ঢাকা, বাংলাদেশ , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি কলিমাজানি সেতু নির্মাণ, চরম দুর্ভোগে এলাকাসী

সাইদুর রহমান, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল):   টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের দক্ষিণ সীমান্তবর্তী কলিমাজানি বাজার সংলগ্ন লৌহজং নদীর ওপর নির্মাণাধীন পাকা সেতুর কাজ পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি। নির্ধারিত মেয়াদ অনুযায়ী দেড় বছরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখনো শেষ হয়নি সেতুটির নির্মাণকাজ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নদী পারাপারের দুর্ভোগ লাঘবে লৌহজং নদীর ওপর এই সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। চুক্তি অনুযায়ী দেড় বছরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ধীরগতি ও নানা জটিলতার কারণে সেতুটির নির্মাণকাজ ঝুলে রয়েছে।
সেতু না থাকায় উপজেলার গোড়াই, বহুরিয়া ও ভাওড়া ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
কলিমাজানী গ্রামের শাজাহান মিয়া (৫০) বলেন, প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে নৌকা বা বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে হয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, বয়োবৃদ্ধ ও সাধারণ পথচারীদের। বিশেষ করে কৃষিপণ্য বাজারজাত করতে গিয়ে কৃষকরা মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। এছাড়া জরুরি মুহূর্তে অ্যাম্বুলেন্স বা ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঢুকতে না পারায় স্বাস্থ্যসেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বারবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে তাগিদ দিলেও কাজের গতি বাড়েনি। দ্রুত এই সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ করে জনদুর্ভোগ লাঘব করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সালাম এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুস সালামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. মনিরুল সাজ রিজন বলেন, “অর্থসংকট ও নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধির কারণে কাজ কিছুদিন বন্ধ ছিল। অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ঠিকাদার কাজ শুরু করেছেন। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হবে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয়

কক্সবাজারে বিপুল অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

৫০/এফ, ইনার সার্কুলার ভিআইপি রোড, নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০ | ফোন: ০৯৬৪৯২৩০২২০, ০১৯১৫৭০৮১৮৭, ই-মেইল: info.nagorikvabna@gmail.com

.nv-address-bar { background-color: #1565C0 !important; padding: 10px 20px !important; text-align: center !important; width: 100% !important; display: block !important; } .nv-address-bar p { color: #ffffff !important; font-size: 13px !important; margin: 0 !important; line-height: 1.6 !important; }
24 August 2026

সকল ধর্ম ও মতের মানুষকে কথা বলার সুযোগ দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টায় থাকবো : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি কলিমাজানি সেতু নির্মাণ, চরম দুর্ভোগে এলাকাসী

সর্বশেষ পরিমার্জন : ১২:৪৫:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬
সাইদুর রহমান, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল):   টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের দক্ষিণ সীমান্তবর্তী কলিমাজানি বাজার সংলগ্ন লৌহজং নদীর ওপর নির্মাণাধীন পাকা সেতুর কাজ পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি। নির্ধারিত মেয়াদ অনুযায়ী দেড় বছরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখনো শেষ হয়নি সেতুটির নির্মাণকাজ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নদী পারাপারের দুর্ভোগ লাঘবে লৌহজং নদীর ওপর এই সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। চুক্তি অনুযায়ী দেড় বছরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ধীরগতি ও নানা জটিলতার কারণে সেতুটির নির্মাণকাজ ঝুলে রয়েছে।
সেতু না থাকায় উপজেলার গোড়াই, বহুরিয়া ও ভাওড়া ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
কলিমাজানী গ্রামের শাজাহান মিয়া (৫০) বলেন, প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে নৌকা বা বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে হয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, বয়োবৃদ্ধ ও সাধারণ পথচারীদের। বিশেষ করে কৃষিপণ্য বাজারজাত করতে গিয়ে কৃষকরা মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। এছাড়া জরুরি মুহূর্তে অ্যাম্বুলেন্স বা ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঢুকতে না পারায় স্বাস্থ্যসেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বারবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে তাগিদ দিলেও কাজের গতি বাড়েনি। দ্রুত এই সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ করে জনদুর্ভোগ লাঘব করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সালাম এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুস সালামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. মনিরুল সাজ রিজন বলেন, “অর্থসংকট ও নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধির কারণে কাজ কিছুদিন বন্ধ ছিল। অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ঠিকাদার কাজ শুরু করেছেন। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হবে।

Share this news as a Photo Card