ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ১১ মে ২০২৬

জামালপুর–২ আসনে কার হাতে উঠবে ধানের শীষ প্রতীক

ইসলামপুর প্রতিনিধি (জমালপুর)
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:৩৮:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
  • / ৩০০ বার পঠিত

জামালপুর–২ (ইসলামপুর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ঘিরে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।

দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতামত ও স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যালোচনায় এক নামই বারবার উঠে আসছে— আলহাজ্ব সুলতান মাহমুদ বাবু।

অভিজ্ঞতা, জনসম্পৃক্ততা এবং দলের কঠিন সময়ে মাঠে সক্রিয় উপস্থিতি — এই তিন ভিত্তিতেই বাবু সাহেব এখন ধানের শীষের সবচেয়ে শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।

জামালপুর–২ (ইসলামপুর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ঘিরে শুরু হয়েছে নীরব উত্তাপ। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন তিন আলোচিত মনোনয়ন প্রত্যাশী — সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সুলতান মাহমুদ বাবু এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের ছোট ভাই শরিফুল ইসলাম খান ফরহাদ।

তবে দলীয় সূত্র ও স্থানীয় পর্যবেক্ষণ বলছে, তৃণমূলের হৃদয়ে এখনো সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য নাম — আলহাজ্ব সুলতান মাহমুদ বাবু।

দীর্ঘদিন ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন সুলতান মাহমুদ বাবু। ৯০-এর দশক থেকেই বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় এ নেতা ছিলেন আন্দোলন–সংগ্রামের সামনের সারিতে।

জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, নেতাকর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এই দুটি গুণই তাঁকে আলাদা করে তুলেছে।

স্থানীয় তৃণমূল নেতারা বলছেন,

বাবু সাহেব শুধু নেতা নন, তিনি মানুষের আপনজন। দল যখন কঠিন সময়ে ছিল, তখনও মাঠ ছাড়েননি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তাঁর অভিজ্ঞতা, জনসম্পৃক্ততা ও তৃণমূলের অকুণ্ঠ সমর্থন তাঁকে আবারও বিএনপির প্রথম সারির প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে রাখছে।

এলাকার জনগণের মধ্যেও তাঁর প্রতি একধরনের আস্থা তৈরি হয়েছে — বিশেষ করে কৃষক, তরুণ ও ব্যবসায়ী শ্রেণির মধ্যে।

শরিফুল ইসলাম খান ফরহাদ তরুণ নেতৃত্বের সম্ভাবনা

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের ছোট ভাই শরিফুল ইসলাম খান ফরহাদ নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করছেন। তিনি সামাজিক কর্মসূচি, মানবিক সহায়তা ও তৃণমূল সাংগঠনিক কাজে অংশ নিয়ে দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছেন।

সাবেক মন্ত্রিপরিষদের সচিব  এ এস এম আব্দুল হালিম দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা নিয়ে রাজনীতিতে এসেছেন। তাঁর ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি পরিচ্ছন্ন, তবে তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ সীমিত।

দলের কিছু কেন্দ্রীয় নেতা মনে করেন।

হালিম সাহেবের প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতা দলীয় পরামর্শ পর্বে কাজে লাগতে পারে, কিন্তু সরাসরি ভোটের রাজনীতিতে তাঁর উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে দুর্বল।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন।

ফরহাদ সাহেবের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হলেও, স্থানীয় সংগঠনে তাঁর অবস্থান এখনো গঠনের পর্যায়ে।

তরুণ ভোটারদের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা উল্লেখযোগ্য হলেও, দলের বয়োজ্যেষ্ঠ নেতাদের মতে, অভিজ্ঞতার দিক থেকে তিনি কিছুটা পিছিয়ে আছেন।

তৃণমূলের সক্রিয়তা, মাঠে উপস্থিতি এবং দলের প্রতি দীর্ঘদিনের নিবেদন বিবেচনায় এখন পর্যন্ত আলহাজ্ব সুলতান মাহমুদ বাবু সাহেবই এগিয়ে আছেন।

তিনি শুধু একজন প্রার্থী নন, বরং ইসলামপুরে বিএনপির অস্তিত্ব রক্ষার অন্যতম স্তম্ভ।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন

তবে তরুণ প্রজন্মের উত্থান ও নতুন নেতৃত্বের চাহিদা ভবিষ্যতের রাজনীতিতে শরিফুল ইসলাম খান ফরহাদকে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে আসতে পারে বলেও অনেকে মনে করেন।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

