ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে অর্ধগলিত মা–মেয়ের লাশ উদ্ধার

প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:১৫:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫
  • / ৯০ বার পঠিত
মোঃ আশরাফুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও জেলা  প্রতিনিধি :
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ভুল্লী থানাধীন ৬নং আউলিয়াপুর ইউনিয়নের  ২ নং ওয়ার্ড মাদারগঞ্জ সিকদারহাট মন্দির পাড়া এলাকায় অর্ধগলিত অবস্থায় মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
 সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। নিহতরা হলেন—জগদীশ রায়ের দ্বিতীয় স্ত্রী শমিলা রানী (৫০) ও তার মেয়ে প্রতিবন্ধী শাপলা রানী (২০)। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, আশা এনজিও’র এক কর্মী শমিলা রানীর বাড়িতে গিয়ে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে পাশ্ববর্তী লোকজনকে খবর দেন। পরে বাড়ির লোকজন দরজা ধাক্কা দিলে ভেতর থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। একপর্যায়ে কাঠের দরজার ফাঁক দিয়ে তাকালে মা ও মেয়ের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এসময় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে তারা পুলিশে খবর দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরে প্রবেশের চেষ্টা করে। তবে টিনসেট ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে ঢোকা সম্ভব হয়নি। পরে বিদ্যুতের লাইন বন্ধ করে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।
ভূল্লী থানার সেকেন্ড অফিসার দীন মোহাম্মদ জানান, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে কয়েক দিন আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর জানা যাবে।”
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

ঠাকুরগাঁওয়ে অর্ধগলিত মা–মেয়ের লাশ উদ্ধার

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:১৫:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫
মোঃ আশরাফুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও জেলা  প্রতিনিধি :
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ভুল্লী থানাধীন ৬নং আউলিয়াপুর ইউনিয়নের  ২ নং ওয়ার্ড মাদারগঞ্জ সিকদারহাট মন্দির পাড়া এলাকায় অর্ধগলিত অবস্থায় মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
 সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। নিহতরা হলেন—জগদীশ রায়ের দ্বিতীয় স্ত্রী শমিলা রানী (৫০) ও তার মেয়ে প্রতিবন্ধী শাপলা রানী (২০)। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, আশা এনজিও’র এক কর্মী শমিলা রানীর বাড়িতে গিয়ে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে পাশ্ববর্তী লোকজনকে খবর দেন। পরে বাড়ির লোকজন দরজা ধাক্কা দিলে ভেতর থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। একপর্যায়ে কাঠের দরজার ফাঁক দিয়ে তাকালে মা ও মেয়ের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এসময় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে তারা পুলিশে খবর দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরে প্রবেশের চেষ্টা করে। তবে টিনসেট ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে ঢোকা সম্ভব হয়নি। পরে বিদ্যুতের লাইন বন্ধ করে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।
ভূল্লী থানার সেকেন্ড অফিসার দীন মোহাম্মদ জানান, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে কয়েক দিন আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর জানা যাবে।”
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।