ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
রবিবার, ১০ মে ২০২৬
তাজা খবর
আজ থেকে সরাসরি মামলা
কবি সাংবাদিক মৃণাল চৌধুরী সৈকতের শোকাহত পরিবার পরিজনের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন বিশিষ্ট জনের
কক্সবাজারে গহীন বনে ‘রহস্যময় ঘর’ ঘিরে চাঞ্চল্য
কিশোর গ্যাং সৃষ্টি মাদকেই
“কানাডার এমপি নির্বাচনে জয়ী ডলি বেগমকে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র অভিনন্দন
উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ১৪৪ তম খুলনা দিবস!
চট্রগ্রামের জব্বারের বলি খেলায় হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হোমনার বাঘা শরীফ
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
দাদা-দাদির কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন যুক্তরাষ্ট্রে নিহত শিক্ষার্থী বৃষ্টি

গাউছ-উর রহমান, মাদারীপুর
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:২৫:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
- / ৭ বার পঠিত

গাউছ-উর রহমান, মাদারীপুর: দাদা-দাদির কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার মাদারীপুরের মেধাবী শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির (২৬)।
শনিবার (৯ মে) বৃষ্টির মরদেহবাহী গাড়ি মাদারীপুর সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের চর গোবিন্দপুর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছলে স্বজন ও এলাকাবাসীর কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে বৃষ্টির মরদেহবাহী বিমানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে অ্যাম্বুলেন্সযোগে মরদেহ গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া হয়। বৃষ্টির আসার খবর শুনে সকাল থেকেই তাকে শেষবারের মতো এক নজর দেখতে বাড়িতে ভিড় জমান স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও শত শত এলাকাবাসী।
পারিবারিক কবরস্থানে দাদা-দাদির পাশেই সকালেই খনন করা হয় তার কবর। আসরের নামাজের পর স্থানীয় চর গোবিন্দপুর উচ্চবিদ্যালয় মাঠে বৃষ্টির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে দাদা-দাদির কবরের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয় তাকে।
মেধাবী মেয়ের এমন বিদায়ে বাকরুদ্ধ বাবা জহিরুল ইসলাম বলেন, “আমার আর কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। যে ডিগ্রির জন্য আমার মেয়ে বিদেশে গিয়েছিল, সেই ডিগ্রি সে পেয়েছে। কিন্তু আমার মেয়ে তো আর নেই। আমি শুধু অপরাধীদের কঠোর বিচার চাই।”
এদিকে নিহত বৃষ্টি ও লিমনকে সম্মান জানাতে তাদের ‘মরণোত্তর ডক্টরেট ডিগ্রি’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দক্ষিণ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, গত ১৭ এপ্রিল দক্ষিণ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বৃষ্টি ও জামিল আহমেদ লিমন নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয় এবং এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় লিমনের কক্ষসঙ্গী হিশামকে গ্রেপ্তার করে মার্কিন পুলিশ। এর আগে ৪ মে নিহত লিমনের মরদেহ দেশে পৌঁছেছিল।


















