ঢাকা, বাংলাদেশ , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

ঝিনাইদহে অজ্ঞান পার্টির দুই সদস্য গ্রেফতার

ফজলুল কবির গামা, ঝিনাইদহ:    ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে বাসযাত্রায় এক স্কুলশিক্ষিকাকে অচেতন করে স্বর্ণালংকার লুটের ঘটনায় আন্তঃবিভাগীয় অজ্ঞান পার্টির দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল ও কোটচাঁদপুর থানা পুলিশ।
ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গাজীপুরের টঙ্গী ও মাগুরা সদর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন খুলনার ফুলতলার আলকা দামোদর এলাকার দুলাল হাওলাদার (৪০), যিনি ‘মলম দুলাল’ নামে পরিচিত, এবং মাগুরা সদর উপজেলার বোগিয়া গ্রামের মো. তিলক খান (৪৪)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ জুন যশোর থেকে শাপলা পরিবহনের একটি বাসে করে কোটচাঁদপুরে ফিরছিলেন এক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। পথে কোটচাঁদপুর থানার এলাঙ্গী বাজার এলাকায় অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির কাছ থেকে ডাবের পানি পান করার পর তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাঁর স্বামী বাসে গিয়ে তাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান।
এ সুযোগে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা শিক্ষিকার পরিহিত স্বর্ণের চেইন, আংটি ও খাড়ু নিয়ে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ৩০ জুন কোটচাঁদপুর থানায় মামলা নম্বর-১৯ দায়ের করা হয়। মামলায় দণ্ডবিধির ৩২৮, ৩৭৯ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেফতারে ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল ও কোটচাঁদপুর থানা পুলিশকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। নির্দেশনার পর তদন্তকারী দল ঘটনাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য ও প্রযুক্তিগত উপাত্ত সংগ্রহ করে আসামিদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চালায়।
সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে গাজীপুরের টঙ্গী ও মাগুরা সদর এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে দুলাল হাওলাদার ও মো. তিলক খানকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশের দাবি, গ্রেফতার দুজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় নেশাজাতীয় দ্রব্য ব্যবহার করে মানুষকে অচেতন করে অপরাধ সংঘটনের একাধিক মামলা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাদের আন্তঃবিভাগীয় অজ্ঞান পার্টির সক্রিয় সদস্য হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
তদন্তসংশ্লিষ্টরা বলছেন, যাত্রীদের অসতর্কতার সুযোগ নিয়ে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা বিভিন্ন কৌশলে অপরাধ সংঘটন করে থাকে। সাম্প্রতিক এই ঘটনায় দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে অপরাধীদের বিরুদ্ধে পুলিশের তৎপরতার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে। মামলাটির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং চক্রটির সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
জনপ্রিয়

৫৩ কোটি টাকার পানি সরবরাহ প্রকল্প, তবুও মঠবাড়িয়ায় সুপেয় পানির সংকট

৫০/এফ, ইনার সার্কুলার ভিআইপি রোড, নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০ | ফোন: ০৯৬৪৯২৩০২২০, ০১৯১৫৭০৮১৮৭, ই-মেইল: info.nagorikvabna@gmail.com

.nv-address-bar { background-color: #1565C0 !important; padding: 10px 20px !important; text-align: center !important; width: 100% !important; display: block !important; } .nv-address-bar p { color: #ffffff !important; font-size: 13px !important; margin: 0 !important; line-height: 1.6 !important; }
25 August 2026

কক্সবাজারে বিপুল অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

ঝিনাইদহে অজ্ঞান পার্টির দুই সদস্য গ্রেফতার

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৩:০৩:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
ফজলুল কবির গামা, ঝিনাইদহ:    ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে বাসযাত্রায় এক স্কুলশিক্ষিকাকে অচেতন করে স্বর্ণালংকার লুটের ঘটনায় আন্তঃবিভাগীয় অজ্ঞান পার্টির দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল ও কোটচাঁদপুর থানা পুলিশ।
ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গাজীপুরের টঙ্গী ও মাগুরা সদর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন খুলনার ফুলতলার আলকা দামোদর এলাকার দুলাল হাওলাদার (৪০), যিনি ‘মলম দুলাল’ নামে পরিচিত, এবং মাগুরা সদর উপজেলার বোগিয়া গ্রামের মো. তিলক খান (৪৪)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ জুন যশোর থেকে শাপলা পরিবহনের একটি বাসে করে কোটচাঁদপুরে ফিরছিলেন এক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। পথে কোটচাঁদপুর থানার এলাঙ্গী বাজার এলাকায় অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির কাছ থেকে ডাবের পানি পান করার পর তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাঁর স্বামী বাসে গিয়ে তাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান।
এ সুযোগে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা শিক্ষিকার পরিহিত স্বর্ণের চেইন, আংটি ও খাড়ু নিয়ে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ৩০ জুন কোটচাঁদপুর থানায় মামলা নম্বর-১৯ দায়ের করা হয়। মামলায় দণ্ডবিধির ৩২৮, ৩৭৯ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেফতারে ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল ও কোটচাঁদপুর থানা পুলিশকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। নির্দেশনার পর তদন্তকারী দল ঘটনাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য ও প্রযুক্তিগত উপাত্ত সংগ্রহ করে আসামিদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চালায়।
সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে গাজীপুরের টঙ্গী ও মাগুরা সদর এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে দুলাল হাওলাদার ও মো. তিলক খানকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশের দাবি, গ্রেফতার দুজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় নেশাজাতীয় দ্রব্য ব্যবহার করে মানুষকে অচেতন করে অপরাধ সংঘটনের একাধিক মামলা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাদের আন্তঃবিভাগীয় অজ্ঞান পার্টির সক্রিয় সদস্য হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
তদন্তসংশ্লিষ্টরা বলছেন, যাত্রীদের অসতর্কতার সুযোগ নিয়ে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা বিভিন্ন কৌশলে অপরাধ সংঘটন করে থাকে। সাম্প্রতিক এই ঘটনায় দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে অপরাধীদের বিরুদ্ধে পুলিশের তৎপরতার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে। মামলাটির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং চক্রটির সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।

Share this news as a Photo Card