জামালপুর–২ আসনে কার হাতে উঠবে ধানের শীষ প্রতীক

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:৩৮:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

জামালপুর–২ (ইসলামপুর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ঘিরে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।

দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতামত ও স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যালোচনায় এক নামই বারবার উঠে আসছে— আলহাজ্ব সুলতান মাহমুদ বাবু।

অভিজ্ঞতা, জনসম্পৃক্ততা এবং দলের কঠিন সময়ে মাঠে সক্রিয় উপস্থিতি — এই তিন ভিত্তিতেই বাবু সাহেব এখন ধানের শীষের সবচেয়ে শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।

জামালপুর–২ (ইসলামপুর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ঘিরে শুরু হয়েছে নীরব উত্তাপ। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন তিন আলোচিত মনোনয়ন প্রত্যাশী — সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সুলতান মাহমুদ বাবু এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের ছোট ভাই শরিফুল ইসলাম খান ফরহাদ।

তবে দলীয় সূত্র ও স্থানীয় পর্যবেক্ষণ বলছে, তৃণমূলের হৃদয়ে এখনো সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য নাম — আলহাজ্ব সুলতান মাহমুদ বাবু।

দীর্ঘদিন ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন সুলতান মাহমুদ বাবু। ৯০-এর দশক থেকেই বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় এ নেতা ছিলেন আন্দোলন–সংগ্রামের সামনের সারিতে।

জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, নেতাকর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এই দুটি গুণই তাঁকে আলাদা করে তুলেছে।

স্থানীয় তৃণমূল নেতারা বলছেন,

বাবু সাহেব শুধু নেতা নন, তিনি মানুষের আপনজন। দল যখন কঠিন সময়ে ছিল, তখনও মাঠ ছাড়েননি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তাঁর অভিজ্ঞতা, জনসম্পৃক্ততা ও তৃণমূলের অকুণ্ঠ সমর্থন তাঁকে আবারও বিএনপির প্রথম সারির প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে রাখছে।

এলাকার জনগণের মধ্যেও তাঁর প্রতি একধরনের আস্থা তৈরি হয়েছে — বিশেষ করে কৃষক, তরুণ ও ব্যবসায়ী শ্রেণির মধ্যে।

শরিফুল ইসলাম খান ফরহাদ তরুণ নেতৃত্বের সম্ভাবনা

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের ছোট ভাই শরিফুল ইসলাম খান ফরহাদ নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করছেন। তিনি সামাজিক কর্মসূচি, মানবিক সহায়তা ও তৃণমূল সাংগঠনিক কাজে অংশ নিয়ে দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছেন।

সাবেক মন্ত্রিপরিষদের সচিব  এ এস এম আব্দুল হালিম দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা নিয়ে রাজনীতিতে এসেছেন। তাঁর ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি পরিচ্ছন্ন, তবে তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ সীমিত।

দলের কিছু কেন্দ্রীয় নেতা মনে করেন।

হালিম সাহেবের প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতা দলীয় পরামর্শ পর্বে কাজে লাগতে পারে, কিন্তু সরাসরি ভোটের রাজনীতিতে তাঁর উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে দুর্বল।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন।

ফরহাদ সাহেবের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হলেও, স্থানীয় সংগঠনে তাঁর অবস্থান এখনো গঠনের পর্যায়ে।

তরুণ ভোটারদের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা উল্লেখযোগ্য হলেও, দলের বয়োজ্যেষ্ঠ নেতাদের মতে, অভিজ্ঞতার দিক থেকে তিনি কিছুটা পিছিয়ে আছেন।

তৃণমূলের সক্রিয়তা, মাঠে উপস্থিতি এবং দলের প্রতি দীর্ঘদিনের নিবেদন বিবেচনায় এখন পর্যন্ত আলহাজ্ব সুলতান মাহমুদ বাবু সাহেবই এগিয়ে আছেন।

তিনি শুধু একজন প্রার্থী নন, বরং ইসলামপুরে বিএনপির অস্তিত্ব রক্ষার অন্যতম স্তম্ভ।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন

তবে তরুণ প্রজন্মের উত্থান ও নতুন নেতৃত্বের চাহিদা ভবিষ্যতের রাজনীতিতে শরিফুল ইসলাম খান ফরহাদকে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে আসতে পারে বলেও অনেকে মনে করেন।