ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

দেহ ব্যবসায়ীর আস্তানা গুড়িয়ে দিলেন ছাত্রজনতা ও এলাকাবাসী

উজ্জ্বল মাহমুদ, কুষ্টিয়া
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:৩০:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / ৭৭ বার পঠিত
দেহ ব্যবসায়ীর আস্তানা গুড়িয়ে দিলেন ছাত্রজনতা ও এলাকাবাসী: কুষ্টিয়ার মহিষাডাঙ্গায় পাঁচটি হোটেলে অগ্নিসংযোগ
কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের ১১ মাইল এলাকার মহিষাডাঙ্গায় গড়ে ওঠা অবৈধ দেহ ব্যবসার বিরুদ্ধে ৬ এপ্রিল রোববার বিকেলে তীব্র আন্দোলনে ফেটে পড়ে ছাত্রজনতা ও স্থানীয় এলাকাবাসী। দীর্ঘদিন ধরে হাইওয়ে রোডের পাশে থাকা কিছু খাবারের হোটেলের আড়ালে গোপনে চলা দেহ ব্যবসার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ জনতা একযোগে হামলা চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় অন্তত পাঁচটি হোটেলে।
স্থানীয় ছাত্র ও যুবসমাজের অভিযোগ, ওইসব হোটেলে দিনের পর দিন স্কুল কলেজ পড়ুয়া মেয়েদেরকেও  অর্থের লোভে এ লালসায়  ঠেলে দিচ্ছে একদল পতিতা ব্যবসায়ীরা।আর এ সব হোটেলের অসামাজিক কার্যকলাপ চললেও কর্তৃপক্ষের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা ছিল না। একাধিকবার পুলিশি অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে আটক করলেও তারা জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় একই কার্যক্রমে জড়িত হয়ে পড়ে। এলাকাবাসীর দাবি, এই অবৈধ কর্মকাণ্ড এখন একপ্রকার মহামারিতে রূপ নিয়েছে।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, গজনবীপুর গ্রামের বাসিন্দা শ্যাকম নামের এক ব্যক্তি এই চক্রের অন্যতম হোতা। তিনি একাধিকবার গ্রেফতার হয়ে জেল খেটেও বারবার ফিরে এসেছেন একই ব্যবসায়। তাঁর হোটেল ছাড়াও জিয়ার হোটেল, রুহুল, ইকরামুল এবং মহির উদ্দিনের চায়ের দোকানেও গোপনে দেহ ব্যবসা পরিচালিত হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।
রোববার বিকেল ৩টার দিকে ছাত্রজনতা ও এলাকাবাসী ওই পাঁচটি হোটেলে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলে এই তাণ্ডব। ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে পুরো এলাকা। স্থানীয় সূত্র জানায়, পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এলাকাবাসী একযোগে বলেন, “আমরা এই নোংরা ব্যবসার বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাবো। প্রশাসনের উচিত নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা, তাহলে আর কেউ সাহস পাবে না এমন কাজ করতে।”
ঘটনার পর ইবি থানা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

দেহ ব্যবসায়ীর আস্তানা গুড়িয়ে দিলেন ছাত্রজনতা ও এলাকাবাসী

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:৩০:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫
দেহ ব্যবসায়ীর আস্তানা গুড়িয়ে দিলেন ছাত্রজনতা ও এলাকাবাসী: কুষ্টিয়ার মহিষাডাঙ্গায় পাঁচটি হোটেলে অগ্নিসংযোগ
কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের ১১ মাইল এলাকার মহিষাডাঙ্গায় গড়ে ওঠা অবৈধ দেহ ব্যবসার বিরুদ্ধে ৬ এপ্রিল রোববার বিকেলে তীব্র আন্দোলনে ফেটে পড়ে ছাত্রজনতা ও স্থানীয় এলাকাবাসী। দীর্ঘদিন ধরে হাইওয়ে রোডের পাশে থাকা কিছু খাবারের হোটেলের আড়ালে গোপনে চলা দেহ ব্যবসার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ জনতা একযোগে হামলা চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় অন্তত পাঁচটি হোটেলে।
স্থানীয় ছাত্র ও যুবসমাজের অভিযোগ, ওইসব হোটেলে দিনের পর দিন স্কুল কলেজ পড়ুয়া মেয়েদেরকেও  অর্থের লোভে এ লালসায়  ঠেলে দিচ্ছে একদল পতিতা ব্যবসায়ীরা।আর এ সব হোটেলের অসামাজিক কার্যকলাপ চললেও কর্তৃপক্ষের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা ছিল না। একাধিকবার পুলিশি অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে আটক করলেও তারা জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় একই কার্যক্রমে জড়িত হয়ে পড়ে। এলাকাবাসীর দাবি, এই অবৈধ কর্মকাণ্ড এখন একপ্রকার মহামারিতে রূপ নিয়েছে।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, গজনবীপুর গ্রামের বাসিন্দা শ্যাকম নামের এক ব্যক্তি এই চক্রের অন্যতম হোতা। তিনি একাধিকবার গ্রেফতার হয়ে জেল খেটেও বারবার ফিরে এসেছেন একই ব্যবসায়। তাঁর হোটেল ছাড়াও জিয়ার হোটেল, রুহুল, ইকরামুল এবং মহির উদ্দিনের চায়ের দোকানেও গোপনে দেহ ব্যবসা পরিচালিত হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।
রোববার বিকেল ৩টার দিকে ছাত্রজনতা ও এলাকাবাসী ওই পাঁচটি হোটেলে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলে এই তাণ্ডব। ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে পুরো এলাকা। স্থানীয় সূত্র জানায়, পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এলাকাবাসী একযোগে বলেন, “আমরা এই নোংরা ব্যবসার বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাবো। প্রশাসনের উচিত নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা, তাহলে আর কেউ সাহস পাবে না এমন কাজ করতে।”
ঘটনার পর ইবি থানা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।