
মৃণাল চৌধুরী সৈকত
জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকায় বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় এই কর্মসূচি পালন করবে দলটি।
এনসিপি ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার আয়োজনে কর্মসূচিতে মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ দলের শীর্ষ নেতারা এই বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত থাকবেন।
দলটির পক্ষ থেকে বার্তা, জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধির প্রতিবাদ জানাতে এ বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, দেশে ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কথা জানানো হয়।
হঠাৎ এক লাফে জ্বালানি তেলের দাম এমন বাড়ানোর পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনৈতিক সংকটকে দায়ী করেছে সরকার। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের সামনে বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, দেশের অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতের ভারসাম্য রক্ষার্থেই অনিচ্ছা সত্ত্বেও সরকারকে তেলের দাম বাড়ানোর এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
তিনি বলেন, বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি সামাল দিতে গিয়ে প্রতি মাসে সরকারকে কেবল জ্বালানি খাতেই প্রায় ১৩ কোটি টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছিল। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে দেশীয় বাজারে এই সমন্বয় ছাড়া সরকারের সামনে আর কোনো বিকল্প ছিল না।
ভর্তুকির হিসাব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, শুধু ডিজেলের ক্ষেত্রে প্রতি লিটারে সরকারকে ৯০ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি দিতে হচ্ছিল, যা বছরে বিশাল অংকের বাজেট ঘাটতি তৈরি করছিল। এক ডিজেল খাতেই বছরে ভর্তুকির পরিমাণ দাঁড়াত প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা। আর সার্বিকভাবে সব ধরনের জ্বালানি খাত মিলিয়ে সরকারকে বছরজুড়ে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছিল।

নাগরিক ডেস্ক রিপোর্ট 



















