ঢাকা, বাংলাদেশ , সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

জয়শঙ্করের নতুন বার্তা: দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ ও সমঝোতার তাগিদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার কূটনৈতিক টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নিতে পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে সমঝোতার ওপর জোর দিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

তিনি জানিয়েছেন, একটি সম্পর্ক তখনই মসৃণ ও সফলভাবে কাজ করে, যখন উভয় পক্ষের স্বার্থ বিবেচনা করে একটি সাধারণ সমঝোতার ক্ষেত্র বা ‘অভিন্ন জায়গা’ খুঁজে বের করা সম্ভব হয়। ‘ইকোনমিক টাইমস ওয়ার্ল্ড লিডার্স ফোরাম’-এ বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে এসব মন্তব্য করেন।

​অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের দাবি এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট মন্তব্য করেননি। তবে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের মূল নীতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, “কোনো সম্পর্ক কার্যকর রাখতে হলে সেটি দুই দেশের জন্যই কিছুটা উপকারী হতে হবে। একটি দেশ শুধু নিজের স্বার্থ অনুযায়ী প্রতিবেশী দেশের কাছ থেকে সবকিছু আশা করতে পারে না। একইভাবে অন্য পক্ষের স্বার্থকেও সম্মান করতে হবে।”

দুই পক্ষ যখন এমন একটি বিন্দুতে পৌঁছায় যেখানে উভয়ের স্বার্থের সমন্বয় ঘটে, তখনই সম্পর্ক স্বাভাবিক গতিতে এগিয়ে যায় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
​শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর আইনি ও কূটনৈতিক দাবি এবং নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই জয়শঙ্করের এই বক্তব্য সামনে এলো।

সম্ভাব্য উচ্চপর্যায়ের সফরগুলো দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বরফ গলাতে পারে বলে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা থাকলেও, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে একতরফা প্রত্যাশার বদলে পারস্পরিক সম্মান ও স্বার্থের সমন্বয়ই হবে সম্পর্কের মূল ভিত্তি।

​একই অনুষ্ঠানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন জয়শঙ্কর। জ্বালানি, সার ও আন্তর্জাতিক নৌপথের সাম্প্রতিক অস্থিরতার উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, বৈশ্বিক সংঘাত ও প্রতিযোগিতার এই যুগে কোনো একক উৎসের ওপর নির্ভর না করে ঝুঁকি কমানোর কৌশল গ্রহণ করা জরুরি।

এ ছাড়া চীনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নিয়ে তিনি জানান, সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের জন্য অপরিহার্য। পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকলে দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি নিজ দেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আত্মনির্ভরশীল অর্থনীতি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
জনপ্রিয়

যুক্তরাজ্যের ফান্ডিং কাটছাঁটে সংকটে সুন্দরবন: ঝুঁকিতে হাজারো জীবন

৫০/এফ, ইনার সার্কুলার ভিআইপি রোড, নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০ | ফোন: ০৯৬৪৯২৩০২২০, ০১৯১৫৭০৮১৮৭, ই-মেইল: info.nagorikvabna@gmail.com

.nv-address-bar { background-color: #1565C0 !important; padding: 10px 20px !important; text-align: center !important; width: 100% !important; display: block !important; } .nv-address-bar p { color: #ffffff !important; font-size: 13px !important; margin: 0 !important; line-height: 1.6 !important; }
24 August 2026

ঘটনার ১৩ বছর পর যশোরে সাবেক এমপি শাহীন চাকলাদারসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

জয়শঙ্করের নতুন বার্তা: দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ ও সমঝোতার তাগিদ

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৩:২৮:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার কূটনৈতিক টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নিতে পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে সমঝোতার ওপর জোর দিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

তিনি জানিয়েছেন, একটি সম্পর্ক তখনই মসৃণ ও সফলভাবে কাজ করে, যখন উভয় পক্ষের স্বার্থ বিবেচনা করে একটি সাধারণ সমঝোতার ক্ষেত্র বা ‘অভিন্ন জায়গা’ খুঁজে বের করা সম্ভব হয়। ‘ইকোনমিক টাইমস ওয়ার্ল্ড লিডার্স ফোরাম’-এ বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে এসব মন্তব্য করেন।

​অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের দাবি এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট মন্তব্য করেননি। তবে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের মূল নীতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, “কোনো সম্পর্ক কার্যকর রাখতে হলে সেটি দুই দেশের জন্যই কিছুটা উপকারী হতে হবে। একটি দেশ শুধু নিজের স্বার্থ অনুযায়ী প্রতিবেশী দেশের কাছ থেকে সবকিছু আশা করতে পারে না। একইভাবে অন্য পক্ষের স্বার্থকেও সম্মান করতে হবে।”

দুই পক্ষ যখন এমন একটি বিন্দুতে পৌঁছায় যেখানে উভয়ের স্বার্থের সমন্বয় ঘটে, তখনই সম্পর্ক স্বাভাবিক গতিতে এগিয়ে যায় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
​শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর আইনি ও কূটনৈতিক দাবি এবং নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই জয়শঙ্করের এই বক্তব্য সামনে এলো।

সম্ভাব্য উচ্চপর্যায়ের সফরগুলো দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বরফ গলাতে পারে বলে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা থাকলেও, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে একতরফা প্রত্যাশার বদলে পারস্পরিক সম্মান ও স্বার্থের সমন্বয়ই হবে সম্পর্কের মূল ভিত্তি।

​একই অনুষ্ঠানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন জয়শঙ্কর। জ্বালানি, সার ও আন্তর্জাতিক নৌপথের সাম্প্রতিক অস্থিরতার উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, বৈশ্বিক সংঘাত ও প্রতিযোগিতার এই যুগে কোনো একক উৎসের ওপর নির্ভর না করে ঝুঁকি কমানোর কৌশল গ্রহণ করা জরুরি।

এ ছাড়া চীনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নিয়ে তিনি জানান, সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের জন্য অপরিহার্য। পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকলে দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি নিজ দেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আত্মনির্ভরশীল অর্থনীতি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন।

Share this news as a Photo Card