পর্কেও তথ্য পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে র‌্যাব।
এরই ধারাবাহিকতায় ২৪ আগস্ট রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানাধীন লক্ষ্মীপুর মোড় এলাকায় একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাবের একটি চৌকস দল। অভিযানকালে অপহৃত শিশু নাইম উদ্দিনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। একই অভিযানে অপহরণ চক্রের মূলহোতা হিসেবে অভিযুক্ত মোঃ সুমন খাঁনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন স্বর্ণপট্টি আবাসিক হোটেল এলাকায় পৃথক অভিযান চালানো হয়। ওই অভিযানে মামলার তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপহরণ চক্রের সদস্য হিসেবে অভিযুক্ত মোঃ রুবেল শেখকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।
র‌্যাবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তি অপহরণের ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। তবে ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত ছিল কি না, শিশুটিকে কোথায় রাখা হয়েছিল এবং মুক্তিপণ আদায়ের পরিকল্পনার পেছনে কারা ছিল—এসব বিষয় খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে।
র‌্যাব জানায়, অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে শিশু ও নারীদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে অপরাধীদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া ১৪ বছরের স্কুলছাত্রকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। অন্যদিকে গ্রেপ্তার দুই আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
মামলা দায়েরের এক দিনের মধ্যেই অপহৃত শিশুকে উদ্ধার এবং ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুইজনকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় স্বস্তি ফিরেছে শিশুটির পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে। একই সঙ্গে শিশু অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
জনপ্রিয়

মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন

৫০/এফ, ইনার সার্কুলার ভিআইপি রোড, নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০ | ফোন: ০৯৬৪৯২৩০২২০, ০১৯১৫৭০৮১৮৭, ই-মেইল: info.nagorikvabna@gmail.com

.nv-address-bar { background-color: #1565C0 !important; padding: 10px 20px !important; text-align: center !important; width: 100% !important; display: block !important; } .nv-address-bar p { color: #ffffff !important; font-size: 13px !important; margin: 0 !important; line-height: 1.6 !important; }
25 August 2026

মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্হাপন করলেন জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

গ্রেপ্তার অপহরণ চক্রের দুই সদস্য

চুয়াডাঙ্গায় অপহৃত ১৪ বছরের স্কুলছাত্র রাজশাহীতে উদ্ধার

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০১:১৫:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
অপু দাস, রাজশাহী:   চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থেকে অপহৃত ১৪ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রকে রাজশাহী মহানগরী থেকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৫। একই ঘটনায় অপহরণ চক্রের মূলহোতা হিসেবে অভিযুক্ত একজনসহ দুই সদস্যকে পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলা দায়েরের মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া ও বোয়ালিয়া থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার নারায়ণপুর এলাকার মোঃ মাহতাব খাঁর ছেলে মোঃ সুমন খাঁন (৩৭) এবং রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার আলীগঞ্জ মধ্যপাড়া এলাকার মৃত রফিকের ছেলে মোঃ রুবেল শেখ (৩৮)।
র‌্যাব-৫ সূত্রে জানা গেছে, অপহৃত শিশু নাইম উদ্দিন (১৪) চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থানার প্রতাবপুর দক্ষিণপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং মদনা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত ২২ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ১১টা ৫ মিনিটের দিকে প্রতিদিনের মতো বাড়ির সামনে পাকা রাস্তায় খেলতে বের হয় সে। কিন্তু দুপুর গড়িয়ে গেলেও বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।
নাইমের পরিবারের সদস্যরা প্রথমে আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতেও তার সন্ধান করা হয়। দীর্ঘ সময় ধরে খোঁজ করেও কোনো সন্ধান না পাওয়ায় একপর্যায়ে তার বাবা দর্শনা থানায় নিখোঁজ সংক্রান্ত একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
এরপর ২৩ আগস্ট সকালে ঘটনাটি নতুন মোড় নেয়। সকাল আনুমানিক ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে নাইমের বড় ভাই মাসুদ রানার মোবাইল ফোনে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা কয়েকটি ছবি পাঠায়। ওই ছবিতে নাইমের মুখ টেপ দিয়ে আটকানো এবং হাত-পা বাঁধা অবস্থায় দেখা যায় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ছবি পাঠানোর পর অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা নাইমকে ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে তার পরিবারের কাছে ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। নির্ধারিত টাকা না দিলে নাইমকে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিষয়টি জানতে পেরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করেন। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর চুয়াডাঙ্গার দর্শনা ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
পরে নাইমের মামা মোঃ আব্দুল আলীম বাদী হয়ে দর্শনা থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। ২৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখে দায়ের করা ওই মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর সংশোধিত ধারার ৭/৮/৩০ উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলা হওয়ার পর শিশুটিকে উদ্ধারে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর হয়ে ওঠে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়ার পর র‌্যাব-৫, রাজশাহী সদর কোম্পানির একটি বিশেষ আভিযানিক দল অভিযানে নামে।
গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে অপহৃত শিশুর অবস্থান শনাক্ত করার পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সম্পর্কেও তথ্য পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে র‌্যাব।
এরই ধারাবাহিকতায় ২৪ আগস্ট রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানাধীন লক্ষ্মীপুর মোড় এলাকায় একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাবের একটি চৌকস দল। অভিযানকালে অপহৃত শিশু নাইম উদ্দিনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। একই অভিযানে অপহরণ চক্রের মূলহোতা হিসেবে অভিযুক্ত মোঃ সুমন খাঁনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন স্বর্ণপট্টি আবাসিক হোটেল এলাকায় পৃথক অভিযান চালানো হয়। ওই অভিযানে মামলার তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপহরণ চক্রের সদস্য হিসেবে অভিযুক্ত মোঃ রুবেল শেখকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।
র‌্যাবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তি অপহরণের ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। তবে ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত ছিল কি না, শিশুটিকে কোথায় রাখা হয়েছিল এবং মুক্তিপণ আদায়ের পরিকল্পনার পেছনে কারা ছিল—এসব বিষয় খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে।
র‌্যাব জানায়, অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে শিশু ও নারীদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে অপরাধীদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া ১৪ বছরের স্কুলছাত্রকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। অন্যদিকে গ্রেপ্তার দুই আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
মামলা দায়েরের এক দিনের মধ্যেই অপহৃত শিশুকে উদ্ধার এবং ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুইজনকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় স্বস্তি ফিরেছে শিশুটির পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে। একই সঙ্গে শিশু অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

Share this news as a Photo Card