ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
তাজা খবর
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
গ্রামীণ আবহ আর কারুপণ্যের সম্ভার নিয়ে চলছে বৈশাখী মেলা
কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে মারা গেছেন
বরেণ্য গীতিকবি,সুরকার,লেখক ও সংগীত গুরু ইউনুস আলী মোল্লার
স্কুল ফিডিংয়ের খাবার খেয়ে মাদারীপুরে ৩০ শিক্ষার্থী অসুস্থ
গণধর্ষেণের শিকার ৬-বছরের শিশু ও ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী: গ্রেফতার-১
ছাত্রকে ক্লাসে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে ফেলে হাত ভেঙে দেয়ার অভিযোগ মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে

প্রতিবেদক
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:২৪:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫
- / ৭২ বার পঠিত

পিরোজপুর অফিস :: নেছারাবাদে ক্লাসে পড়া দিতে না পারায় সাইদুল ইসলাম (৯) নামের এক মাদ্রাসার ছাত্রকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে ফেলে হাত ভেঙে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মো. নুরুন্নবী বিরুদ্ধে। তিনি আল-কারীম ইসলামীয়া ক্যাডেট হিফজ মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক ও উপজেলার পশ্চিম সোহাগদল গ্রামের মো. সাদেক হোসেনের ছেলে। শনিবার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার। আহত শিক্ষার্থী সাইদুল ইসলামের দিনমজুর বাবা মো. মোস্তাকিন বিল্লাহ জানান, গত ৫ জুন ক্লাসে পড়া নেয়ার সময় আমার ছেলে সাইদুল ইসলামকে পড়া জিজ্ঞাসা করলে মুখস্থ বলতে পারিনি তাই ওই মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মো. নুরুন্নবী ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বেঞ্চের উপরে ফেলে দিলে আঘাতে ডান হাতের দুটি পাঁজর ভেঙে যায়। ঘটনার ৩ দিন অতিবাহিত হলেও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আমাদের কাউকে জানাইনি এবং কোন চিকিৎসাও করেনি। কৌশলে মাদ্রাসা থেকে অন্যত্র একটি বাড়িতে রেখে সামান্য চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ঘটনা বেগতিক দেখে আমাদেরকে খবর দিলে আমরা সাথে সাথে চিকিৎসার জন্য বরিশাল হাসপাতালে নিয়ে যাই। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ কোন সহযোগিতা না করে আমার ছেলেকে বরিশাল হাসপাতালে ফেলে রেখে কৌশলে পালিয়ে যান। আমি দিনমজুর টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারিনা। আমার ছেলের সাথে যে অন্যায় হয়েছে আমি তার বিচার চাই। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি মো. মনিরুল ইসলাম মুকুল বলেন, আহত শিক্ষার্থী সাইদুল ইসলামের সাথে ঘটে যাওয়া বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। ছেলেটির ডান হাত সম্পূর্ণ ভেঙে গেছে। শুনেছি টাকার অভাবে ওর চিকিৎসা হচ্ছে না। এভাবে ছোট শিশুটির সাথে শিক্ষকের আচরণ করা ঠিক হয়নি। বিষয়টি সম্পর্কে জানতে অভিযুক্ত মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষক মো. নুরুন্নবীকে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ নেছারাবাদ উপজেলা শাখার সভাপতি ও মাদ্রাসার সুপার মো. হাফেজ হোসাইন আহমদ বলেন, অপ্রত্যাশিতভাবে ঘটনাটি ঘটেছে। আমি ঘটনার সময় মাদ্রাসায় উপস্থিত ছিলাম না। ওই ছেলেটার চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজখবর নিতে বরিশালের দিকে যাচ্ছি। তবে তাকে এভাবে মারা ঠিক হয়নি। নেছারাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. বনি আমিন বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরও পড়ুন:























