ঢাকা, বাংলাদেশ , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

অবৈধ বালু সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: ড্রেজার ধ্বংস, ট্রাক জব্দ ও কারাদণ্ড

জাহাঙ্গীর আলম, গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা):   ​গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে করতোয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক সংলগ্ন হাওয়াখানা এলাকায় পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে অবৈধ বালু উত্তোলনের সরঞ্জাম ধ্বংস ও অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে।
​গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়ছার লিংকনের ‘অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে এই ধারাবাহিক অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) তামশীদ ইরাম খান।
অভিযানের উল্লেখযোগ্য দিকসমূহ:
​সরঞ্জাম ধ্বংস: অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত একটি শক্তিশালী ড্রেজার মেশিন সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে।
​ট্রাক জব্দ: বালু পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত দুটি ড্রাম ট্রাক জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
​দণ্ডাদেশ: ঘটনাস্থল থেকে আটক দুই ব্যক্তিকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে তাদের ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
​দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন:
১. মিণ্টু প্রধান (৪০), পিতা: আব্দুর রহিম উদ্দিন, গ্রাম: ছাতারপাড়া, ইউনিয়ন: দরবস্ত।
২. শাহিনুর মণ্ডল (৩৬), পিতা: আব্দুস সাত্তার, গ্রাম: রহবল চন্দ্রহাট্টা, উপজেলা: শিবগঞ্জ।
​উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বোয়ালিয়া গ্রামের মনছের আলীর ছেলে শামীমের নেতৃত্বে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল। অভিযানের সময় শামীমসহ আরও কয়েকজন কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) তামশীদ ইরাম খান বলেন, “পরিবেশ ধ্বংসকারী ও সরকারি নিয়মনীতি অমান্যকারী কোনো চক্রকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
জনস্বার্থ ও পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
​এলাকাবাসী প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং নদী রক্ষায় এমন অভিযান নিয়মিত পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয়

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জেনারেটরে ওড়না পেঁচিয়ে নারী প্রকৌশলীর মৃত্যু

৫০/এফ, ইনার সার্কুলার ভিআইপি রোড, নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০ | ফোন: ০৯৬৪৯২৩০২২০, ০১৯১৫৭০৮১৮৭, ই-মেইল: info.nagorikvabna@gmail.com

.nv-address-bar { background-color: #1565C0 !important; padding: 10px 20px !important; text-align: center !important; width: 100% !important; display: block !important; } .nv-address-bar p { color: #ffffff !important; font-size: 13px !important; margin: 0 !important; line-height: 1.6 !important; }
24 August 2026

দুপচাঁচিয়ায় গাঁজাসহ স্বামী -স্ত্রী সহ গ্রেপ্তার ৩

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

অবৈধ বালু সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: ড্রেজার ধ্বংস, ট্রাক জব্দ ও কারাদণ্ড

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০২:২৮:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
জাহাঙ্গীর আলম, গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা):   ​গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে করতোয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক সংলগ্ন হাওয়াখানা এলাকায় পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে অবৈধ বালু উত্তোলনের সরঞ্জাম ধ্বংস ও অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে।
​গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়ছার লিংকনের ‘অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে এই ধারাবাহিক অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) তামশীদ ইরাম খান।
অভিযানের উল্লেখযোগ্য দিকসমূহ:
​সরঞ্জাম ধ্বংস: অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত একটি শক্তিশালী ড্রেজার মেশিন সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে।
​ট্রাক জব্দ: বালু পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত দুটি ড্রাম ট্রাক জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
​দণ্ডাদেশ: ঘটনাস্থল থেকে আটক দুই ব্যক্তিকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে তাদের ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
​দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন:
১. মিণ্টু প্রধান (৪০), পিতা: আব্দুর রহিম উদ্দিন, গ্রাম: ছাতারপাড়া, ইউনিয়ন: দরবস্ত।
২. শাহিনুর মণ্ডল (৩৬), পিতা: আব্দুস সাত্তার, গ্রাম: রহবল চন্দ্রহাট্টা, উপজেলা: শিবগঞ্জ।
​উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বোয়ালিয়া গ্রামের মনছের আলীর ছেলে শামীমের নেতৃত্বে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল। অভিযানের সময় শামীমসহ আরও কয়েকজন কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) তামশীদ ইরাম খান বলেন, “পরিবেশ ধ্বংসকারী ও সরকারি নিয়মনীতি অমান্যকারী কোনো চক্রকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
জনস্বার্থ ও পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
​এলাকাবাসী প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং নদী রক্ষায় এমন অভিযান নিয়মিত পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।

Share this news as a Photo Card