ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ১১ মে ২০২৬

কক্সবাজারে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান স্থগিত

প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:৪০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
  • / ১২৫ বার পঠিত
কক্সবাজার প্রতিনিধি
বেতন বৈষম্য দূরীকরণসহ বেশ কয়েকটি দাবি আদায়ের লক্ষ্যে দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা পাঠদান কার্যক্রম স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় চলমান এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে কক্সবাজারের বিভিন্ন কলেজ, স্কুল ও মাদ্রাসায় পাঠদান কার্যত বন্ধ রয়েছে।বাংলাদেশ শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের ডাকে এ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। দাবি আদায়ের লক্ষ্যে শিক্ষক নেতারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে তারা এই কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হয়েছেন।জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সরকার যদি অবিলম্বে দাবিগুলোর যৌক্তিকতা বিবেচনায় নিয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত না নেয়, তবে পরবর্তী সময়ে আরও কঠোর কর্মসূচির দিকে যেতে বাধ্য হবেন তারা।
এদিকে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠদান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অভিভাবকরাও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।উল্লেখযোগ্য দাবিগুলোর মধ্য রয়েছে,
জাতীয়করণের ঘোষণা, টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনরুদ্ধার, নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রে এমপিওভুক্তির নিশ্চয়তা, এবং অবসর সুবিধার পরিমাণ বৃদ্ধিসহ অন্যান্য আর্থিক সুবিধা প্রদান।
এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

কক্সবাজারে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান স্থগিত

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:৪০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
কক্সবাজার প্রতিনিধি
বেতন বৈষম্য দূরীকরণসহ বেশ কয়েকটি দাবি আদায়ের লক্ষ্যে দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা পাঠদান কার্যক্রম স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় চলমান এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে কক্সবাজারের বিভিন্ন কলেজ, স্কুল ও মাদ্রাসায় পাঠদান কার্যত বন্ধ রয়েছে।বাংলাদেশ শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের ডাকে এ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। দাবি আদায়ের লক্ষ্যে শিক্ষক নেতারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে তারা এই কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হয়েছেন।জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সরকার যদি অবিলম্বে দাবিগুলোর যৌক্তিকতা বিবেচনায় নিয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত না নেয়, তবে পরবর্তী সময়ে আরও কঠোর কর্মসূচির দিকে যেতে বাধ্য হবেন তারা।
এদিকে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠদান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অভিভাবকরাও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।উল্লেখযোগ্য দাবিগুলোর মধ্য রয়েছে,
জাতীয়করণের ঘোষণা, টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনরুদ্ধার, নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রে এমপিওভুক্তির নিশ্চয়তা, এবং অবসর সুবিধার পরিমাণ বৃদ্ধিসহ অন্যান্য আর্থিক সুবিধা প্রদান।
এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।