ঢাকা, বাংলাদেশ || বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

গঙ্গাচড়ায় ফুটপাত দখল ও যানজট: প্রশাসনের উদ্যোগেও মিলছে না স্থায়ী সমাধান

রানু মিয়া, গঙ্গাচড়া (রংপুর):    রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলা সদরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ায় প্রতিদিনই ভোগান্তিতে পড়ছেন পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। ফুটপাতের ওপর বিভিন্ন দোকানের মালামাল, অস্থায়ী ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থাকায় অনেক ক্ষেত্রেই পথচারীদের মূল সড়ক দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

এতে সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়ার পাশাপাশি সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ফুটপাত দখল ও সড়কের ওপর বিভিন্নভাবে জায়গা ব্যবহারের কারণে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে ব্যস্ত সময়ে পথচারী ও যানবাহন একই জায়গা ব্যবহার করায় সড়কে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ফুটপাত দখলমুক্ত ও যানজট নিরসনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে উদ্যোগ নেওয়া হলেও স্থায়ীভাবে সমস্যার সমাধান হচ্ছে না বলে স্থানীয়দের দাবি। অভিযান বা তৎপরতার পর কিছু সময় পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও পরে আবারও ফুটপাত ও সড়কের জায়গা দখল হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়াও চার্জার অটোরিকশা এবং ইজিবাইকের জন্য নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড থাকলেও কোনোভাবেই সেগুলোর ব্যবহার হচ্ছে না। সরকারি অর্থে তৈরি করা সাইনবোর্ড কোনো কাজে আসছে না বলে জানান স্থানীয় লোকজন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার পাশাপাশি নিয়মিত তদারকি, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং নির্দিষ্ট স্থানে ব্যবসা পরিচালনার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

এদিকে যানজটের কারণে জরুরি প্রয়োজনে চলাচলকারী মানুষও বিড়ম্বনায় পড়ছেন। শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে প্রতিদিনই এই দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, গঙ্গাচড়া উপজেলা সদরের ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে প্রশাসন কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। পাশাপাশি নিয়মিত মনিটরিংয়ের মাধ্যমে যাতে পুনরায় ফুটপাত দখল না হয়, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানান, গঙ্গাচড়া একটি জনবহুল এলাকা হওয়া সত্ত্বেও গঙ্গাচড়া বাজারের রাস্তাঘাট প্রয়োজনের তুলনায় অনেক চিকন। আমরা বিভিন্নভাবে জনসচেতনতা বৃদ্ধির চেষ্টা চালাচ্ছি। ইতোমধ্যে বাজারের বিভিন্ন জায়গায় স্ট্যান্ড করেছি, মাইকিং করেছি এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ দোকানদার ও ফুটপাত দখলকারীদের জরিমানাও করেছি। আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও জানান, স্থানীয় এমপি মহোদয়ের নেতৃত্বে বুড়িরহাট থেকে গঙ্গাচড়া বাজার হয়ে উপজেলা মডেল মসজিদ পর্যন্ত রাস্তা মেরামত ও সম্প্রসারণের কাজ অতিদ্রুত বাস্তবায়ন হবে।

উক্ত কাজ সম্পন্ন হলে গঙ্গাচড়া বাজারে হয়তো যানজট নিরসন হবে বলে আশা করা যায়। তবে সর্বোপরি বিষয় হলো, সোচ্চার জনগোষ্ঠী এসব বিষয় সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন বলে তিনি মনে করেন।

Share this news as a Photo Card

14 October 2026

পিরোজপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা অভিযান

বিস্তারিত লিংক কমেন্টে |
nagorikbhabna.com

গঙ্গাচড়ায় ফুটপাত দখল ও যানজট: প্রশাসনের উদ্যোগেও মিলছে না স্থায়ী সমাধান

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৩:৫৪:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

রানু মিয়া, গঙ্গাচড়া (রংপুর):    রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলা সদরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ায় প্রতিদিনই ভোগান্তিতে পড়ছেন পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। ফুটপাতের ওপর বিভিন্ন দোকানের মালামাল, অস্থায়ী ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থাকায় অনেক ক্ষেত্রেই পথচারীদের মূল সড়ক দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

এতে সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়ার পাশাপাশি সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ফুটপাত দখল ও সড়কের ওপর বিভিন্নভাবে জায়গা ব্যবহারের কারণে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে ব্যস্ত সময়ে পথচারী ও যানবাহন একই জায়গা ব্যবহার করায় সড়কে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ফুটপাত দখলমুক্ত ও যানজট নিরসনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে উদ্যোগ নেওয়া হলেও স্থায়ীভাবে সমস্যার সমাধান হচ্ছে না বলে স্থানীয়দের দাবি। অভিযান বা তৎপরতার পর কিছু সময় পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও পরে আবারও ফুটপাত ও সড়কের জায়গা দখল হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়াও চার্জার অটোরিকশা এবং ইজিবাইকের জন্য নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড থাকলেও কোনোভাবেই সেগুলোর ব্যবহার হচ্ছে না। সরকারি অর্থে তৈরি করা সাইনবোর্ড কোনো কাজে আসছে না বলে জানান স্থানীয় লোকজন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার পাশাপাশি নিয়মিত তদারকি, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং নির্দিষ্ট স্থানে ব্যবসা পরিচালনার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

এদিকে যানজটের কারণে জরুরি প্রয়োজনে চলাচলকারী মানুষও বিড়ম্বনায় পড়ছেন। শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে প্রতিদিনই এই দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, গঙ্গাচড়া উপজেলা সদরের ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে প্রশাসন কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। পাশাপাশি নিয়মিত মনিটরিংয়ের মাধ্যমে যাতে পুনরায় ফুটপাত দখল না হয়, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানান, গঙ্গাচড়া একটি জনবহুল এলাকা হওয়া সত্ত্বেও গঙ্গাচড়া বাজারের রাস্তাঘাট প্রয়োজনের তুলনায় অনেক চিকন। আমরা বিভিন্নভাবে জনসচেতনতা বৃদ্ধির চেষ্টা চালাচ্ছি। ইতোমধ্যে বাজারের বিভিন্ন জায়গায় স্ট্যান্ড করেছি, মাইকিং করেছি এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ দোকানদার ও ফুটপাত দখলকারীদের জরিমানাও করেছি। আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও জানান, স্থানীয় এমপি মহোদয়ের নেতৃত্বে বুড়িরহাট থেকে গঙ্গাচড়া বাজার হয়ে উপজেলা মডেল মসজিদ পর্যন্ত রাস্তা মেরামত ও সম্প্রসারণের কাজ অতিদ্রুত বাস্তবায়ন হবে।

উক্ত কাজ সম্পন্ন হলে গঙ্গাচড়া বাজারে হয়তো যানজট নিরসন হবে বলে আশা করা যায়। তবে সর্বোপরি বিষয় হলো, সোচ্চার জনগোষ্ঠী এসব বিষয় সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন বলে তিনি মনে করেন।

Share this news as a Photo Card