ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

জামালপুরে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা

আব্দুল আওয়াল
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:০৮:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
  • / ৫ বার পঠিত

আব্দুল আওয়াল:   জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় ৪ বছরের এক শিশু কন্যাকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গাইবান্ধা ইউনিয়নের আগুনের চর গ্রামে।
জানা যায়, বুধবার (৬ মে) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে শিশুটি নিজ বাড়ির পাশে টিউবওয়েল পাড়ে পানি খেতে গেলে একই গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে নাছির উল্লাহ (১৮) তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় শিশুটি চিৎকার দিলে বাড়িতে থাকা লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে। তবে অভিযুক্ত যুবক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরে রাত ৯টার দিকে গুরুতর অবস্থায় শিশুটিকে ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে আসা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. তানজিনা রহমান জানান, হাসপাতালে আনার সময় শিশুটির জামাকাপড় ছেঁড়া অবস্থায় ছিল, তবে শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। বিস্তারিত পরীক্ষার পর পরবর্তীতে জানা যাবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

জামালপুরে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:০৮:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

আব্দুল আওয়াল:   জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় ৪ বছরের এক শিশু কন্যাকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গাইবান্ধা ইউনিয়নের আগুনের চর গ্রামে।
জানা যায়, বুধবার (৬ মে) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে শিশুটি নিজ বাড়ির পাশে টিউবওয়েল পাড়ে পানি খেতে গেলে একই গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে নাছির উল্লাহ (১৮) তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় শিশুটি চিৎকার দিলে বাড়িতে থাকা লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে। তবে অভিযুক্ত যুবক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরে রাত ৯টার দিকে গুরুতর অবস্থায় শিশুটিকে ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে আসা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. তানজিনা রহমান জানান, হাসপাতালে আনার সময় শিশুটির জামাকাপড় ছেঁড়া অবস্থায় ছিল, তবে শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। বিস্তারিত পরীক্ষার পর পরবর্তীতে জানা যাবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।